কাসারি বা কেসুর (Actinoscirpus grossus): বৈশিষ্ট্য, বিস্তৃতি ও বহুমুখী ব্যবহার

কাসারি-বা-কেসুর এক ধরনের আগাছা

ভারত থেকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া এবং চীনের দক্ষিণাঞ্চল ও তাইওয়ান থেকে মাইক্রোনেশিয়া এবং বনিন দ্বীপপুঞ্জ ( জাপান)। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বৃহত্তর বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সমূহে প্রচুর জন্মে।

 আকন্দফল লতা (Zanonia indica) এর পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও ঔষধি গুণাগুণ

আকন্দফল লতার ফুল ও ফল

বৃহদাকার মসৃণ আরোহী, পাদদেশ কাষ্ঠল। পাতা করতলাকারে ৩-৫ খন্ডিত, পাদদেশ হৃৎপিণ্ডাকার, ৬-১৫ × ৬-১৪ সেমি, ৫-৭ শিরাল, উপরের পৃষ্ঠে পাদদেশে ২টি গ্রন্থি বর্তমান, পত্রবৃন্ত ৫-৮ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন

বড় কেসুতি (Adenosma indianum) উদ্ভিদের পরিচিতি ও শনাক্তকরণের উপায়

বড়-কেসুতির ফুটন্ত ফুল

বর্ষজীবী বীরুৎ, ৫০ সেমি পর্যন্ত লম্বা। কান্ড শাখান্বিত, বেলনাকার, ঘন লোমশ, হলুদ অবৃন্তক গ্রন্থিযুক্ত। পত্র ১.৫-৪.৫ x ০.৫-১.৫ সেমি, প্রায় বৃন্তহীন, ৩-৪টি ভার্টিসিলযুক্ত, আয়তাকার-বল্লমাকার থেকে ডিম্বাকার-আয়তাকার, ঘন গ্রন্থিল রোমশ, আরো পড়ুন

আকন্দ গাছের ১৩টি চমৎকার ভেষজ ও ঔষধি গুণাগুণ এবং উপকারিতা

আকন্দ গাছের পাতা ও ফুল

ভেষজ ও লোকজ চিকিৎসায় আকন্দ (Calotropis) একটি অত্যন্ত সুপরিচিত নাম। ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ এবং ভারতে এই গাছের প্রজাতিগুলো প্রচুর পরিমাণে জন্মে। চিকিৎসাশাস্ত্রে আকন্দের ব্যবহার জানার আগে এর প্রজাতি ও প্রাপ্যতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি: প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশে আয়ুর্বেদ এবং লোকজ চিকিৎসার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে আকন্দ গাছ। তীব্র ওষধি গুণসম্পন্ন এই … Read more

বাসক পাতার জাদুকরী উপকারিতা: পরিচয় থেকে ঘরোয়া প্রতিকারের উপায়

বাসকের সাদা ফুল

ভূমিকা: বাসক বা ভাসক বা বাকাস বা বাসা বা আলোক-বিজাব হচ্ছে একান্থাসি পরিবারের জাস্টিসিয়া গণের একটি সপুষ্পক গুল্ম। এর হিন্দি নাম আড়ষা, এটি অটরুষকের বিবর্তিত শব্দনাম। বিবরণ: বাসক ক্ষুপজাতীয় গাছ হলেও প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট উচু হয়; আষাঢ়-শ্রাবণে সাদা ফুল হয়।[১] আরো পড়ুন

বিদ্যাপাতা বা কালীঝাঁট: পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও এর অবিশ্বাস্য ভেষজ গুণাগুণ

বিদ্যাপাতা-বা-কালীঝাঁট সবুজ সতেজ পাতা

এই ফার্ন বাহারি পাতা হিসাবে অনেকে টবে লাগিয়ে থাকে। বারান্দায় ঝুলন্ত টবে শোভাবর্ধন করে। স্থলজ আবাস, অধিকাংশই স্যাঁতসেঁতে দেয়াল এবং ভেজা, ছায়াযুক্ত স্থান। বংশবিস্তার হয় গ্রন্থিক এবং রেণু দ্বারা।আরো পড়ুন

বুইশাকফুল: এক রহস্যময় পরজীবী উদ্ভিদ ও এর অবিশ্বাস্য ভেষজ গুণাগুণ

বুইশাকফুল পরজীবী উদ্ভিদ

বুইশাকফুল গুলো (বৈজ্ঞানিক নাম: Aeginetia indica) প্রজাতিটি বাংলাদেশে তেমন পরিচিত নাম না। তবে এটি এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জন্মে। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

আকন্দ গাছ কি? জানুন আকন্দের বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস ও ঔষধি গুণ

আকন্দ গাছের পাতা ও ফুল

আকন্দ (Calotropis) হলো এপোসিনাসি (Apocynaceae) উদ্ভিদ পরিবারের একটি চিরসবুজ গুল্মজাতীয় ওষধি গাছ। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এটি একটি উদ্ভিদ গণ (Genus), যার অধীনে মূলত তিনটি প্রধান প্রজাতি রয়েছে। আমাদের উপমহাদেশে এই প্রজাতিগুলো সাধারণত ‘আকন্দ’ নামেই পরিচিত। প্রজাতি তিনটি হলো: আকন্দ বা ক্যালোট্রপিস গণের নামকরণের একটি ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। ১৮১১ সালে বিজ্ঞানী রবার্ট ব্রাউন (R. Br.) প্রথম এই … Read more

উচুন্টি গাছের ভেষজ গুণাগুণ, বৈজ্ঞানিক নাম ও অনন্য বৈশিষ্ট্য

উচুন্টির ফুটন্ত সাদা ফুলের ছবি

বাংলাদেশের ত্রিপুরা আদিবাসীরা কাটা এবং ঘায়ের ক্ষতে উদ্ভিদটির পাতার রস ব্যবহার করে। লিভার বেদনা উপশমে খাসিয়া আদিবাসীরা সম্পূর্ণ উদ্ভিদটির ক্বাথ ব্যবহার করে, উপজাতীয় সংগঠন সমূহ, যেমন মৌলভীবাজার জেলার মনধা জনগোষ্ঠী উদ্ভিদটির শিকড় ক্ষতিকারক শয়তানী শক্তির হাত থেকে শিশুদের রক্ষাকারক হিসেবে, আরো পড়ুন

হরিণা শাক (Aglaonema hookerianum) কি? এর বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও চাষ পদ্ধতি

হরিণা-শাকের পাতা ও ফুলের ছবি

হরিণা শাক বীরুৎ প্রজাতির। এদের কান্ড ৪০-৫০ সেমি লম্বা, ১.৫-২.০ সেমি পুরু। পর্বমধ্য ১.৫-৩.০ সেমি, পাতা সবৃন্তক, বৃন্ত ২৪ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্র বেষ্টনী ঝিল্লিযুক্ত, ১৫ সেমি পর্যন্ত, পত্রফলক ২৭ X ৭-১২ সেমি, ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার বা ভল্লাকারআরো পড়ুন

error: Content is protected !!