লাক্ষা কীট এর বহুবিধি ব্যবহার

লাক্ষা এক জাতীয় ক্ষুদ্র কীটের দ্বারা তৈরী হয়। কুসুম, পলাশ, অশ্বথ, বট, পাকুড়, বেল, অড়হর, বদর (কুল) প্রভৃতি গাছে সাধারণতঃ লাক্ষা জন্মে। এর মধ্যে কুসুম, পলাশ, অশ্বথ প্রভৃতি গ থেকে প্রস্তুত করা লাক্ষা গুণে শ্রেষ্ঠ।আরো পড়ুন

লাক্ষা-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

লাক্ষা সরাসরি চূর্ণ করে অথবা ফুটিয়ে ক্বাথ তৈরী করে খাওয়া উচিত নয়। তাতে লাক্ষার মধ্যস্থিত মোম জাতীয় অংশ বিশেষ বা গালা শরীরের ভেতরে গিয়ে অন্য উপদ্রব সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। সেজন্য লাক্ষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারিক নির্দেশ ভালভাবে মেনে চলা প্রয়োজন।আরো পড়ুন

টাকাপানা বা টোকাপানা ভেষজ গুণসম্পন্ন জলজ প্রজাতি

ভারতের সর্বত্র বিশেষতঃ জলাসন্ন প্রদেশে টোকাপানা (Pistia stratiotes) পাওয়া যায়। পুকুর, জলাশয়, নালা, ঝিল প্রভৃতিতে জন্মে । জলে ভেসে থাকে। লোনা জলে হতে দেখা যায় না। অল্প লবণ-বিশিষ্ট জলে কদাচিৎ হতে দেখা যায়। শীতের সময় এর বাড়বাড়ন্ত হ্রাস হয়, বেশির ভাগ পাতা পচে যায়। শীতের পর নতুন পাতা গজায় ও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং বর্ষাকালে এর বৃদ্ধি দুরন্ত গতিতে হতে থাকে। এই পানা একটি উৎকৃষ্ট সার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানা গায়ে লাগলে চুলকায়।

টোকাপানা বা টাকাপানা-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগ

টোকাপানা বা টাকাপানা ভেষজটি যদিও সকলের কাছে সুপরিচিত এবং একান্তই সহজলভ্য, তথাপি ভারতের চিকিৎসক সমাজ এটিকে নিয়ে খুব একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেননি। ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় এটিকে নিয়ে কিছু কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তার ফলে যেগুলিতে উপকার পাওয়া গেছে সেগুলি এবং দেশ-গাঁয়ে ব্যবহৃত সদ্যফলপ্রদ কয়েকটি যোগ এখানে দেওয়া হচ্ছে।আরো পড়ুন

ভালোবাসার প্রস্তবনা নিয়ে এক আগন্তুক

জানি মন খারাপ, তোমার আঙুল ছুঁয়ে দেওয়ার কেউ নেই পাশে/ নিজেই খেয়াল রাখো কালো কোঁকড়ানো চুলগুলোর/ আসলে কোথাও কোন অপ্রেমী শহর থাকা উচিৎ নয়/
এই কথা আমি বলে আসছি শত শত বছর ধরেই।আরো পড়ুন

দেশি পেটারি গুল্ম-এর বারোটি ভেষজ গুণাগুণ

দেশি পেটারি

দেশি পেটারি গুল্ম-এর ওষুধি গুণ আছে। এটি গুল্মজাতীয়, বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী ঝোপঝাড়সম্পন্ন গাছ। এটি বাতপিত্তনাশক, সংগ্রাহী, বলবর্ধক এবং শুক্রজনন।আরো পড়ুন

করাঙ্কুশ ঘাস-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগ

সৌরভযুক্ত, উদ্দীপক, রক্ত পরিষ্কারক, পিত্তনিঃসারক, ঘর্মকারক, সংকোচক, তিক্ত, শীতল, অগ্নিদ্দীপক; জ্বর, সর্দি, কাসি, পুরাতন বাত, কলেরা, গেঁটে বাত, মূত্রকৃচ্ছ্র, ধাতুদৌর্বল্য, আধ্মান নাশক। বাতরোগে বিরেচক। আমাশয়ের পক্ষে হিতকর। বাতে এই ঘাসের প্রলেপ উপকারী। এছাড়া এটি দাহ, তৃষ্ণা, বমি ও মোহনাশক।আরো পড়ুন

রুসা ঘাস-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের প্রয়োগ

উদ্দীপক, সুগন্ধযুক্ত, কটু, তিক্ত, সংকোচক ; জ্বর, বেদনা, কুষ্ঠ, হৃদরোগ, মুখরোগ, মৃগী (শিশুদের) ও ফুসফুস নলিকা প্রদাহে ব্যবহার্য। মূল ও কাণ্ড বেটে লাগালে বৃশ্চিকের হুল ফোটানো যন্ত্রণার লাঘব হয়। আরো পড়ুন

গন্ধবেণা বা গন্ধ তৃণ-এর ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

জ্বরঘ্ন, ঘর্মকারক, উদ্দীপক, মুখগহ্বর ও মাথার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর প্রদাহের প্রতিষেধক, ম্যালেরিয়া রোগগ্রস্থ শোথরোগীর ক্ষেত্রে ফলপ্রদ ঔষধ। কৃমিনাশক, ক্ষুধাবর্ধক, বিরেচক, শিশুদের কাসিতে লাভদায়ক, আন্ত্রিক রোগে ব্যবহার্য, কামেচ্ছা নষ্ট করে। এই ঘাসসিদ্ধ জলে দুধ ও চিনি মিশিয়ে চায়ের মতো খাওয়া যায়। জাভাতে ঘাসের রস দিয়ে মসলাদার সুস্বাদু সরবত তৈরী হয়।আরো পড়ুন

স্বর্ণ ঝিন্টি গুল্ম-এর ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

স্বর্ণ ঝিন্টি (Barleria prionitis) গুল্ম-এর ফুল দেখতে সুন্দর তাই অনেকে বাড়ির বাগানের সৌন্দর্যের জন্য লাগিয়ে থাকে। এছাড়াও সীমানা নির্ধারনের জন্যও লাগাতে দেখা যায়। এছাড়া এই গুল্মে নানা ভেষজ গুণাগুণ আছে।

error: Content is protected !!