এ্যাপোসিয়েনাসি সপুষ্পক গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের একটি পরিবারের নাম

মালতী লতা

এই পরিবারের প্রজাতিরা সাধারণত পাকানো গুল্ম, কদাচ বৃক্ষ বা সাধারন গুল্ম হয়। বিরলক্ষেত্রে বীরুৎ বা দুগ্ধবৎ তরুক্ষীর বা জলীয় রস বিশিষ্ট সরস। পাতা সরস, প্রতিমুখ বা চক্রবর্তী, বিরলক্ষেত্রে একান্তর বা সর্পিল, অখন্ড। পক্ষ শিরিত, অনুপপত্রী, মধ্যশিরার নিম্নাংশে গ্রন্থিল থাকে। আরো পড়ুন

মালতী লতা বাংলাদেশে জন্মানো আলংকারিক ও ভেষজ উদ্ভিদ

মালতী লতা

বৃহৎ কাষ্ঠল, পেঁচানো, প্রচুর দুগ্ধবৎ তরুক্ষীর বিশিষ্ট গুল্ম। পত্র প্রতিমুখ, চর্মবৎ, পত্রবৃন্ত ১.৫ সেমি লম্বা, পত্রফলক ৮-১০ x ২.৫-৬.০ সেমি, ডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার, স্থূলাঘ, ঈষৎ দীর্ঘায়, নিম্নাংশ গোলাকার স্থূলাগ্র, পার্শ্ব শিরাসমূহ ৩-৫ জোড়া, মসৃণ বা অঙ্কীয় পৃষ্ঠ ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। সাইম প্রান্তীয়, করিম্বের ন্যায়, শিথিল, রোমশ। আরো পড়ুন

লতা পারুল বা রসুন লতা উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের আলংকারিক উদ্যান উদ্ভিদ

লতা পারুল

এদের শাখা থেকে কলম করে নতুন চারার জন্ম হয়। বাড়ির বাগানে বা উদ্যান লাগানো হয় আলংকারিক উদ্ভিদ হিসাবে। দৃষ্টিনন্দন উদ্যান ফুল হিসেবে বাংলাদেশে এর বেশ চাহিদা আছে। ফুল ধরে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে। আরো পড়ুন

নীলমনিলতা উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের জন্মানো শোভাবর্ধনকারী আরোহী লতা

নীলমনিলতা

নীলমনিলতা একটি সুপরিচিত শোভাবর্ধক আরোহী লতা, বারান্দা, খিলান, পারগোলা এবং দেয়ালের উপর জন্মায়। ইহা দেখতে লম্বা ঝুলন্ত স্পাইকে অসংখ্য পুষ্প উৎপন্ন করে যা দেখতে খুবই আকর্ষণীয়। আরো পড়ুন

ডুলিচাঁপা বা দুলিচাঁপা বনাঞ্চলে অযত্নে জন্মানো সাদা ফুল বিশিষ্ট্য সুগন্ধি বৃক্ষ

ডুলিচাঁপা

ভারত, জাপান, মালয়েশিয়া, আমেরিকার পূর্বাঞ্চল, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ, সেন্ট্রাল আমেরিকা এবং ব্রাজিলের পূর্বাঞ্চল। বাংলাদেশে ইহা সিলেট ও চট্টগ্রাম জেলার বনভূমিতে জন্মায়। আরো পড়ুন

মাধবীলতা দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় জন্মানো শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ উদ্ভিদ

মাধবীলতা

ইহার পাতায় ট্যানিন ও স্যাপোনিন বিদ্যমান। ইহার কান্ড ও কান্ডের বাকলে ফ্রিডেলিন এপি ফ্রিডেলিনোল, অক্টাকোসানোল, আলফা-অ্যামাইরিন, বিটা-সিটোস্টেরোল এবং ইহাদের গ্লুকোসাইড ও উপক্ষারের অবশেষ বর্তমান। মূলের বাকলে ম্যানগিফেরিন বিদ্যমান। ইহার বায়ব অংশের ইথানলিক নির্যাসে সিএনএস (CNS) বর্তমান এবং হাইপোটেনসিভ গুনাবলী সম্পন্ন। পাতার নির্যাস পুরনো বাতরোগ, অ্যাজমা পাঁচড়া এবং অন্যান্য চর্মরোগে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

অনন্ত লতা উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো বাগানের শোভাবর্ধনকারী লতা

অনন্ত-লতা

আদিনিবাস মেক্সিকো, বর্তমানে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উষ্ণ অঞ্চলে অতি সাধারণ। বাংলাদেশে এই ভাইনটি বাড়ির বাগান এবং প্রাচীরে অতি পরিচিত, বিশেষ করে শহর অঞ্চলে। আর পড়ুন

মাকড়শা হুড়হুড়ি উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলে আলংকারিক বিরুৎ

মাকড়শা-হুড়হুড়ি

হুড়হুড়ি গাছ বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার করে। জনবসতির কাছাকাছি পতিত জমি, নদী-জলাশয়ের পাশে, পথিপার্শ্ব, নিচু অঞ্চল অযত্নে জন্মে থাকে। উদ্যান বা বাগানে চাষ করতে চাইলেও বিশেষ যত্ন ছাড়াই বেড়ে উঠে শোভাবর্ধন করে। মাকড়শা হুড়হুড়ি ফুল ও ফল ধারণ জানুয়ারি থেকে মে। আরো পড়ুন

মে ফ্লাওয়ার বা ফায়ার বল উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের আলংকারিক বিরুৎ

মে-ফ্লাওয়ার

ফায়ার বল লিলি বা মে ফ্লাওয়ার বহুবর্ষজীবী শল্ক কন্দাল বীরুৎ। এদের পাতা মূলজ, সরল, বল্লমাকার, অখন্ড, সূক্ষ্মাগ্র এবং শিরা সমান্তরাল, পত্রমূল পরস্পর আচ্ছাদিত। ফুলের দন্ড মাটিতে আবির্ভাবের পর পাতার জন্ম হয়। ফুলের বিন্যাস আম্বেল সদৃশ, সাইম, পত্রবিহীন ও ভৌমপুষ্পদন্ডের অগ্রভাবে জন্মে। চমসা একাধিক, সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত ফুল একত্রে শীর্ষ মঞ্জরী গঠন করে যা মাত্র এক সপ্তাহ স্থায়ী থাকে। আরো পড়ুন

দুপুরমনি বা বনঢুলি বাগানে চাষযোগ্য আলংকারিক বর্ষজীবী বীরুৎ

দুপুরমনি

দুপুরমনি বর্ষজীবী বীরুৎ। এর উচ্চতা ১-২ মিটার পর্যন্ত হয়। এই প্রজাতির বাকল মসৃণ, সবুজাভ-বাদামী, সামান্য ছড়ানো তারকাকার লোমযুক্ত। পাতা সরল, একান্তর, দৈর্ঘ্য ৩-১৪ সেমি ও প্রস্থ ০.৫-১.৫ সেমি। পাতা দেখতে রৈখিক-বল্লমাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মা, গোড়া স্থুলাগ্র অথবা কীলকাকার, কিনারা করাত দন্তযুক্ত, আরো পড়ুন

error: Content is protected !!