নিরীক্ষকের পরামর্শ

এই পঙক্তিগুলি লিখছি ৮ অক্টোবর, সামান্যই আশা আছে যে তা ৯ তারিখে পেত্রগ্রাদের কমরেডদের হাতে পৌছবে। সম্ভবত বিলম্ব হবে, কেননা উত্তরাঞ্চলের সোভিয়েতগুলির কংগ্রেস নির্ধারিত হয়েছে ১০ অক্টোবর। তাহলেও আমার ‘নিরীক্ষকের পরামর্শ’[Advice of an Onlooker] পেশ করতে চেষ্টা করছি এই ঘটনাচক্রের জন্য যে পেত্রগ্রাদ ও গোটা অঞ্চলের শ্রমিক ও সৈনিকদের সম্ভাব্য অভিযান অচিরেই শুরু হবে, কিন্তু এখনো হয় নি। আরো পড়ুন

দ্বৈত ক্ষমতা

প্রত্যেকটি বিপ্লবেরই মূল প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি উপলব্ধ না হলে বিপ্লবে সজ্ঞান অংশগ্রহণ সম্ভবপর হতে পারে না, বিপ্লব পরিচালনার তো কথাই ওঠে না। আমাদের বিপ্লব সৃষ্টি করেছে দ্বৈত ক্ষমতা, এই হলো তার খুবই লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। এই ঘটনাটিকে সর্বাগ্রে উপলব্ধি করতে হবে: এটা না বুঝলে আমরা এগোতে পারি না। আরো পড়ুন

ক্ষমতা দখল করতে হবে বলশেভিকদের

রাশিয়া সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক শ্রমিক পার্টির (বলশেভিক) কেন্দ্রীয় কমিটি, পেত্রগ্রাদ ও মস্কো কমিটির নিকট চিঠি। উভয় রাজধানীর শ্রমিক ও সৈনিক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতে সংখ্যাধিক্য পাওয়ায় বলশেভিকরা স্বহস্তে রাষ্ট্র ক্ষমতা নিতে পারে এবং নেওয়া উচিত। আরো পড়ুন

সংবিধান সভা সম্বন্ধে থিসিস

১. সংবিধান সভা বসাবার দাবিটা ছিলো বৈপ্লবিক সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির কর্মসূচির খুবই ন্যায়সংগত একটা অঙ্গ, তার কারণ কোনো বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রে সংবিধান সভা হলো গণতান্ত্রিকতার সর্বোচ্চ আকার, আর কারণ হলো এই যে, কেরেনস্কির নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী প্রজাতন্ত্র প্রাক-পার্লামেণ্ট স্থাপন করার সাহায্যে নির্বাচনে জয়াচুরি এবং নানা উপায়ে গণতান্ত্রিকতা লঙ্ঘনের আয়োজন করছিলো। আরো পড়ুন

মেহনতি ও শোষিত মানুষের অধিকার ঘোষণা

ক) রাশিয়া এতদ্বারা শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতসমূহের প্রজাতন্ত্র বলে ঘোষিত হলো। কেন্দ্রীয় আর স্থানিক সমস্ত ক্ষমতা ন্যস্ত হলো এইসব সোভিয়েতের হাতে। খ) স্বাধীন জাতিসমূহের অবাধ সম্মিলনের নীতি অনুসারে সোভিয়েত জাতীয় প্রজাতন্ত্রগুলির ফেডারেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো রাশিয়া সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র। আরো পড়ুন

ফ্যাসিবাদ কাকে বলে এবং কেন ও কীভাবে প্রতিরোধ করতে হবে

ফ্যাসিবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদের সাধারণ সংকটের সৃষ্টি, শোষক শ্রেণিগুলোর সর্বাপেক্ষা প্রতিক্রিয়াশীল, জাতিদাম্ভিক ও আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ধারা। ফ্যাসিবাদের প্রধান ভিত্তি শহর ও গ্রামের পেটি-বুর্জোয়া শ্রেণি এবং সমাজের শ্রেণি-বহির্ভূত স্তরগুলো। ফ্যাসিবাদের মতাদর্শিক বৈশিষ্ট হলো চরম সাম্যবাদ-বিরোধিতা ও বর্ণবাদ।[১] আরো পড়ুন

‘ঐক্য প্রসঙ্গে’ প্রবন্ধ থেকে

শ্রমিকদের ঐক্য সত্যই আবশ্যক। এবং সবচেয়ে আবশ্যক এইটে বোঝা যে শ্রমিকেরা নিজেরা ছাড়া আর কেউ তাদের ঐক্য ‘দান করতে’ পারে না, তাদের ঐক্যে সাহায্য করার ক্ষমতা আর কারো নেই। ঐক্য ‘প্রতিশ্রুতির’ ব্যাপার নয়—সেটা হবে ফাঁকা বড়াই, আত্মপ্রতারণা। বুদ্ধিজীবি গোষ্ঠীগুলির ‘সম্মতি’ থেকে ঐক্য সৃষ্টি করা যায় না—এটা হলো সবচেয়ে শোচনীয়, সবচেয়ে বাতুল, সবচেয়ে অজ্ঞ একটা বিভ্রান্তি। আরো পড়ুন

জাসদ হচ্ছে ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী গণবিরোধী দলের নাম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে জাসদ, গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এই দলটির নামের সাথে মিল পাওয়া যায় হিটলারের নামের দলটির। আডলফ হিটলারের (১৮৮৯ – ১৯৪৫) দলের নাম ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক দল। শুরু থেকেই দলটির নাম নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় এবং মার্কসবাদীরা এটিকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে বলতে শুরু করে। আরো পড়ুন

কমিউনিস্ট পার্টি

সভাপতি মাও সেতুং-এর উদ্ধৃতি ১. কমিউনিস্ট পার্টি *** আমাদের কার্যের নেতৃত্বের কেন্দ্র শক্তি হচ্ছে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি। আমাদের চিন্তাধারার পথনির্দেশের তাত্ত্বিক ভিত্তি হচ্ছে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ। চিনা জনগণের প্রজাতন্ত্রের প্রথম জাতীয় গণ- কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে প্রদত্ত উদ্বোধনী ভাষণ (১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪) *** যদি বিপ্লব করতে হয়, তাহলে অবশ্যই একটা বিপ্লবি পার্টি থাকতে হবে। একটা বিপ্লবি পার্টি ছাড়া, … Read more

শৃংখলা

সভাপতি মাও সেতুঙের উদ্ধৃতি ২৬. শৃংখলা *** জনগণের ভেতরে, গণতন্ত্র কেন্দ্রীকতার সংগে সম্পর্কিত এবং স্বাধীনতা শৃংখলার সংগে সম্পর্কিত। এ সবই হচ্ছে একটি একক বস্তুর দুটি বিপরীত দিক, তারা পরস্পর বিরোধী, আবার ঐক্যবদ্ধও; আমাদের একটার উপর একতরফাভাবে জোর দিয়ে অন্যটাকে অস্বীকার করা উচিত নয়। জনগণের ভেতরে, স্বাধীনতা ছাড়া চলে না, শৃংখলা ছাড়াও চলে না; গণতন্ত্র ছাড়া … Read more

error: Content is protected !!