ইন্দো-চীনা দাঁড়াশ সাপ এশিয়ার আবাসিক ও বাংলাদেশের দুর্লভ সাপ

ইন্দো-চীনা দাঁড়াশ সাপ বা চীনা দাঁড়াশ সাপ হচ্ছে কলুব্রিডি পরিবারের টিয়াস গণের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় এই গণে বাংলাদেশে রয়েছে ৩ টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও রয়েছে এই ১৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এবং আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটি হচ্ছে ইন্দো-চিনা দাঁড়াশ সাপ। আরো পড়ুন

টিয়াস হচ্ছে কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম

টিয়াস (ইংরেজি: Ptyas) কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় বাংলাদেশে রয়েছে এই গণের ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এই গণে মোট ১৩টি প্রজাতি। টিয়াস গণে পৃথিবীতে রয়েছে এই গণে মোট ১৩টি প্রজাতি এবং বাংলাদেশে রয়েছে এই গণের ৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি ৩টি হচ্ছে ১. দেশি দাঁড়াশ সাপ, ২. ইন্দো-চীনা দাঁড়াশ সাপ ও ৩. সবুজ দাঁড়াশ সাপআরো পড়ুন

তাড়াশ উপজেলা, সিরাজগঞ্জ থেকে বিরল প্রজাতির হিমালয়ী শকুন উদ্ধার

বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সগুনা ইউনিয়নের চরকুশাবাড়ী পশ্চিম পাড়া নজিবুর রহমানের বাড়ি থেকে তাড়াশ উপজেলা প্রসাশনের সক্রিয় সহযোগিতায় শকুনটি উদ্ধার করে রাজশাহী বন্যপ্রাণী বিভাগ।

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় পাখি শিকারীর এক মাসের কারাদন্ড

বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়া উপজেলার বড়শীলা বিলে অতিথি পাখি শিকার হচ্ছে মর্মে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছিল। গত ৩ ডিসেম্বর ২০১৮ দৈনিক প্রতিদিনের সাংবাদিক জনাব মোঃ আরিফুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এক অভিযান চালান। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছের তালিকা

বাংলাদেশে স্বাদু পানির মৎস্য প্রজাতিসমূহের বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা শুরু হয় ১৮২২ সালে। ২০০৫ সালে এ. কে. আতাউর রহমান বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছকে ৫৫টি পরিবারের অধীনে ১৫৪ গণের ২৬৫টি প্রজাতিকে তালিকাভুক্ত করেছিলেন যার ভেতরে কয়েক প্রজাতির সামুদ্রিক মাছও ছিলো।আরো পড়ুন

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর তালিকা

সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। আমাদের এই বাংলাদেশে রয়েছে হাজারো প্রাণীর বাস। আমরা কী জানি আমাদের পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের এই বন্যপ্রাণীরা কেমন আছে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর একটি তালিকা ওয়েবে পাওয়া যাবে এরকম ইচ্ছা ছিলো আমার অনেক দিনের। এখানে এরকম একটি তালিকা দেয়া হলো। দেয়ার একটিই উদ্দেশ্য বাংলাদেশ থেকে আর একটি বন্যপ্রাণীও যাতে বিলুপ্ত না হয়। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

বাংলাদেশে ১৩৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীকে আইইউসিএন ২০১৫ সালে মূল্যায়ন করে। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ১৩৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী গত ২০০ বছরে দেখা গেছে বলে ধরা যায়। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ১১ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণি গত ২০০ বছরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।আরো পড়ুন

বাংলাদেশের সাপের তালিকা হচ্ছে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতি

বাংলাদেশের সাপের তালিকা হচ্ছে সরীসৃপ শ্রেণির স্কুয়ামাটা বর্গের ৭টি পরিবারের ৪৬টি গণে অন্তর্ভুক্ত মোট ৯৪টি প্রজাতির একটি মধ্যম পর্যায়ের তালিকা। বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতিকে দেশবাসি সাপ বলে চেনে। বাংলাদেশে Reptilia শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতির যেগুলোকে দেশবাসি সাপ বলে ডাকে। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো সরীসৃপ ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে সংরক্ষিত। অর্থাৎ এসব প্রাণী হত্যা, শিকার, পাচার, বিক্রি ইত্যাদি করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশের ৯৪টি প্রজাতির সাপের পরিবারসহ নামের তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো: আরো পড়ুন

বাংলাদেশের গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুইয়ের তালিকা

বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারের মোট ৩২টি প্রজাতিকে দেশবাসি গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুই নামে চেনে। বাংলাদেশের Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারে মোট এরক মের মোট ৩২টি প্রজাতি রয়েছে। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের ব্যাঙ বা ব্যাঙের তালিকা হচ্ছে ৬টি পরিবারে অন্তর্ভুক্ত ৪০ প্রজাতির ব্যাঙ

বাংলাদেশে উভচর প্রাণীদের সংখ্যা বেশি নয়। বাংলাদেশের ব্যাঙের তালিকা হচ্ছে ৬টি পরিবারে অন্তর্ভুক্ত ৪০ প্রজাতির ব্যাঙের নামের তালিকা। বাংলাদেশে বর্তমানে Anura এবং Apoda বর্গের অধীনে ৭টি পরিবারে ২১টি গণে মোট ৪১টি প্রজাতি অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। IUCN-বাংলাদেশ ২০০০ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ৮টি প্রজাতির অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বর্তমানে অন্তত ২৫টি প্রজাতি ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!