রুসা ঘাস-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের প্রয়োগ
উদ্দীপক, সুগন্ধযুক্ত, কটু, তিক্ত, সংকোচক ; জ্বর, বেদনা, কুষ্ঠ, হৃদরোগ, মুখরোগ, মৃগী (শিশুদের) ও ফুসফুস নলিকা প্রদাহে ব্যবহার্য। মূল ও কাণ্ড বেটে লাগালে বৃশ্চিকের হুল ফোটানো যন্ত্রণার লাঘব হয়। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
উদ্দীপক, সুগন্ধযুক্ত, কটু, তিক্ত, সংকোচক ; জ্বর, বেদনা, কুষ্ঠ, হৃদরোগ, মুখরোগ, মৃগী (শিশুদের) ও ফুসফুস নলিকা প্রদাহে ব্যবহার্য। মূল ও কাণ্ড বেটে লাগালে বৃশ্চিকের হুল ফোটানো যন্ত্রণার লাঘব হয়। আরো পড়ুন
জ্বরঘ্ন, ঘর্মকারক, উদ্দীপক, মুখগহ্বর ও মাথার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর প্রদাহের প্রতিষেধক, ম্যালেরিয়া রোগগ্রস্থ শোথরোগীর ক্ষেত্রে ফলপ্রদ ঔষধ। কৃমিনাশক, ক্ষুধাবর্ধক, বিরেচক, শিশুদের কাসিতে লাভদায়ক, আন্ত্রিক রোগে ব্যবহার্য, কামেচ্ছা নষ্ট করে। এই ঘাসসিদ্ধ জলে দুধ ও চিনি মিশিয়ে চায়ের মতো খাওয়া যায়। জাভাতে ঘাসের রস দিয়ে মসলাদার সুস্বাদু সরবত তৈরী হয়।আরো পড়ুন
স্বর্ণ ঝিন্টি (Barleria prionitis) গুল্ম-এর ফুল দেখতে সুন্দর তাই অনেকে বাড়ির বাগানের সৌন্দর্যের জন্য লাগিয়ে থাকে। এছাড়াও সীমানা নির্ধারনের জন্যও লাগাতে দেখা যায়। এছাড়া এই গুল্মে নানা ভেষজ গুণাগুণ আছে।
ময়ূরশিখা উদ্ভিদ পুরোটিই ঔষধ হিসাবে কাজে লাগানো হয়। কাশি, রিকেট, অতিশার, দাদ ইত্যাদি রোগ সারাতে ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার করলে কার্যকর ফল পাওয়া যায়।আরো পড়ুন
পরশপিপুল (Thespesia populnea) চিরসবুজ ও দ্রুতবর্ধশীল বৃক্ষ। ঔষধি কাজে এই গাছ ব্যবহৃত হয়। গাছের কাঠ আসবাব বানাতে ব্যবহৃত হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ:- ফল, ফুল, পাতা, বীজ, মূল, ছাল ও অন্তঃকাষ্ঠ।আরো পড়ুন
সাধারণতঃ ভারতের সর্বত্র এই গাছটি জন্মে, তবে পাহাড়ী অঞ্চলে এটিকে দেখা যায় না। পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে জন্মে। ছায়াদার ও সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষ হিসেবে রাস্তার ধারে লাগানো হয়ে থাকে। বীজ অথবা ডাল থেকে গাছ হয়। সমুদ্র অঞ্চলের খাড়ী বা নোনা জমি এই গাছের অনুকূল ক্ষেত্র, লাগানোর পর বিনা তদারকিতেও গাছটি দ্রুত বেড়ে ওঠে।আরো পড়ুন
বীজ ভিজিয়ে রাখলে তা ফুলে গিয়ে এক প্রকার থলথলে, অনেকটা জেলীর মত আকার নেয়। বোম্বে অঞ্চলে এর বীজ সম্ভোগ ইচ্ছা বাড়াবার জন্য ব্যবহৃত হয়। মাথার চুলকে চকচকে রাখার জন্য মেয়েরা এই বীজের ব্যবহার করে থাকেন। ইউনানী মতে এটি মধু ও শর্করার (চিনি) সঙ্গে সেবন নিষিদ্ধ। বিশেষতঃ বীর্য পুষ্টিকর দ্রব্য হিসেবে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
এই গাছটিকে পশ্চিম এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের গ্রামাঞ্চলে পাওয়া যায়। আমেরিকা ও ইউরোপে এর ফুলের সৌন্দর্যের জন্য বাগানে ও রাস্তার ধারে লাগানো হয়। ভারতবর্ষের হিমালয় অঞ্চলের পাঞ্জাব, কাশ্মীর ও উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের ৮ হাজার ফুট উঁচু পর্যন্ত স্থানে এটিকে লাগানো হয়ে থাকে।আরো পড়ুন
Leptadenia গণে Leptadenia reticulata ও Desmotrichum fimbriatum নামে দুটি প্রজাতি পাওয়া যায় দক্ষিণ এশিয়ায়। যাতে নানা ভেষজ গুণাগুণ আছে। এদের মূলসহ পুরো গাছটি ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন
পাটুলি গাছ-এর ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ—মূল ও গাছের ছাল । কোথাও কোথাও গাম্ভারী ছালের পরিবর্তে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর কাঠ হালকা। প্যাকিং বাক্স, চায়ের বাক্স, দেশলাই-এর কাঠি, ড্রাম, ব্যারেল, শ্লেট ও ছবি বাঁধানোর ফ্রেম, পেন্সিল, খেলনা প্রভৃতি তৈরীর জন্য এই গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন