খুশি ফুল কি? জানুন বাংলাদেশের এই বিরল পাহাড়ি উদ্ভিদের সবকিছু

খুশি-ফুল

ঋজু বীরুৎ, কান্ড সরল, ১ মিটার বা ততোধিক লম্বা। পত্র প্রশস্ত, ১৬-৩০ X ৬-১২ সেমি, সবৃন্তক, বল্লমাকার উপরের অংশ মসৃণ, নিচের অংশ লোমশ। পত্রাবরণ বদ্ধ, নলাকার, লোমশ। পুষ্প মুণ্ডাকার অনিয়ত পুষ্প বিন্যাসে জন্মে, প্রলম্বিত পত্রাবরণের মূলীয় অংশ ভেদ করে বাইরে আসে। আরো পড়ুন

নটে শাকের বৈজ্ঞানিক পরিচিতি, পুষ্টিগুণ ও ওষুধি ব্যবহারের বিস্তারিত নির্দেশিকা

এটি স্নিগ্ধকারক, মূত্রবর্ধক ঔষধ ও সর্প দংশনের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় (Kirtikar et al., 1935)। জাতিতাত্বিক ব্যবহার: কচি বিটপ ও পাতা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়আরো পড়ুন

কাটানটে ও নটে শাক কেন খাবেন? জানুন এর পুষ্টিগুণ, ঔষধি ব্যবহার ও সঠিক রান্নার নিয়ম

🟢 সবুজ নটে বনাম রাঙা (লাল) নটে ⛈️ গরম ও বর্ষাকালের পরম বন্ধু (ঋতুভিত্তিক পথ্য) 🍽️ রান্নার নতুন ও মুখরোচক পদ্ধতি (রুচি ও পুষ্টির মেলবন্ধন) আপনি রান্নার যে নতুন পদ্ধতি দুটি উল্লেখ করেছেন, তা পুষ্টিগুণ বাড়াতে এবং মুখের রুচি ফেরাতে অসাধারণ: আপনি নটে শাক ও কাঁটা নটের প্রাচীন আয়ুর্বেদিক ব্যবহার থেকে শুরু করে রান্নার আধুনিক … Read more

কাঁটানটে উদ্ভিদের পরিচয়, শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও ওষুধি ব্যবহার

পাতা মাঝে মাঝে শাক পালং শাকের মত খাওয়া হয়। ইহা অ্যালেক্সিটারিক, বিরেচক, মূত্রবর্ধক, পাকস্থলীর ব্যথানাশক, পচনরোধক, মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধিকারক, ব্রংকাইটিস, জ্বরনাশক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার হয়।আরো পড়ুন

বাবলা গাছ (Vachellia nilotica): পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব

বাবলা গাছ এবং গাছের ফুল ও পাতা

বাবলা (বৈজ্ঞানিক নাম: Vachellia nilotica ইংরেজি: Indian Gum Arabic Tree, Prickly Acacia, The Babul Tree) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের ভ্যাসেলিয়া গণের কাঁটাযুক্ত লাল ফুলবিশিষ্ট দ্রুত বর্ধনশীল বৃক্ষ। এদের উচ্চতা প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত হয়। আরো পড়ুন

ডেংগা উদ্ভিদের পরিচিতি: গঠন, আবাসস্থল ও বৈশ্বিক বিস্তৃতি

ডেংগা বা কান্‌কানটী শাকের পাতা ও ফুলের ছবি

একবর্ষজীবী, উর্ধ্বগ বা ঋজু বীরৎ, চাষকালে ১.২ মিটার বা এর বেশি উচ্চতা হতে পারে, কাণ্ড দৃঢ়, সাধারণত অধিক শাখান্বিত, শাখা কৌণিক, উপরিভাগ বিরলাভাবে মসৃণ বা সজ্জিত (বা পুষ্পবিন্যাসে অধিক ঘন), কম বা বেশি কুঞ্চিত রোমযুক্ত।আরো পড়ুন

বুনো গোলাপ চাষ পদ্ধতি, বৈশিষ্ট্য ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব – Wild Rose

বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের প্রাকৃতিক বুনো গোলাপ বা Wild Rose ফুল এবং বুনো গোলাপের ঝোপ

বুনো গোলাপ বা জংলী গোলাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Rosa clinophylla) প্রকৃতির বুকে অবহেলায় বেড়ে ওঠা এক অপরূপ সৌন্দর্যের নাম। রোজেসি (Rosaceae) পরিবারের রোজ গণের এই সপুষ্পক গুল্মজাতীয় উদ্ভিদটি বিশ্বজুড়ে ‘Wild Rose’ বা বুনো গোলাপ নামে পরিচিত। বাংলাদেশে সাধারণত কোনো রকম যত্ন ছাড়াই বিভিন্ন বনাঞ্চল, জঙ্গল কিংবা রাস্তার ধারের ঝোপঝাড়ে এই গাছটি আপন মনে বেড়ে ওঠে। তবে … Read more

সাদা গোলাপ চাষ পদ্ধতি, বৈশিষ্ট্য ও ভেষজ গুণাবলী – শ্বেত গোলাপের সম্পূর্ণ গাইড

সবুজ পাতা ও কাণ্ডসহ একটি ফুটন্ত সুন্দর সাদা গোলাপ বা শ্বেত গোলাপ ফুল

সাদা গোলাপকে বলা হয় ছড়ানো অর্ধারোহী গুল্ম। এটি কাঁটাযুক্ত ও বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়ায় ও অসম আকারের গুল্ম । পাতা বড় হয় ও গুচ্ছভাবে থাকে একসাথে ৫ থেকে ৭টি, দেখতে ডিম্বাকার, কোমল পালকে আবৃত এবং পাতার নিচেরভাগ ফ্যাকাশে। আরো পড়ুন

পান নাতা গাছের বৈশিষ্ট্য, চাষ পদ্ধতি, ভেষজ উপকারিতা ও বিস্তৃতি – Alyce Clover

পান নাতা উদ্ভিদের ফুল ও পাতা

পান নাতা ব্যাপিত ও বর্ষজীবী বীরুৎ। এদের কান্ড বলিষ্ঠ, ঊর্ধ্বারোহী, প্রায় ১ মিটার লম্বা, রোমহীন বা সামান্য চাপা রোমশ। পত্রক রোমহীন, ১.৫-২.৫ সেমি লম্বা, প্রস্থের দ্বিগুণ লম্বা, সাধারণত আয়তাকার, কদাচিৎ বল্লমাকার, শীর্ষ স্থূলাগ্র, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার।আরো পড়ুন

শিলারস গাছের পরিচিতি, প্রজাতি এবং মানবদেহে এর অনন্য ঔষধি গুণাগুণ

এটি মধ্যমাকৃতি বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট বৃক্ষ। পাতা করতলাকৃতি, ফুল পীতবর্ণ ও গুচ্ছবদ্ধ। গাছের ছাল বাদামী রঙের। কাঠ লালচে বাদামী অথবা বাদামী, মসৃণ, ভারী এবং শক্ত। বীজ গোলাকার, কর্কশ ও শক্ত। বীজ থেকেই গাছ জন্মে। এই গণের একটি মাত্র প্রজাতি ভারতবর্ষে বিদ্যমান।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!