দারুহরিদ্রা এশিয়ার ভেষজ গুণ সম্পন্ন বৃক্ষ

দারুহরিদ্রা

দারুহরিদ্রা গাছ ৩ থেকে ৭ বা ৮ ফুট পর্যন্ত উচু হলেও শাখাগুলি নিম্নভিমূখী, পাতাগুলির কিনারা (ধার) দাঁতযুক্ত, শাখাগ্রে সরু সরু কাঁটা থাকে, কিন্তু এই গাছ সমতলে হয় না। নীলগিরি ও হিমালয়ের বিভিন্নপ্রান্তে সাধারণত ৩ থেকে ১১ হাজার ফুট উচ্চতার মধ্যে জন্মে। আরো পড়ুন

গনিয়ারি গাছের বারোটি ঔষধি গুণাগুণ ও প্রয়োগ

বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, কোনো কোনো প্রদেশে Clerodendrum phlomidis Linn. f. নামীয় গাছটি অরণি নামে চিহ্নিত করেছেন; এটিও Verbenaceae ফ্যামিলিভুত, সেখানেও সমীক্ষার প্রয়োজন। আরো পড়ুন

মেহেদি বা মেহেন্দি পাতার ২০টি ঔষধি গুণাগুণ এবং ভেষজ উপকারিতা

মেহেদি বা মেহেন্দি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Lawsonia inermis এবং এই গাছের পরিবারের নাম লিথ্রাসি (ইংরেজি: Lythraceae)। সর্বজন পরিচিত এই মেহেন্দি গাছটিকে সাধারণত বেড়ার ধারে লাগানো হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার করা হয় এদের ফুল, ফল, পাতা ও মূল। আরো পড়ুন

তেঁতুল গাছের পাতা, ফল, বীজের বারোটি ঔষধি ব্যবহার

তেঁতুল ( বৈজ্ঞানিক নাম: Tamarindus indica, ইংরেজি নাম: Melanesian papeda) হচ্ছে ফিবাসি পরিবারের টামারিন্ডাস গণের একটি ফলদ উদ্ভিদ। টক জাতীয় এই ফলের গাছটির আদি নিবাস আফ্রিকা এবং গোটা দুনিয়ায় চাষ করা হয়। আরো পড়ুন

রক্তচন্দন কাঠের ১৫টি বহুবিধ ব্যবহার ও ঔষধি গুণাগুণ

অকৃত্রিম রক্তচন্দনের গুড়া বা চেলি ১০ থেকে ১২ গ্রাম এক পোয়া আন্দাজ গরম জলে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে সেই জল অল্প মাত্রায় সমস্ত দিন খেলে দাহ ভাল হয়; গুঁড়ার অভাবে রক্তচন্দন ঘষে গরম জলে গুলে নিলেও হবে। আরো পড়ুন

নিম এশিয়া ও আফ্রিকার চিরহরিৎ ঔষধি বৃক্ষ

নিম গাছ ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।  অল্প বয়স্ক বাকল মসৃণ, বয়ষ্ক কান্ডের বাকল বিদীর্ণ এবং স্তরে স্তরে সজ্জিত, পাটল বর্ণ বাদামী বা ধূসর, ভেতরের বাকল কমলা থেকে লাল, চটচটে এবং গন্ধময় রসযুক্ত। আরো পড়ুন

কদম গাছের এগারটি বহুমুখী ঔষধি ব্যবহার ও গুণাগুণ

কদম বা বুল কদম বা বুল কদম্ব হচ্ছে রুবিয়াসি পরিবারের এন্থোসেফালুস গণের একটি মধ্যম বা বৃহৎ-আকৃতির সপুষ্পক বৃক্ষ। কদম গাছের পাতা, ফুল ও বাকলের এগারটি বহুমুখী ঔষধি ব্যবহার ও গুণাগুণ বিভিন্ন গ্রন্থে উল্লেখিত হয়েছে। উল্লেখ্য কদম গাছ (বৈজ্ঞানিক নাম Neolamarckia cadamba) (ইংরেজি নাম burflowertree, laran, Leichhardt pine) প্রায় ৪০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।[১] কদমের আছে অনেক আয়ুর্বেদিক ভেষজ গুনাগুণ যা নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আরো পড়ুন

আশশেওড়া বা মটকিলা গাছ চিরহরিৎ ছোট ঔষধি উদ্ভিদ

আশ-শেওড়া বা মটকিলা বা বনজামির বা দাঁতমাজন (বৈজ্ঞানিক নাম: Glycosmis pentaphylla) হচ্ছে রুটেসি পরিবারের গ্লাইকসমিস গণের ছোট বৃক্ষ। জঙ্গলে অযত্নে এই প্রজাতিটি দেখা যায়।আরো পড়ুন  

কামরাঙা বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক জনপ্রিয় ফল

কামরাঙা

ভূমিকা: কামরাঙা (বৈজ্ঞানিক নাম:Averrhoa carambola) ইংরেজি নাম: Carambola, Star Fruit) অক্সিলাডাসি পরিবারের এভারোয়া গণের একটি সপুষ্পক ফলদ উদ্ভিদ। বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ফল। এদের স্বাদ টক-মিষ্টি। কামরাঙা ও এর ঘনিষ্ঠ বিলিম্বি (বৈজ্ঞানিক নাম: Averrhoa bilimbi) সম্ভবত দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার মালয় উপদ্বীপ হতে ইন্দোনেশিয়ায় উৎপন্ন। এটি চীন, থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ায় অন্যতম জনপ্রিয় ফল। এরা চিরসবুজ, … Read more

অশোক দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঔষধি গুনে ভরা বৃহৎ বৃক্ষ

অশোক বহু শাখাবিশিষ্ট ছায়াতরু। এই গাছ দেখতে মাঝারি আকারের। ৬ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। অশোক চিরসবুজ ও মাথা ছড়ান গাছ। এর কচি ডাল ও পাতা ঝুলন্ত এবং হালকা তামাটে রঙের হয় । এটি যৌগপত্র ও জোড়পক্ষ বিশিষ্ট্য। পাতা ২৫ থেকে ৩০ সেমি লম্বা হয়, পত্রিকা ৩ থেকে ৬ জোড়া থাকে এবং ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি চওড়া হয়। পাতা দেখতে মসৃণ। হলুদ ও কমলা রঙের ১০ থেকে ১৫ সেমি চওড়া হালকা সুগন্ধি ফুলের থোকা গাছের কাণ্ড ও ডাল ফুটে থাকে। এই ফুল বসন্ত থেকে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত ভরে থাকে। বৃতিনল ১ সেমি লম্বা হয়, মুখে থাকে ৪ থেকে ৬টি লতি, প্রথমে কমলা, পরে লাল রং ধারন করে। পাপড়ি নেই। বহির্গত পুংকেশর ৬ থেকে ৮টি। ফল চ্যাপ্টা হয়। ফলের আকার ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি প্রস্থ। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!