মার্বেল কুনো ব্যাঙ বাংলাদেশের ন্যুনতম বিপদগ্রস্ত এবং এশিয়ার ব্যাঙের প্রজাতি

বাংলাদেশের ব্যাঙের তালিকায় মার্বেল কুনো ব্যাঙ বাংলাদেশের এক প্রজাতির ব্যাঙ। এই প্রজাতির ব্যাঙের দেহ মাঝারি ধরনের বড়; তুন্ডের শীর্ষ থেকে পায়ু পর্যন্ত দেহের দৈর্ঘ্য ৭৫ মিলিমিটার। মাথার দৈর্ঘ্যের চেয়ে প্রস্থ বেশি, মাথার খাঁজ অনুপস্থিত। তুণ্ড ভোঁতা এবং অবতল। আরো পড়ুন

বাংলা গুই বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক সরীসৃপ

বৈজ্ঞানিক নাম: Varanus bengalensis বাংলা নামঃ বাংলা গুই, ইংরেজি নামঃ Bengal Monitor. জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্যঃ Animalia বিভাগঃ Chordata শ্রেণীঃ Reptilia বর্গ: Squamata, Oppel, 1811 পরিবারঃ Varanidae, Gray, 1827 গণঃ Varanus Merrem, 1820 প্রজাতিঃ Varanus bengalensis(Daudin, 1802) পরিচিতি: বাংলাদেশের সরীসৃপের তালিকায় বাংলা গুই এক চমৎকার  প্রাণি। এরা দুর্দান্ত সাহসী, জল-স্থল-বৃক্ষে চলতে সমান পারদর্শী। তুখোড় দৌড়বিদ ও … Read more

মুরার স্যডলব্যাক বানর ব্রাজিলের সংকটাপন্ন স্তন্যপায়ী

মুরার স্যডলব্যাক বানর-এর বর্ণনা: এই প্রজাতির বানর দেখতে খুবই ছোট। এরা লম্বায় ৯.৪ ইঞ্চি, তবে লেজের দৈর্ঘ্য শরীরের চেয়ে বেশি। লেজ প্রায় ১২.৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। এদের ওজন ২১৫ গ্রামের বেশি হয় না। বানরটি গায়ের রঙ বিভিন্ন বর্ণের। এদের দেহ কমলা, সাদা, লাল এবং মুখমণ্ডল কালো ও ধুসর বর্ণের। দূর থেকে এদের পাখি ভাবলে বেশি … Read more

ফুলারের চিকিলা বাংলাদেশের সিসিলিয়ান পর্বের উভচর প্রাণী

বাংলাদেশের উভচর ও সরীসৃপের তালিকায় ফুলারের চিকিলা একটি প্রাণীর প্রজাতি। এই প্রজাতির প্রাণীরা সিসিলিয়ান পর্বের উভচর প্রাণী। সিসিলিয়ান পর্বের উভচর প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এদের পা বা অন্য কোনো প্রত্যঙ্গ নেই। লেজহীন, প্রত্যঙ্গহীন উভচর এ প্রাণী আফ্রিকার আদি উভচর অন্য এক বাসিন্দার দোসর। আরো পড়ুন

ঝিল শিংঘি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সুলভ মাছ

সমগ্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড এবং লাউসে স্থির পানির জলাশয়ে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত, তবে ইষৎ লবণাক্ত পানিতে বিরল। আরো পড়ুন

আফ্রিকান মাগুর বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত এবং বাংলাদেশে আগ্রাসি মাছ

আফ্রিকান মাগুরের দেহ লম্বা, চোঙাকৃতির এবং দীর্ঘ পৃষ্ঠ ও পায়ুপাখনা যুক্ত। বক্ষপাখনায় শক্তিশালী কাঁটা থাকে যার বহিঃস্থ পার্শ্ব করাতের ন্যায় ধারালো (Teugels, 1986)। দেহ ত্বক আইশবিহীন ও পিচ্ছিল, পৃষ্ঠ এবং পার্শ্বদেশ কালো বর্ণের। আরো পড়ুন

দেশি পাঙ্গাশ বাংলাদেশের মহাবিপন্ন প্রজাতি মাছ

মাথাটি মুখের কোণের পিছনে তার দৈর্ঘ্যের সমান বিস্তৃত। তুন্ড প্রায় গোলাকার। চোখ সরু চর্বি গঠিত পাতাযুক্ত এবং আংশিকভাবে মুখের কোণের নিচের স্তরে অবস্থিত। আরো পড়ুন

থাই পাঙ্গাশ বাংলাদেশে আগ্রাসি প্রজাতির মাছ

দেহ চাপা এবং লম্বা। পৃষ্ঠপাখনার পশ্চাতের পৃষ্ঠদেশ প্রায় সোজা। মাথা নরম ত্বক দ্বারা আবৃত। প্রায় প্রান্তীয় মুখ বিদ্যমান। সম্মুখ নাসারন্ধ্র সুস্পষ্টভাবে তুন্ডশীর্ষে অবস্থান করে। পশ্চাৎ নাসারন্ধ্র একটা সরু প্রান্তযুক্ত। আরো পড়ুন

রুই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকার জনপ্রিয় মাছ

রুই মাছের দেহ মধ্যম লম্বা। পৃষ্ঠদেশ অংকীয় দেশের তুলনায় অধিক উত্তল । তুন্ড ভোতা ,মুখের সামনে বর্ধিত এবং পার্শ্ব লোববিহীন । চোখ দুইটি ছোট যা মাথার নিচ থেকে দেখা যায়। তুন্ড ছিদ্রযুক্ত নয় । আরো পড়ুন

কালাগলা মানিকজোড় বিশ্বে প্রায়-বিপদগ্রস্ত এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন পরিযায়ী পাখি

[otw_shortcode_info_box border_type=”bordered” border_color_class=”otw-red-border” border_style=”bordered” shadow=”shadow-inner” rounded_corners=”rounded-10″]দ্বিপদ নাম: Ephippiorhynchus asiaticus সমনাম: Myctaria asiatica Latham, 1790 বাংলা নাম: কালাগলা মানিকজোড়, ইংরেজি নাম/Common name: Black-necked Stork. জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Animalia বিভাগ: Chordata শ্রেণী: Aves পরিবার/Family: Ciconiidae গণ/Genus: Ephippiorhynchus; প্রজাতি/Species: Ephippiorhynchus asiaticus (Latham, 1790)[/otw_shortcode_info_box] ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Ephippiorhynchus এই গণে পৃথিবীতে ২টি প্রজাতির পাখি রয়েছে। বাংলাদেশে রয়েছে তার … Read more

error: Content is protected !!