শ্যাওড়া দক্ষিণ এশিয়ার চিরসবুজ পত্রবহুল ঔষধি গাছ
শ্যাওড়া বা শেওড়া বা শাহাড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Streblus asper) হচ্ছে মোরাসি পরিবারের স্ট্রেবলাস গণের একটি সপুষ্পক চিরসবুজ উদ্ভিদ। চলতি কথায় আমরা একে শাঁড়া গাছ বলে থাকি। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
শ্যাওড়া বা শেওড়া বা শাহাড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Streblus asper) হচ্ছে মোরাসি পরিবারের স্ট্রেবলাস গণের একটি সপুষ্পক চিরসবুজ উদ্ভিদ। চলতি কথায় আমরা একে শাঁড়া গাছ বলে থাকি। আরো পড়ুন
ফলের খোসা কাঠের মতো শক্ত বলে ইংরেজিতে বেলকে বলে ‘Wood Apple’ আর বাংলায় ফলটির এত কদর দেখে বিদেশিরাও ওকে ডাকত ‘Bengal quince’ বলে।বেল গাছ বড় ধরনের বৃক্ষ । আরো পড়ুন
এটি একটি ভাসমান বিস্তৃত জলজ উদ্ভিদ, এই জল সঞ্চারী শৈবাল সদৃশ (শেওলা) ভেষজগুলির পাতা ২ থেকে ৩ ইঞ্চি চওড়া এবং ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা হয়, পাতার কিনারাগুলি করাতের ন্যায় বড় দাঁতবিশিষ্ট। আরো পড়ুন
বড় পাতা ও ছোট পাতা ভেদে দুই প্রকারের থানকুনী এদেশে পাওয়া যায়; ছোট পাতার থানকুনী বা থ্যালকুড়ি কোচবিহার অঞ্চলে জন্মে; সেটিকে ও অঞ্চলে ক্ষুদে মানী বলে। থানকুনি একটি ভেষজ উদ্ভিদ। আরো পড়ুন
জয়ন্তী গাছটি বেশি উচু হয় না। ছোট আকারের গাছ হলেও এটি দ্রুতবর্ধনশীল। এর কাঠ নরম। এই গাছ সাধারণত ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত হতে দেখা যায়। আরো পড়ুন
রাম্বুটানের বৈজ্ঞানিক নাম Nephelium lappaceum L. রাম্বুটান ফলের চেহারা দেখে একে কেউ কেউ দাঁড়িওয়ালা লিচু বলেন। কেননা লিচুর মতো ফলটির খোসায় কাঁটার বদলে আছে নরম আঁশ বা চুলের মতো মোটা আঁশ। আরো পড়ুন
বর্তা বা ডেউয়া মূলত কাঁঠাল পরিবারভুক্ত দেশিয় গাছ হিসেবে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের প্রাকৃতিক বনাঞ্চলে বুনো পরিবেশে জন্মাতে দেখা যায়। আরো পড়ুন
জাম গাছ চিরসবুজ গাছ। এটি বড় আকারের বৃক্ষ। ২০ মিটারেরও বেশি লম্বা হয়ে থাকে। গাছের কাণ্ডের রঙ ধূসর ও ডালের মাথায় পাতা জোড়ায় জোড়ায় লাগানো থাকে। আরো পড়ুন