আচ বা ননী এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

মাঝারি ধরনের গাছ। কাণ্ড প্রায় সোজা। পাতা চওড়া ও ডিম্বাকৃতি, লম্বা ৫-৮ ইঞ্চি এবং চওড়ায় ৩-৪ ইঞ্চি, মুলা, বোঁটার দিকে সরু। পত্র উজ্জ্বল সবুজ, রোমহীন শাখা-প্রশাখা। প্রায় চতুষ্কোণ-বিশিষ্ট। ফুল সাদা, ইঞ্চিখানিক লম্বা, ৫টি পাপড়িবিশিষ্ট, অতিশয় সুগন্ধযুক্ত, দেখতেও সুন্দর। আরো পড়ুন

ননী বা আচফুল-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ননী বা আচফুল-এর (Morinda citrifolia) লোকপ্রচলিত যেসব ভেষজ প্রয়োগ গা-গ্রামে এখনও ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলির গুণাগুণ বিচার নতুন করে করা প্রয়োজন। ঔষধ হিসাবে এর শিকড়, পাতা ও ফল ব্যবহৃত হয়। যে গুণাগুণগুলো সংগৃহীত হয়েছে তার কয়েকটি এখানে দেওয়া হলো।আরো পড়ুন

চা পাতা ব্যবহার আটটি উপকারিতা

চা পান (বৈজ্ঞানিক নাম: Camellia sinensis, ইংরেজি নাম: Tea Plant) শুধু দোষেরই নয়; চায়েরও আছে কিছু কিছু গুণ। এটি রুচি উৎপন্ন করে, ত্বক ও মূত্রাশয়কে প্রভাবিত করে ঘাম সৃষ্টি করে এবং প্রস্রাবের বেগ আনে, ঢিমে হয়ে যাওয়া উৎসাহ আবার চাগিয়ে দেয়, ক্লান্তি দূর করে, পিত্ত বাড়িয়ে দেয়। খাওয়ার চার ঘণ্টা পরে চা পান করলে ভাল হয়। অতএব খাওয়ার তিন-চার ঘণ্টা পরে খাবারের যে অংশটুকু হজম হয়নি তা চা হজম করিয়ে নীচে নামিয়ে দেয়।আরো পড়ুন

পুদিনা ভেষজ গুণসম্পন্ন বর্ষজীবী গুল্ম

পুদিনা (M. spicata) বর্ষজীবী ক্ষুপ, উগ্রগন্ধ বিশিষ্ট। মূল থেকে পুনরায় গাছ জন্মে। পাতা পুরু, কোমল, কিনারা কাটা কাটা, অগ্রভাগ সরু। গুচ্ছাকারে ফুল হয়। যত্নের সঙ্গে চাষ করা হয়। পাতার চাটনী এবং শরবত উপাদেয় খাদ্য ও পানীয়।আরো পড়ুন

রোহিণা বা রোহণ বৃক্ষে আছে ভেষজ গুণাগুণ

রোহিণা বা রোহণ (Soymida febrifuga) ভেষজটিকে নিয়ে যেসব যোগ ভারতের পশ্চিম বাংলা ও উড়িষ্যায় চলে আসছে, সেগুলির কয়েকটি সংগ্রহ করে এই প্রবন্ধে উল্লেখ করা হলও।আরো পড়ুন

রোহণ বা রোহিণা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বৃক্ষ

রোহণ বৃহদাকৃতি গাছ। সাধারণতঃ ৬০ থেকে ৭০ ফুট উঁচু হতে দেখা যায়। গাছের ছাল মোটা, দেখতে প্রায় মেহগনি গাছের ছালের মতো। সবুজ পত্রাচ্ছাদিত এই বৃক্ষের কাঠ অতি শক্ত ও মজবুত এবং মূল্যবান, কাঠের বাইরের দিকটা শ্বেতাভ হলেও ভেতরের কাঠ রক্তবর্ণ। বাদামী লাল বা গাঢ় লাল হয়ে থাকে। পত্র পক্ষাকার, ৬-১৮ ইঞ্চি লম্বা, তাতে ৩-৬ জোড়া পত্রিকা থাকে। আরো পড়ুন

কুড়-এর নানাবিধ ঘরোয়া ও ভেষজ ব্যবহার

কুড় নামক ভেষজটি আজও ব্যবহৃত হয়, যেমনটি প্রাচীন কালে হতো। সমভাবে আজও ঘরোয়া বিভিন্ন কাজে বা আয়ুর্বেদে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটির বোটানিক্যাল নাম Saussurea lappa C. B. Clarke, ফ্যামিলী। Compositae.আরো পড়ুন

টাকাপানা বা টোকাপানা ভেষজ গুণসম্পন্ন জলজ প্রজাতি

ভারতের সর্বত্র বিশেষতঃ জলাসন্ন প্রদেশে টোকাপানা (Pistia stratiotes) পাওয়া যায়। পুকুর, জলাশয়, নালা, ঝিল প্রভৃতিতে জন্মে । জলে ভেসে থাকে। লোনা জলে হতে দেখা যায় না। অল্প লবণ-বিশিষ্ট জলে কদাচিৎ হতে দেখা যায়। শীতের সময় এর বাড়বাড়ন্ত হ্রাস হয়, বেশির ভাগ পাতা পচে যায়। শীতের পর নতুন পাতা গজায় ও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং বর্ষাকালে এর বৃদ্ধি দুরন্ত গতিতে হতে থাকে। এই পানা একটি উৎকৃষ্ট সার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানা গায়ে লাগলে চুলকায়।

টোকাপানা বা টাকাপানা-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগ

টোকাপানা বা টাকাপানা ভেষজটি যদিও সকলের কাছে সুপরিচিত এবং একান্তই সহজলভ্য, তথাপি ভারতের চিকিৎসক সমাজ এটিকে নিয়ে খুব একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেননি। ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় এটিকে নিয়ে কিছু কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তার ফলে যেগুলিতে উপকার পাওয়া গেছে সেগুলি এবং দেশ-গাঁয়ে ব্যবহৃত সদ্যফলপ্রদ কয়েকটি যোগ এখানে দেওয়া হচ্ছে।আরো পড়ুন

দেশি পেটারি গুল্ম-এর বারোটি ভেষজ গুণাগুণ

দেশি পেটারি

দেশি পেটারি গুল্ম-এর ওষুধি গুণ আছে। এটি গুল্মজাতীয়, বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী ঝোপঝাড়সম্পন্ন গাছ। এটি বাতপিত্তনাশক, সংগ্রাহী, বলবর্ধক এবং শুক্রজনন।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!