রাঙা মরমরিয়া লতা শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ প্রজাতি

পত্র ৬.৫-১৯.০ x ২-৮ সেমি, ডিম্বাকার-বল্লমাকার, দীর্ঘা, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার বা অর্ধকর্তিতা, গোলাকার দপ্তর করাত দপ্তর, ঝিল্লিময়, উপরিভাগ গাঢ় সবুজ, প্রায় ধূসর-সবুজ ছোপযুক্ত, নিম্নভাগ গাঢ় লাল। আরো পড়ুন

মেদমেদিয়া লতা বর্ষা অরণ্য জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

বৃহৎ কাষ্ঠল আরোহী, কুঞ্চিত নরম এবং পাকানো। কান্ডবিশিষ্ট, খন্ডিত আকর্ষী চ্যাপ্টা চাকতিযুক্ত। পত্র সরল, ৪-১৩ x ২-১১ সেমি, ডিম্বাকার-বর্তুলাকার বা তরঙ্গায়িত, হৃৎপিন্ডাকার, দীর্ঘাগ্র, গোলাকার দন্তুর, দন্তুরআরো পড়ুন

ছোট মরমরিয়া লতা বাংলাদেশের পাহাড়ে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

বৃহৎ রোমহীন বীরুৎসদৃশ আরোহী। দেখতে চারকোণাকার কান্ডবিশিষ্ট। কান্ড স্থূল রসালো যা সাদা মরিচাযুক্ত। পত্র সরল, ঝিল্লিময়, ডিম্বাকার, হৃৎপিন্ডাকার, সূক্ষ্মাগ্র থেকে দীর্ঘাগ্র, ৫-১২ x ৩-৭ সেমি, প্রান্ত হালকা গোলাকার করাত দপ্তর,আরো পড়ুন

ধেমনা বা চেমনা বাংলাদেশের বর্ষা অরণ্যে জন্মানো লতা

বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের ১০ম খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) ধেমনা, চেমনা প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, বনের ঝোপ জঙ্গল পরিস্কার এবং পোড়ানোর কারণে বাংলাদেশে এটি সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত।আরো পড়ুন

মৃগী লতা বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

বৃহৎ কাষ্ঠল আরোহী যা কোণাকার লালাভ দাগযুক্ত কান্ড বিশিষ্ট এবং সরল আকর্ষী বহনকারী। পত্র সরল, ৭-২০ x ৪-১৪ সেমি, ঝিল্লিময়, ডিম্বাকার-বর্তুলাকার, হৃৎপিন্ডাকার, হঠাৎ দীর্ঘা, শক্ত করাত দপ্তর, শিরা উপরিভাগে স্পষ্ট,আরো পড়ুন

ভাতিয়া লতা দক্ষিণ এশিয়ার বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ লতা

ভারত, শ্রীলংকা, মায়ানমার, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া এবং নিউগিনি। বাংলাদেশের বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, ঢাকা, ফরিদপুর, রাজশাহী এবং সিলেট জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত।আরো পড়ুন

পাহাড়ি বিষ ঢেকিয়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ সবজি

গ্রন্থিক দীর্ঘ-লতানো। পত্রদন্ড ১৫-৩০ সেমি লম্বা, মসৃণ। পাতা ১৫০ সেমি লম্বা, পত্রক ৩০ জোড়া অথবা অধিক, নিচের ৩-৫ অথবা অধিক জোড়া ক্রমাগত অথবা হঠাৎ হ্রাসকৃত এবং অধিক দূরত্বে অবস্থিত, কর্ণসদৃশ অভিক্ষেপ বিশিষ্ট অথবা নয়, আরো পড়ুন

বড় শিম বাংলাদেশে জন্মানো ফলজ আরোহী প্রজাতি

বড় সিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Canavalia ensiformis) ফেবিয়াসি পরিবারের লতা বিশেষ। বাংলাদেশের উত্তর পুর্বাঞ্চলে জন্মে। নানা প্রকার ভেষজ গুণ আছে এই গাছে।আরো পড়ুন

বড় বেত দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারী লতা

ঝাড়ে জন্মে, আরোহী এবং উন্মুক্ত স্থানে ঘন ঝোপ সৃষ্টি করে। অবলম্বনের মাধ্যমে উঁচুতে আরোহনে সক্ষম, পত্রাবরণ সহ কান্ডের ব্যাস ৩-৪ সেমি এবং পত্রাবরণহীন। কান্ড ১-৫ সেমি। আরো পড়ুন

জালি বেত বাংলাদেশের ঝোপ ঝাড়ে জন্মানো লতা

ঝাড়ে জন্মে, আরোহী, ঝাড়ের নিচ থেকে খর্বধাবকের উৎপত্তি। পত্রাবরণ সহ কান্ডের ব্যাস ১-২ সেমি এবং পত্রাবরণ বিহীন অবস্থায় ০.৫-০.৮ সেমি। পর্বমধ্য চকচকে সবুজ, গাঢ় বাদামী বা সাদা বাদামী রোমের দাগ যুক্ত। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!