কার্পাস গাছ ও তুলার সতেরোটি ভেষজ গুণাগুণ
কার্পাস একটি তুলার গাছ। এটি একটি ছোট আকারের উদ্ভিদ। আমাদের দেশে ব্যাপক হারে এর কার্পাস চাষ হয়ে থাকে। এই গাছের পাতা, ছাল, তুলা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।আরো পড়ুন
কার্পাস একটি তুলার গাছ। এটি একটি ছোট আকারের উদ্ভিদ। আমাদের দেশে ব্যাপক হারে এর কার্পাস চাষ হয়ে থাকে। এই গাছের পাতা, ছাল, তুলা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।আরো পড়ুন
জিকা, জিগা বা জিওল একটি নরম গাছ। এ গাছ ১০ থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়। এ কান্ড বা মোটা ডাল খুবই হাল্কা এবং গাছের ছালটা বেশ পুরু। পাতা দেড় ফুটের কিছুটা বেশি লম্বা হয়।আরো পড়ুন
আশঁফল বা কাঠলিচু এটি বেশ বড় ধরণের গাছ। গাছটি প্রায় ৩০ থেকে ৪০ ফুট উঁচু হয়। এদের পাতা ২ ইঞ্চি থেকে ১ ফুট পর্যন্ত হয়। আর পাতা চওড়া হয় আধ ইঞ্চি থেকে আড়াই ইঞ্চি পর্যন্ত। বোটা পাতার তুলনায় বেশ ছোট হয়। আরো পড়ুন
চীনাবাদাম (Arachis hypogea) সর্বপ্রথম আমেরিকা মহাদেশে চাষ হত। তথা হতে পৃথিবীর অপরাপর স্থানে এর চাষ প্রবর্তিত হয়। সম্ভবতঃ প্রায় ৭০ বৎসর পূর্বে বাদাম চিনদেশ হতে এই দেশে আসে বলে একে চিনাবাদাম বলা হয়।আরো পড়ুন
কালমেঘের সাধারণ গুণ হলো- এটি তিক্তরস, অগ্নিপীপক, রুচিকর, রেচক, বলকারক, কৃমিনাশক, জ্বরাতিসবার নাশক। ইহা কোষ্ঠ, রক্তদোষ, আমদোষ ও বিষদোষে উপকারী। কালমেঘের ব্যবহার্য অংশ হচ্ছে- সমগ্র গাছ। গাছের প্রায় সব অংশই ব্যবহার করা যায়;আরো পড়ুন
দুপুরমনি বর্ষজীবী বীরুৎ। এর উচ্চতা ১-২ মিটার পর্যন্ত হয়। এই প্রজাতির বাকল মসৃণ, সবুজাভ-বাদামী, সামান্য ছড়ানো তারকাকার লোমযুক্ত। পাতা সরল, একান্তর, দৈর্ঘ্য ৩-১৪ সেমি ও প্রস্থ ০.৫-১.৫ সেমি। পাতা দেখতে রৈখিক-বল্লমাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মা, গোড়া স্থুলাগ্র অথবা কীলকাকার, কিনারা করাত দন্তযুক্ত, আরো পড়ুন
ব্রাহ্মী (বৈজ্ঞানিক নাম: Bacopa monnieri, ইংরেজি: waterhyssop, thyme-leafed gratiola, water hyssop, herb of grace, Indian pennywor) এক ধরণের লতা জাতীয় উদ্ভিদ। ভিজা মাটিতে লতিয়ে লতিয়েই এ লতার বৃদ্ধি ঘটে। লতার প্রত্যেকটি গাঁট থেকে শিকড় বের হয়। কাণ্ড খুবই নরম এবং রসযুক্ত। গায়ে খুব সরু লোম থাকে, পাতা আধা ইঞ্চি বা আরও একটু বড় হতে পারে। কাণ্ডের বিপরীত দিক থেকে যুগপত্র জন্মায়। পাতার বোটা কাণ্ডের সাথে প্রায় লেগে থাকে। পাতার কিনারায় কোনো খাজ থাকে না। সামনের দিকটা গোলাকার এবং বৃন্তদেশ ডিমের মতো। পাতার শিরাগুলো অস্পষ্ট। আরো পড়ুন
সন্ধ্যামালতী, কৃষ্ণকলি বা সন্ধ্যামণি (বৈজ্ঞানিক নাম: Mirabilis jalapa) (ইংরেজি:4 O’clock Plant, Marvel of Peru, Beauty of the Night) হচ্ছে নিকটাগিনাসি পরিবারের মিরাবিলিস গণের একটি সপুষ্পক ঝোপজাতীয় বীরুৎ। সন্ধ্যামালতীর গুণাগুণ-এর মধ্যে পাঁচটির বর্ণনা করা হলও। এটিকে বাংলাদেশে আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয়। এই বীরুৎটি বাড়ির বা বাগানের শোভাবর্ধন করে মুলত বিকেলের শেষ থেকে। … Read more
ঘেঁটু অথবা ভাঁট (Clerodendrum infortunatum) গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ হলেও উচ্চতায় প্রায় চার ফুট পর্যন্ত হয়। শীতের শেষর দিকে গাছে ফুল ফোঁটে এবং গরমকালে ফল ধরে। অযত্নে বেড়ে ওঠা এই গাছে ফুল অনেকের দৃষ্টি আকর্ষন করে। এই গাছের পাতা, মূল ব্যবহার করা হয় পেটের অসুখ, চর্মরোগ ইত্যাদি রোগের ঘরোয়া ভেষজ ওষুধ হিসাবে। আরো পড়ুন
রাধাচূড়া বাহারি গাছ। রূপে উদ্যান, পার্ক, গৃহাঙ্গন, রাস্তার সংযোগ স্থলে। যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রনের জন্য তৈরি দ্বীপ, দুই রাস্তার মধ্যবর্তী ভূখন্ড বীথি, ব্যক্তিগত বাসভবন সংলগ্ন জমি ইত্যাদিতে রোপণ করা হয়। পত্র, পুষ্প ও বীজ ভারতীয় ভেষজ ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। পিষ্ট মূল শিশুদের মাংশ পেশীর আক্ষেপ নিরাময়ে কার্যকরী। ফুল গরম পানিতে ঢেলে সেই পানি থেকে উত্থিত বাষ্প নাকমুখ দ্বারা গ্রহণ করা হলে পুরাতন সর্দি, কাশি, হাঁপানি ও ম্যালেরিয়া জ্বর নিরাময় হয়। আরো পড়ুন