মানকচু খাওয়ার নানাবিধি উপকারিতা আছে

মানকচু

বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia macrorrhizos. সমনাম: Panicum frumentaceum। ইংরেজি নাম: Giant Taro, Upright elephant ear, Giant ape, স্থানীয় নাম: মানকচু। Kannada: ಬಾಲರಾಕ್ಷ Baalaraaksha, ಮರಸಣಿಗೆ Marasanige, ಮರಸಣಿ Marasani, ಮುಂಡಿ Mundi, ಕರಿಮಣಸಂಗಿ Karimanasangi, Genasoo Manipuri: ꯍꯣꯡꯉꯨ Hong-ngoo Marathi: kaasaalu, madi-alum Sanskrit: Alooka, Brihachhada, छत्रपत्र Chhatrapatra Tamil: Merukan, Merukan kizhangu Tangkhul: Paankhot Mizo: Sai-dawl
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae. বিভাগ: Angiosperms. অবিন্যাসিত: Monocots. বর্গ: Alismatales. পরিবার: Araceae. গণ: Alocasia প্রজাতির নাম: Alocasia macrorrhizos

ভূমিকা: মানকচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia macrorrhizos) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ বীরুৎ । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়।

বিস্তৃতি:

মানকচু প্রাকৃতিকভাবে শ্রীলঙ্কা, ভারত এবং মালয়েশিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনে দেখা যায় যেখানে এটি বনের নীচে খোলা অংশে এবং স্রোতের ধারে জন্মে। [১]

উপকারিতা:

আয়ুর্বেদ মতে, মানকচু মৃদু বিরেচক অথাৎ ‘অল্প মাত্রায়’ মলকারক (অনেকের মতে মল ধারক অর্থাৎ মল রোধ করে), মূত্র বৃদ্ধি করে, শোথ রোগ সারিয়ে তোলে, শীতবীর্য অর্থাৎ শরীরে ঠাণ্ডা প্রভাব সৃষ্টি করে, লঘু অথাৎ সহজে হজম হয়, পিত্ত ও রক্তের দোষ নাশ করে।

সব রকম কচুর মধ্যে মানকচুরই মান অথাৎ কদর বেশি; খেতেও বেশি ভাল। কচু পাতার মতো মানকচুর পাতাও খাওয়া যেতে পারে। প্রথমে পাতা ভাল ভাবে সেদ্ধ করে জল ফেলে দিয়ে ঘন্ট ইত্যাদি রান্না করতে হবে। মানকচু সেদ্ধ করে চাকা চাকা করে কেটে তেলে ভেজে খেতে খুবই ভাল লাগে।

আয়ুর্বেদ মতে, কচু রক্তপিত্ত (নাক মুখ থেকে রক্ত পড়া) দূর করে, মল রোধ করে, বায়ুর প্রকোপ করে। কচু শীতল, খিদে বাড়ায়, শরীরের বল বৃদ্ধি করে, মায়েদের স্তনের দুধ বাড়িয়ে দেয়, মলের বেগ কমিয়ে দেয়। কচু খেলে প্রস্রাব বেশি হয় কিন্তু সেইসঙ্গে কফ ও বায়ুও বেড়ে যায়। মানকচু-এর গাছের শেকড়ে আছে ধাতু বৃদ্ধির শক্তি। মতান্তরে কচুকে মলভেদক বা মলকারকও বলা হয়। [২]

আরো পড়ুন

তথ্যসূত্র:

১. “Giant Taro”, flowersofindia.net, ইউআরএলঃ http://www.flowersofindia.net/catalog/slides/Giant%20Taro.html

১. সাধনা মুখোপাধ্যায়: সুস্থ থাকতে খাওয়া দাওয়ায় শাকসবজি মশলাপাতি, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, নতুন সংস্করণ ২০০৯-২০১০, পৃষ্ঠা,১০৮-১০৯।

Leave a Comment

error: Content is protected !!