তুলসি বা কালো তুলসি একটি মহা উপকারি ঔষধি গাছ
সুগন্ধিময় বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, ১৪০ সেমি পর্যন্ত উঁচু। কাণ্ড চতুষ্কোণাকার, খাঁজযুক্ত, স্পষ্টত রোমশ, প্রায়ই রক্তবেগুনি, নিচে কাষ্ঠল। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
সুগন্ধিময় বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, ১৪০ সেমি পর্যন্ত উঁচু। কাণ্ড চতুষ্কোণাকার, খাঁজযুক্ত, স্পষ্টত রোমশ, প্রায়ই রক্তবেগুনি, নিচে কাষ্ঠল। আরো পড়ুন
তুলসি গাছ বা তুলশীর বৈজ্ঞানিক নাম Ocimum tenuiflorum Linn. পরিবার Labiatae সুরসাদিগণে (Group) বর্তমানে ব্যবহৃত কয়েক প্রকার তুলসীর উল্লেখ দেখা যায়; আরো পড়ুন
আয়ুর্বেদ গ্রন্থগুলোতে বিভিন্ন সময়ের আম যে বিভিন্ন গুণসম্পন্ন, সে কথা সুস্পষ্টই বলা হয়েছে। যেমন : কচি আম রক্তপিত্তকর, মধ্য বয়সের আম পিত্তকর এবং পাকা আম বর্ণ, মাংস, শুক্র এবং শক্তি প্রদানকারক। আমের সাথে দুধ মিশিয়ে খেলে বল এবং তেজ দুটিই বাড়ে। কিন্তু বলবৃদ্ধি করে বলে আপনি যদি আপনার হজমশক্তির চেয়ে বেশি আম খান, তাহলে কিন্তু উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে। মনে রাখতে হবে, রাত্রিবেলা শুধু আম কেন, কোনও ফলই খাওয়া উচিত নয়। আরো পড়ুন
ফল (ইংরেজি: Fruits) বলতে জীববিজ্ঞানে বোঝানো হয় কোনো সপুষ্পক উদ্ভিদের সেই অঙ্গ যা বীজ ছড়ায়। কিন্তু সাধারণভাবে ফল হচ্ছে খাবার তৈরিতে উদ্ভিদের বীজ ছড়াবার সেই অঙ্গ। সুতরাং শব্দটিকে বিভিন্ন পরিস্থিতে বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে এই ফল বলতে আমরা বুঝাচ্ছি যেসব ফল মানুষে সাধারণ প্রক্রিয়াতেই খেতে পারে। বাংলাদেশের অপ্রচলিত ফলগুলো বিলুপ্ত হতে চলেছে। এখন … Read more
অর্জুন (বৈজ্ঞানিক নাম: Terminalia arjuna) কমব্রেটাসি পরিবারের টারমিনালিয়া গণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি বৃক্ষ। এরা দেখতে বৃহত আকৃতির গাছ, ৫০ থেকে ৬০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়, আরো পড়ুন
এই গুল্ম ১ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এটির হালকা অগভীর শেকড় জন্মায় এবং মাঝে মাঝে ভারসাম্য রাখার জন্য শুষ্ক শেকড় [stilt root] জন্মায়। এর কাণ্ড শক্ত নয়। ফলে এ গাছ কিছুটা সোজা হয়ে, লতানো পদ্ধতিতে বা চারপাশে নিজেকে বিস্তৃত করে উঠতে পারে।আরো পড়ুন
জাম গাছের মধ্যে ঔষধি কাজে তিন প্রকার জামের উল্লেখ দেখা যায়; যেমন, রাজজাম, কাকজাম ও ভূমিজাম। আয়ুর্বেদিক কাজে রাজজাম ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন
গাঁদাল বা গন্ধভাদালি বা গন্ধভাদুলি বা গন্ধভাদাল হচ্ছে একটি লতানো গাছ। এটি ভারতের সর্বত্র কম বেশি পাওয়া যায়। এরা সচরাচর অপর গাছ অথবা বাগানের বেড়ায় দেখা যায়, আরো পড়ুন
বড় থানকুনির বৈজ্ঞানিক নাম Centella asiatica (Linn.) urban. আর ছোট থানকুনির বৈজ্ঞানিক নাম Centella japonica. দুটিরই পরিবার Apiaceae. দেখতে অনেকটা থানকুনির মতো। আরও পড়ুন