চাকুয়া কড়ই গাছের পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও এর নানাবিধ ব্যবহার

চাকুয়া-কড়ইয়ের পাতা ও ফুল

দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বাংলাদেশে প্রজাতিটি চা-বাগানিদের কর্তৃক ছায়া প্রদানকারী বৃক্ষ হিসেবে প্রবর্তিত হয়েছে। বনাঞ্চলে ইহা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে অনেক জেলাতেই লাগানো হয়, বিশেষ করে। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর এবং ঠাকুরগাঁতে।আরো পড়ুন

শিল কড়ই বা মটর কড়ই গাছের পরিচিতি: বৈশিষ্ট্য, চাষাবাদ ও এর বহুমুখী গুরুত্ব

শিল কড়ই অর্ধচিরহরিৎ বৃক্ষ, ৮-১৮ মিটার উঁচু, ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল প্রায় মসৃণ, ধূসরাভ থেকে গাঢ় বাদামী, আনুভূমিকভাবে কুঞ্চিত এবং কর্ক সদৃশ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুসকুড়ি দ্বারা আবৃত। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী রেশমী ও বাদামী রোমে আবৃত।আরো পড়ুন

সাদা কড়ই বা লোহা শিরিষ গাছের বৈশিষ্ট্য ও বহুমুখী ব্যবহার: একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

আদি নিবাস ভারতের কেন্দ্রীয় অঞ্চল, মায়ানমার, ভূটান, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, নিউগিনি, ইন্দো-চীন, চীন (দক্ষিণাংশ), ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ ও মালয় পেনিনসুলা ব্যতিত সমগ্র গ্রীষ্ম প্রধান এশিয়ায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন

রাখালচিতা: ঔষধি গুণসম্পন্ন এক বিস্ময়কর উদ্ভিদ ও তার লোকজ বিশ্বাস

রাখালচিতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Allophylus cobbe) পাহাড় ও বনাঞ্চলে জন্মানো গুল্ম। বাংলাদেশে এটি যেমন জ্বালানিতে ব্যবহৃত হয় তেমনি নানা রোগের চিকিৎসায় ভেষজ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ছোট আকৃতির এই প্রজাতিটির বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন

খাড়া বিষকচু কি? জানুন বিরল এই পাহাড়ি উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য ও বিস্তৃতি

পাহাড়ের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে ঢালু অঞ্চল। ফুল ও ফল ধারণ মে-আগস্ট মাস। বীজ ও কন্দের সাহায্যে সহজ উপায়ে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: মায়ানমার এবং বাংলাদেরশের চট্টগ্রাম ও মৌলভী বাজর জেলা থেকে এর অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে।আরো পড়ুন

চীনা বিষকচু প্রকৃতির এক অনন্য বিস্ময়: চিরহরিৎ বীরুৎ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, বিস্তৃতি ও ভেষজ গুণাগুণ

চীনা-বিষকচুর পাতা

উদ্ভিদটিকে চূর্ণ করে লেই তৈরি করা হয় যা বিষধর সাপের কামড়ের স্থান, ফোড়া, বাত ও সন্ধিবাত রোগে বাহ্যিক প্রয়োগ করার প্রচলন রয়েছে। (Heng, 1979)। বাংলাদেশের আদিবাসিরা গাছটিকে ভেষজ রূপে ব্যবহার করে।আরো পড়ুন

মানকচুর পরিচিতি ও ভেষজ গুণাগুণ: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের অবাক করা তথ্য

মানকচু এবং এদের বিশাল পাতা

গ্রামের ঝোপঝাড়, জলপ্রবাহযুক্ত ক্ষুদ্র নদীর তীর, নিম্ন জলাভূমি, গাছের নিচে ছায়াযুক্ত স্থান। ফুল ও ফল ধারণ জুলাই-অক্টোবর মাস। শাখা কন্দের মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: ভারত, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ। বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মে। আরো পড়ুন

লম্বা ফানকচু: বিরল এই উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও ভেষজ গুণাগুণ

লম্বা-ফানকচুর পাতা

ভূমিকা: লম্বা ফানকচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia navicularis) বাংলাদের পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ। এই কচু সচরাচর পাওয়া যায় না। এই প্রজাতি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মালেও বাংলাদেশে এর অবস্থান সংকটাপন্ন। বিষয়ের নাম বিস্তারিত তথ্য বৈজ্ঞানিক নাম Alocasia navicularis C. Koch et Bouché in Ind. Sem. Hort. Berol. App.: 2 (1855) সমনাম (Synonym) Colocasia navicularis C. Koch et Bouché … Read more

বড় এলাচ (Amomum subulatum) এর পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও ভেষজ গুণাগুণ

বড় এলাচের গাছে ছবি। ভেষজ ঔষধ ও রান্নায় সুস্বাদের জন্য ব্যবহৃত হয়।

কালো এলাচ বা বড় এলাচ একটি চিরসবুজ উদ্ভিদ। যা ৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাতা কান্ডের উপরের অংশে থাকে। পুরানো ডালপালা কয়েক বছর পরে মারা যায়। রাইজোমগুলি অনুজ্জ্বল লাল রঙের। রাইজোমের গোড়া থেকে হয় এবং বসন্তে ফুলের কুঁড়ি দেখা যায়। আরো পড়ুন

দেশী ছোট এলাচ চাষ পদ্ধতি এবং এর চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা

দেশী-ছোট-এলাচ

ভূমিকা: রান্নায় সুগন্ধ ছড়ানো এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে আমরা সবাই ছোট এলাচ ব্যবহার করি। কিন্তু আপনি কি জানেন এই দেশী ছোট এলাচ গাছ দেখতে কেমন এবং এর বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? আমাদের পরিচিত এই মসলার গাছের রয়েছে অত্যন্ত নিখুঁত ও জটিল একটি শারীরিক গঠন ও ঔষধি গুণাগুণ। আজ আমরা দেশী ছোট এলাচ গাছের পাতা, … Read more

error: Content is protected !!