শাচী বা কাঞ্চি শাক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের ভেষজ বিরুৎ

শাচী-শাক

ভেজা ধানী জমি, জলাভুমি, চা চাষের জমি এবং ডোবা থেকে শুষ্ক রাস্তার পাশের বাঁধ, উদ্যান বা বিক্ষিপ্ত ভূমি, নিম্নভূমি ইত্যাদি স্থানে জন্মে থাকে। এই শাকের কোন যত্নের প্রয়োজন নেই। এটা চাষাবাদের কোন শাক না। মাটি পেলেই অনায়াসে জন্মায় ও বেড়ে ওঠে।আরো পড়ুন

পাথরকুচি গাছের বহুবিধ ভেষজ ব্যবহার, গুণাগুণ ও উপকারিতা

পাথরকুচি গাছ

পাথরকুচি বা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Bryophyllum pinnatum) হচ্ছে ক্রাসুলাসি পরিবারের ব্রায়োফাইলাম গণের একটি ঋজু, বহুবর্ষজীবী রসালো বিরুত। পাথরকুচি ছাড়াও এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত; যেমন – পাষানভেদী, শিলাভেদ, অশ্মঘ্ন, কোপ্পাতা, শ্বেতা, গাত্রচুরি, কফপাতা ইত্যাদি। আরো পড়ুন

শাচী শাক-এর পাঁচটি ভেষজ গুণ ও ব্যবহারবিধি

শাচী-শাক

এই শাক আগাছার মতো হলেও; এটি শাক হিসাবে যেমন খাওয়া যায় তেমনি ঔষধ হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। প্রয়োগের সঠিক নিয়ম জানা থাকলে আমরা বাড়িতে বসেই কিছু রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা করতে পারব।আরো পড়ুন

ছায়া উষ্ণমণ্ডলী অঞ্চলে জন্মানো ঔষধি বিরুৎ

ছায়া ঋজু বা অর্ধঋজু, একবর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, কখনও নিম্নাংশ কাষ্ঠল, ১৫-৩০ সেমি উঁচু, কাণ্ড ও শাখা প্রশাখার প্রস্তুদে গোলাকার, সরেখ, শক্ত, কম বা বেশী সাদাটে বা হলুদাভ, ঘন লোমাবৃত, কম বা বেশি খসখসে রোমশ,আরো পডুন

ময়ূরশিখা গাছের ছয়টি ভেষজ গুণ, উপকারিতা, প্রয়োগ ও ব্যবহারবিধি

ময়ূর শিখা

ছোট তালচারাকে দেখতে যেমন দেখায়, ময়ূরশিখা গাছকে দেখতে ঠিক সেরূপ দেখায়, তবে বেশ ছোট। পাতা লম্বা ডাটার সঙ্গে যুক্ত। পত্রাংশ চওড়া ও বহুভাগে বিভক্ত। গুচ্ছবদ্ধ পাতাগুলোকে ময়ূরের শিখার মতো দেখায়। রাইজোম খাটো, ভূশায়িত, স্টাইপগুলো ঘনআবদ্ধ। স্টাইপগুলো সবুজাভ থেকে খড়-রঙের, ৫-১৫ সেমি লম্বা, ফ্রল্ড ছোট, পাখা আকৃতি, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমান দুই খণ্ডে ময়ূরশিখা কর্তিত আরো পড়ুন

নীল টেংরাকাঁটা গুল্ম-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

নীল টেংরাকাঁটা গুল্ম-এর উদ্ভিতাত্ত্বিক নাম হলো Acanthuas ilicifolius Linn. গোত্র একান্থাসী। চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর উপকূলীয় বৈদ্য সমাজে প্রমেহ রোগের মহৌষধ হিসাবে এর ব্যবহার বেশ প্রাচীন এবং ব্যাপক। আরো পড়ুন

মুক্তাঝুরি বিরুৎ-এর গুরুত্ব ও দশটি ভেষজ গুণাগুণ

মুক্তাঝুরি বিরুৎ মানুষের যত্ন ছাড়াই জন্মাতে পারে; তবে মানুষ পারলে যূথবদ্ধ এ গাছের উপর ঝাপিয়ে পড়ে বংশ নির্মূল করার জন্য। অথচ বাবলা গাছের মতোই এ গাছ মানুষের উপকার করে চলেছে। মুক্তাঝুরি বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় এটি পতিত জমি, পরিত্যক্ত ক্ষেত, রাস্তার ধার, বাগানের কিনারা, জল-ডোবার ধারে যূথবদ্ধ অবস্থায়, আগাছা হিসাবে জন্মে। আরো পড়ুন

গুইয়া বাবলা: পরিচিতি, ঔষধি গুণাগুণ ও ব্যবহারের নিয়ম

গুইয়া-বাবলা

গুইয়া বাবলা (বৈজ্ঞানিক নাম: Acacia farnesiana ইংরেজি: Cassie Flower, Farnesiana, Sponge Tree, Sweet Acacia, Stinking Acacia) ফেবিয়াসি পরিবারের Acacia গণের ঝোপালো গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ। এটি বাড়িতে বা বাগানে লাগানো হয় এবং পত্রঝরা বনেও জন্মে।আরো পড়ুন

হাতিশুঁড় পৃথিবীর উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের ঔষধি অর্ধসরস বর্ষজীবী বীরুৎ

হাতিশুঁড় গাছ

হাতিশুঁড় (বৈজ্ঞানিক নাম: Heliotropium indicum ইংরেজি: Indian heliotrope, Indian Turnsole) বোরাগিনাসি পরিবারের হেলিওট্রপিয়াম গণের সোজা বিরুত। এটি বাড়িতে বা বাগানে লাগানো হয় না এবং আগাছা হিসেবে যত্রতত্র জন্মায়। আরো পড়ুন

দেশি পেটারি গুল্মের বিবরণ ও দশটি ভেষজ ব্যবহার

দেশি পেটারি

বাংলা অভিধানে ‘পেটারি’ বলে কোনো শব্দ নেই। তাই এ নামের উৎস সম্বন্ধে জানা যায় না। কিন্তু এর সংস্কৃত নাম ‘অতিবলা’ রাখার যুক্তিসঙ্গত কারণ খুঁজে পাওয়া যায়। পেটারির আরও কয়েকটি নাম আছে- বালিকা, বল্যা, বিকঙ্কতা, বাট্যপুষ্পিকা, শীতপুষ্প, ভূরিবলা, বৃষ্যগন্ধিকা। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!