পেস্তা বাদাম-এর আটটি ভেষজ গুণাগুণ ও ব্যবহার পদ্ধতি

পেস্তা বাদাম-এর আছে নানা ভেষজ গুণাগুণ। খেতে সুস্বাদু হলেও বাত, পেটের অসুখ, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি সারাতে ব্যবহার হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: বীজের শাঁস, শাঁসের বহিরাবরণ, পিস্তেকা ফুল। আরো পড়ুন

মালা লতা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

এটি প্রধানভাবে জন্মে ভারতের নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ঝোপঝাড় ও জঙ্গলের ধারে, তবে সচরাচর দেখা যায় না। এই গণের (genus) দু’টি প্রজাতি সমগ্র পৃথিবীতে পাওয়া যায়। একটি প্রজাতি এই ভবলিঙ্গী, এটি ভারতবর্ষ ছাড়াও মরিশাস, আফ্রিকা, মালয়, ফিলিপিনস ও অস্ট্রেলিয়ার গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে পাওয়া যায়। আর একটি প্রজাতি পাওয়া যায় আফ্রিকার উষ্ণপ্রধান অঞ্চলে, নরফোক দ্বীপে এবং অষ্ট্রেলিয়ায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ—সমগ্র লতা, ফল ও বীজ।আরো পড়ুন

বৃক্ষামল বা মহাদা এশিয়ায় জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

ঝোপঝাড়যুক্ত সুন্দর ছোট গাছ। শাখাগুলি স্বাভাবিকভাবেই অবনত। পাতা ডিম্বাকার, অগ্রভাগ বশার মত ক্রমশ সরু, দেখতে অনেকটা গাব (Diospyros peregrina) পাতার মত আয়তাকার। এটি লম্বা ও চওড়ায় যথাক্রমে আড়াই থেকে সাড়ে তিন ইঞ্চি ও দুই থেকে আড়াই ইঞ্চির মত।আরো পড়ুন

ঘন্টাপারুল বা ঘন্টাপাটালি গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

এর পাতা স্বাদে তিক্ত, অতিশয় কটু; আমাশয় শূল, ক্রিমি, মূত্রকৃচ্ছ, অতিসার, রক্তহীনতা, বাত ও কফজ ব্যাধি এবং গুহ্যদ্বার সংক্রান্ত পীড়ায় ব্যবহার্য। মূল: কুষ্ঠরোগে ব্যবহৃত হয়। মূলত্বকের ক্বাথ দিয়ে সরিষার তৈল পাক করে সেই তেল লাগালে দগ্ধব্রণ আরাম হয়।আরো পড়ুন

ঘন্টাপারুল বা ঘন্টাপাটালি এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ঘন্টাপারুল বা ঘন্টাপাটালি-এর বোটানিক্যাল নাম Screbera swietenioides Roxb. ফ্যামিলী Oleaceae. এই গাছের আর একটি প্রজাতি আছে, তার বোটানিক্যাল নাম s. pubescens Kurz., এ কোমল রোমশ, পক্ষাকার, উভয়দিকে ৩/৪ জোড়া পত্রিকা এবং সম্মুখে একটি পত্রিকা থাকে। ফুল ছোট, সাদা ও ধূসর রঙের, রাত্রে অধিক সুগন্ধ ছড়ায়। ফল কিছু ছোট। কাঠ ধূসর বর্ণের, কাঠ থেকে তাঁতের মাকু প্রস্তুত হয়।আরো পড়ুন

পুন্নাগ গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

পুন্নাগ গাছের (Calophyllum inophyllum) ছাল, পাতা, বীজ ভেষজ কাজে ব্যবহৃত হয়। এর বীজ থেকে এক ধরণের তেল হয়, যা চর্মরোগের জন্য খুব উপকারী। দক্ষিণ ভারত, পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যার সমুদ্রোপকূলবর্তী স্থান, বোম্বাই প্রদেশের পূর্ব ও পশ্চিম অংশ, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ, বর্মা, মালয়, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি স্থানে জন্মে। তবে ভারতের সর্বত্র এই গাছটিকে লাগানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং হচ্ছে রাস্তার দু’ধারের ও বাগানের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য।আরো পড়ুন

ভোলাটুকি গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

একে সংস্কৃতে বলা হয় ভল্লাতক, অরুষ্কর (এছাড়া আরও ১৪টি নাম আছে), বাংলায় ভেলা, হিন্দীতে ভিলাবা, ভেলা প্রভৃতি বলা হয়ে থাকে। এর বোটানিক্যাল নাম Semecarpus anacardium Linn. f., পুর্বে এটির নাম ছিল Semecarpus latifolius, Pers., Anacardium latifolium, Lamk, Anacardium officinarum, Gaertn. প্রভৃতি ; ফ্যামিলী Anacardiaceae.আরো পড়ুন

কাংঘূ মান দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি

কাংঘূ মান (মনিপুরী), বন সিলাম (নেপালী) (বৈজ্ঞানিক নাম: Elsholtzia blanda) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। পাতা এ্যাসেনসিয়াল তৈলের উৎস যা ক্ষত এবং কলেরার ন্যায় উদরাময়ের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় (Nayar et al., 1989)।আরো পড়ুন

মালাঙ্গাকুরি বা চাপরা ঘাস বাংলাদেশের ভেষজ তৃণ

মালাঙ্গাকুরি বা চাপরা ঘাস (বৈজ্ঞানিক নাম: Eleusine indica) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। সাধারণত উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত, উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলেও জন্মে। বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মিতে দেখা যায়। আরো পড়ুন

হস্তীপদ বা গাজিয়া পার্বতঞ্চলে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

হস্তীপদ বা গাজিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Elephantopus scaber) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পার্বত্যঞ্চলে জন্মে।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!