বিষধারক লতা: চাকমা আদিবাসীদের ঐতিহ্যগত চিকিৎসা ও এর চমৎকার ওষুধি ব্যবহার

বৃহৎ আরোহী, দুগ্ধবৎ তরুক্ষীর যুক্ত। কান্ড কন্টকরোমী। পত্র ৭-১৩ x ৪-১১ সেমি, ডিম্বাকার থেকে বর্তুলাকার, কদাচিৎ দীর্ঘায়ত-ভল্লাকার, মূলীয় অংশ গভীর তাম্বুলাকার, কদাচিৎ গোলাকার, উভয় পৃষ্ঠ হলুদ খররোমাবৃত।আরো পড়ুন

বড় রূপাতোলা: বন্য বনের আকর্ষণীয় গোলাপি-লাল ফুলের লতা ও তার পরিচয়

বৃহৎ আরোহী, শাখা চাপা কোমল দীর্ঘরোম যুক্ত। পত্র সবৃন্তক, বৃন্ত ২.৫-৮.০ সেমি লম্বা, পত্র ফলক ৫-১৫ x ৬-১৫ সেমি, ডিম্বাকার সূক্ষ্মাগ্র থেকে দীর্ঘাগ্র, মূলীয় অংশ তাম্বুলাকার, তরুণপত্র কোমল দীর্ঘ রোমযুক্ত, পরবর্তীতে রোমশ বিহীন, উপরের পৃষ্ঠ সাদা রেশমি বা ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত।আরো পড়ুন

সুপারি গাছের ভেষজ গুণ ও ওষুধি ব্যবহার: এর কাঁচা ফলের বিষাক্ত দিকটি জানেন কি?

গাছে কাঁচা সুপারি

সুপারি বা সুপারী বা গুয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Areca catechu ইংরেজি নাম: বেটেল নাট পাম, এ্যারেকা নাট পাম) হচ্ছে এরিকাসি পরিবারের এরিকা গণের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ।  আরো পড়ুন

ব্যাকটেরিয়া নাশক ও বাতের চিকিৎসায় অনন্য এক উদ্ভিদ: জেনে নিন এর চমৎকার ওষুধি গুণ

বৃহদাকার চিরহরিৎ গুল্ম, ৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু। পাতা ৮-২০ x ৪-৬ সেমি, বি-ডিম্বাকার, দীর্ঘায়ত বা উপবৃত্তাকার, তীক্ষ্ণ বা দীর্ঘাগ্র, পাদদেশ ক্রমসরু, অখন্ড, চর্মবৎ, পত্রবৃন্ত ১ সেমি পর্যন্ত লম্বা।আরো পড়ুন

নাউ নুয়ার: স্যাঁতসেঁতে অরণ্যের এক অনন্য বন্য গুল্ম ও এর উদ্ভিদতাত্ত্বিক পরিচয়

নাউ নুয়ার গাছ

বৃহদাকার গুল্ম, ২ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কন্ড সরল, রসালো, শাখা-প্রশাখা বেলনাকার, শক্ত, মসৃণ। পাতা ১৫ ৩৫ x ৫-১২ সেমি, উল্টাভাকার, অখন্ড, দীর্ঘাগ্র, চার্মবৎ, মসৃণ, মধ্যশিরার উভয়পাশে পার্শ্বশিরা ১২-১৫টি, তীক্ষ্ণ, পাদদেশ সরু হয়ে একটি খর্বাকৃতির ও মোটা পর্বলগ্ন পত্রবৃন্তে পরিণত হয়। পুষ্প গোলাপী বা লালচে, লম্বা, শক্ত ও প্রায় মসৃণ প্রান্তীয় যৌগিক মঞ্জরীতে সজ্জিত, পুষ্পবৃন্তিকা ছড়ানো অথবা ঝুলন্ত, ৩.৫-১৫.০ মিমি লম্বা। আরো পড়ুন

আগর কাঠের সুগন্ধি রহস্য: ছত্রাক সংক্রমণ থেকে মূল্যবান আতর তৈরির গল্প

আগর

আগর (বৈজ্ঞানিক নাম: Aquilaria agallocha, ইংরেজি নাম: Agar) হচ্ছে থাইমেলাসিয়াস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত চিরসবুজ প্রজাতি। এই গাছ পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে ও নানা ভেষজ গুণে ভরা। বৃহৎ চিরসবুজ বৃক্ষ। উচ্চতায় ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা ও খাড়া। গুড়িবিশিষ্ট, বাকল সাদাভ, কচি অংশ রেশমের ন্যায়, লোমযুক্ত।আরো পড়ুন

কেচুয়ান গাছ: সাপের বিষের প্রতিষেধক ও কটু স্বাদের এক বিরল পাহাড়ি বৃক্ষ

এই প্রজাতি ছোট থেকে মধ্যম আকৃতির বৃক্ষ। উচ্চতার দিক থেকে প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত হয়। দেখতে রোমশ বিহীন, শাখা সাদা বা ধূসর। গাছের পাতা সরল, ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার ৬-২৫ x ২.০-৯.৫ সেমি, কাগজবৎ, শুষ্ক অবস্থায় হলুদ থেকে সবুজাভ, শীর্ষ দীর্ঘাগ্র থেকে তীক্ষ্ণাগ্র;আরো পড়ুন

মরিশাস ঘাস: গবাদি পশুর পুষ্টিকর খাদ্য ও আদিবাসী চিকিৎসার এক অনন্য তৃণ

সংরক্ষিত মরিশাস ঘাস

কণ্টকরোহিনী, বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী তৃণ, কান্ড ৫০-২০০ সেমি, শায়িত বা খাড়া, নিচের পর্বমধ্য থেকে মূল জন্মে, পর্বমধ্য রোমশবিহীন। পত্র ফলক উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার বা রৈখিক-ভল্লাকার, চ্যাপ্টা, ৫-২৫ x ০.২-১.০ সেমি, সরু হয়ে মূলীয় অংশ বৃন্তরূপে পরিণত, রোমশ বিহীন বা অতিরোমশ, অনুফলক ঝিল্লিযুক্ত, ১-৩ মিমি লম্বা।আরো পড়ুন

শিয়াল বুকা: চিরহরিৎ অরণ্যের এক অনন্য বন্য ফল ও এর বৈজ্ঞানিক পরিচয়

বৃহৎ গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, প্রায় ১০ মিটার উঁচু, শাখা রোমশ বা রোমশ বিহীন। পত্র ১০-২৩ x ৪-১০ সেমি, দ্বিসারী, দীর্ঘায়ত, ভল্লাকার বা উপবৃত্তাকার-দীর্ঘায়ত, শীর্ষ দীর্ঘা; আরো পড়ুন

খাসিয়া জাম: চিরহরিৎ অরণ্যের এক বিরল বন্য ফল ও এর বৈজ্ঞানিক পরিচয়

গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, দেহকান্ড সরল রোমাবৃত, তরুণ বিপট স্বল্প অণুরোমশ, ছোটশাখা ধূসর সাদা। পত্র একান্তর, দ্বিসারী, ৫.৫-১৫.০ x ২.৫-৬.৫ সেমি। পাতা দেখতে দীর্ঘায়ত উপবৃত্তাকার বা সরু ভল্লাকার, শীর্ষ দীর্ঘাগ্র, মুলীয় অংশ কীলকাকার বা সূক্ষ্মা, অখন্ড, গ্রন্থিযুক্ত, উপরের পৃষ্ঠ, গাঢ় সবুজ।

error: Content is protected !!