লোনাপানির কুমির বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশে মহাবিপন্ন প্রজাতি

ভুমিকা: লোনা পানির কুমির ক্রোকডাইলুস গণে মাংসাশী শিকারি প্রজাতি। এদের লেজ পেশীবহুল। এটি বাংলাদেশে মহাবিপন্ন। বর্ণনা: লবনাক্ত পানির কুমির Crocodylus porosus পৃথিবীর জীবন্ত সরীসৃপদের মধ্যে সবচেয়ে বড়। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ কুমিরের দৈর্ঘ্য ৫-৭ মিটার, এর ওজন ৪০০-১০০০ কেজি। স্ত্রী কুমির অনেক ছোট, দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩ মিটার। দেহ অস্থিযুক্ত প্লেট দ্বারা আবৃত থাকে; প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরের শীর্ষ কালো, কিছু অংশ ধূসর রঙের এবং flanks কালো দাগ থাকে এবং উদর ক্রীম হলুদ থেকে সাদা রঙের লেজ পার্শ্বীয় ভাবে চাপা, শীর্ষে করাতের ন্যায় দাঁত থাকে এবং ধূরর রঙের। আরো পড়ুন

স্বাদুপানির কুমির বা মিঠা পানির কুমির বাংলাদেশে সংরক্ষিত প্রজাতি

ভুমিকা: স্বাদুপানির কুমির ক্রোকডাইলুস গণে মাংসাশী শিকারি প্রজাতি। এদের লেজ পেশীবহুল। এটি বাংলাদেশে বিলুপ্ত। বর্ণনা: এই কুমিরের তুন্ড প্রশস্ত, মাথার সম্মুখভাগ অবতল, চোখের সামনে কোনো খাজ থাকে না; প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরের দৈর্ঘ্য ৩-৫ মিটার। দেহ ধূসর থেকে বাদামী রঙের বা উপরিভাগ গাঢ় জলপাই রঙের, সাধারণত কোনো গাঢ় ব্যান্ড থাকে না, দেহের অঙ্কীয়ভাগ সাদা বা হলদে সাদা, অপ্রাপ্ত বয়স্ক কুমির হালকা তামাটে বা বাদামী রঙের এবং গাঢ় আড়াআড়ি ব্যান্ড থাকে এবং দেহ ও লেজে কালো দাগ থাকে। আরো পড়ুন

ক্রোকডাইলুস ক্রোকডাইলিডি পরিবারের সরীসৃপের একটি গণের নাম

ভুমিকা: ক্রোকডাইলুস গণে প্রাণীরা মাংসাশী শিকারি হয়। এদের লেজ পেশীবহুল। এই গণের কুমির প্রজাতিটি অন্তর্গত। এই গণে ১৩টি প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় দুটি প্রজাতি একটি মিঠা পানির কুমির অন্যটি নোনা পানির কুমির। আরো পড়ুন

ক্রোকডাইলিডি সরীসৃপের কুমির বর্গের একটি পরিবারের নাম

ভুমিকা: ক্রোকডাইলিডি পরিবারে প্রাণীরা মাংসাশী শিকারি হয়। এদের লেজ পেশীবহুল। এই পরিবারের কুমির প্রজাতিটি অন্তর্গত। এই পরিবারে ১৫টি প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় দুটি প্রজাতি একটি মিঠা পানির কুমির অন্যটি নোনা পানির কুমির। আরো পড়ুন

ক্রোকোডিলিয়া হচ্ছে আধাজলজ মাংসাশী সরীসৃপের বর্গ

ক্রোকোডিলিয়া হচ্ছে সরীসৃপের একটি বর্গের নাম। এই বর্গের প্রাণীরা মাংসাশী শিকারি হয়। এদের লেজ পেশীবহুল। এই বর্গের ৩টি পরিবার আছে যথা এলিগেটর, ঘড়িয়াল এবং কুমির। ক্রোকোডিলিয়া বর্গের অন্তর্ভুক্ত সদস্যগুলো হলো এলিগেটর, কাইমেন, ঘড়িয়াল এবং কুমির। এদের দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে উঠা-নামা করে। গৌণ তালু সম্পূর্ণ গঠিত এবং হৃৎপিন্ড চারকোণা বিশিষ্ট। আরো পড়ুন

তাড়াশ উপজেলা, সিরাজগঞ্জ থেকে বিরল প্রজাতির হিমালয়ী শকুন উদ্ধার

বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সগুনা ইউনিয়নের চরকুশাবাড়ী পশ্চিম পাড়া নজিবুর রহমানের বাড়ি থেকে তাড়াশ উপজেলা প্রসাশনের সক্রিয় সহযোগিতায় শকুনটি উদ্ধার করে রাজশাহী বন্যপ্রাণী বিভাগ।

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় পাখি শিকারীর এক মাসের কারাদন্ড

বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়া উপজেলার বড়শীলা বিলে অতিথি পাখি শিকার হচ্ছে মর্মে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছিল। গত ৩ ডিসেম্বর ২০১৮ দৈনিক প্রতিদিনের সাংবাদিক জনাব মোঃ আরিফুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এক অভিযান চালান। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছের তালিকা

বাংলাদেশে স্বাদু পানির মৎস্য প্রজাতিসমূহের বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা শুরু হয় ১৮২২ সালে। ২০০৫ সালে এ. কে. আতাউর রহমান বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছকে ৫৫টি পরিবারের অধীনে ১৫৪ গণের ২৬৫টি প্রজাতিকে তালিকাভুক্ত করেছিলেন যার ভেতরে কয়েক প্রজাতির সামুদ্রিক মাছও ছিলো।আরো পড়ুন

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর তালিকা

এশিয় একশিঙ্গি গণ্ডার বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী

সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। আমাদের এই বাংলাদেশে রয়েছে হাজারো প্রাণীর বাস। আমরা কী জানি আমাদের পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের এই বন্যপ্রাণীরা কেমন আছে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর একটি তালিকা ওয়েবে পাওয়া যাবে এরকম ইচ্ছা ছিলো আমার অনেক দিনের। এখানে এরকম একটি তালিকা দেয়া হলো। দেয়ার একটিই উদ্দেশ্য বাংলাদেশ থেকে আর একটি বন্যপ্রাণীও যাতে বিলুপ্ত না হয়। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুইয়ের তালিকা

বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারের মোট ৩২টি প্রজাতিকে দেশবাসি গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুই নামে চেনে। বাংলাদেশের Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারে মোট এরক মের মোট ৩২টি প্রজাতি রয়েছে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!