কেশরাজ বা কালকেশী পতিত জমিতে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ
কেশরাজ বা কালকেশী হচ্ছে একধরনের ঔষধি গুণসম্পন্ন বিরুৎ। এটি স্যাঁতস্যাঁতে স্থান, রাস্তা বা ডোবার পাশে জন্মে। এর সঠিক ব্যবহার না জানায় আগাছা মনে করে অনেকে উপরে ফেলে। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
কেশরাজ বা কালকেশী হচ্ছে একধরনের ঔষধি গুণসম্পন্ন বিরুৎ। এটি স্যাঁতস্যাঁতে স্থান, রাস্তা বা ডোবার পাশে জন্মে। এর সঠিক ব্যবহার না জানায় আগাছা মনে করে অনেকে উপরে ফেলে। আরো পড়ুন
বাহারি গাছ রূপে উদ্যানে জন্মে, কখনও পতিত জমি, ডোবার পাশ্ববর্তী ভূখন্ড, ধান ক্ষেতের মধ্যবর্তী স্থান এবং অনাবাদী জমিতে জন্মিতে দেখা যায়। ফুল ও ফল ধারণ সেপ্টেম্বর-জানুয়ারি। বংশ বিস্তার হয় বীজ ও শাখা কলমের মাধ্যমে।আরো পড়ুন
সাধারণত শুষ্ক অঞ্চলের জমিতে জন্মে। তবে এই গাছ কখনো চাষ করা হয় না। জঙ্গলে নিজে থেকেই বীজ পড়ে গিয়ে চারা জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ জানুয়ারি-মে মাস। বংশ বিস্তার হয় বীজ দ্বারা।আরো পড়ুন
বাকল থেকে নিঃসরিত আঠা সুতিবস্ত্র প্রস্তুতিতে ব্যবহার করা যায়। পত্র ও পল্লব উত্তম পশু খাদ্য। কাঠ গৃহ নির্মাণ, বাক্স তৈরি, আসবাবপত্র তৈরি, গবাদিপশুর জোয়ালি তৈরি, লাঙ্গলের দণ্ড তৈরি, বক্রতা ও কুন্দকারের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।আরো পড়ুন
ধূসর বাকলযুক্ত ক্ষুদ্র পর্ণমোচী বৃক্ষ। পত্র সরল, একান্তর, সবৃন্তক, ডিম্বাকার বা ডিম্বাকৃতি-তাম্বুলাকার, উভয় পৃষ্ঠ রোমশ। পুষ্পবিন্যাস কাক্ষিক সাইম। পুষ্প সাদা, গর্ভশীর্ষপুষ্পী। বৃত্যংশ ৭-৮টি, মুক্ত বা নিম্নাংশে কিছুটা যমক।আরো পড়ুন
ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি আকারের বৃক্ষ, প্রশাখার সর্বত্র জুড়ে ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, কখনও কণ্টক-শীর্ষ। পত্র সরল, ১৪.০ X ২.৫ সেমি, খর্ব, সবৃন্তক, আয়তাকার-বল্লমাকার, অর্ধচর্মবৎ, নিম্নাংশ থেকে ৩-৫টি শিরাবিশিষ্ট। পুষ্পবিন্যাস কাক্ষিক গুচ্ছ সাইম। পুষ্প প্রায় ১.৫ সেমি প্রশস্ত, সবৃন্ত, উভলিঙ্গ, গর্ভশীর্ষপুষ্পী, সাদা, মিষ্টি গন্ধযুক্ত। আরো পড়ুন
গাছের পাতার পেষ্ট ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। পাতা এবং কচি ডগা বিশেষ ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য সংশ্লেষণকারী এবং ক্বাথ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদী বাতের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। পাতার নির্যাস আভ্যন্ত রীণভাবে মাথা ব্যথা, অসাড়তা এবং মুখমণ্ডলের প্যারালাইসিসের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।আরো পড়ুন
এই প্রজাতিটি বনভূমিতে দেখা যায়। মূলত বন্য পরিবেশে ভালো জন্মে। বাড়ির বাগানে লাগাতে চাইলে যত্ন নিতে হবে। ফুল ও ফল ধারণ নভেম্বর-মার্চ। বংশ বিস্তার হয় বীজ দ্বারা।আরো পড়ুন
গ্রামের চারপার্শ্বে এবং গুল্ম উদ্যানে, কখনও কখনও মাঠ, বাগান ইত্যাদির সীমানা নির্দেশক বেড়া হিসেবে লাগানো হয়। ফুল ও ফল ধারণ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি। কাটিং এর মাধ্যমে সহজেই বংশ বিস্তার করা যায়। তাছাড়া বীজের মাধ্যমেও বংশ বিস্তার হয়।আরো পড়ুন
সুনিষ্কাশিত জমিতে চাষাবাদকৃত। শিমুল আলু গাছে সেচ দেওয়ার বিশেষ প্রয়োজন নাই। শীতের শেষ হতেই লাগিয়ে দিলে ভালভাবে বৃদ্ধি পাবে। ফুল ও ফল ধারণ সেপ্টেম্বর-জানুয়ারি। বংশ বিস্তার হয় বীজে বংশ বিস্তার।আরো পড়ুন