কাঁকরোল লতা-র বিভিন্ন ঔষধি গুণাগুণ
বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ। পাতা অনেকটা গোলাকার, দুইদিক খসখসে, কিনারা খাঁজকাটা। লতা দেখতে অনেকটা পটোলের লতার মত, লতার গায়ে ৪। ৫টি শির ও গাঁট আকর্ষযুক্ত। গাঁট থেকে নতুন কাণ্ড ও ফুল বের হয়। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ। পাতা অনেকটা গোলাকার, দুইদিক খসখসে, কিনারা খাঁজকাটা। লতা দেখতে অনেকটা পটোলের লতার মত, লতার গায়ে ৪। ৫টি শির ও গাঁট আকর্ষযুক্ত। গাঁট থেকে নতুন কাণ্ড ও ফুল বের হয়। আরো পড়ুন
দেশি পাট বর্ষজীবী সরল উদ্ভিদ। এর সংস্কৃত নাম কলাসকা, বাংলায় প্রচলিত নাম তিতপাতা, নালতে ও হিন্দীতে নারচা নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Corchorus capsularis Linn., ও ফ্যামিলি Tiliaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— পাতা, কাঁচা ফল ও মূল।আরো পড়ুন
এর সংস্কৃত নাম ল্পক্ষ, বাংলায় প্রচলিত নাম পাকুড় ও হিন্দীতে পিপ্লখান নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Ficus lacor Buch.Ham., ও ফ্যামিলি Moraceae. কিন্তু পূর্বে এর নাম ছিল Ficus infectoria Roxb. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- পাতা ও ছাল। আরো পড়ুন
ভূমিকা: লাল পাতা চুকাই বা লাল পাতা মেস্তা বা আফ্রিকান চুকাই (ইংরেজি: African rosemallow) হচ্ছে মালভাসি পরিবারের হিবিস্কাস গণের একটি বর্ষজীবী ঋজু বীরুৎ জাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। লাল পাতা চুকাইয়য়ের বর্ণনা: লাল পাতা চুকাই বা লাল পাতা মেস্তার উচ্চতা প্রায় ৫ মিটার, সর্বাঙ্গ রক্তবেগুনি-লাল। এদের কান্ড মসৃণ। পাতা ২-১০ সেমি লম্বা বৃন্ত যুক্ত, কিছুটা তারকাকার রোমাবৃত, … Read more
আতা গাছের এক এক অংশ এক এক ধরনের রোগে কাজ করে; যেমন শিকড়ের (মূলের) রস ভেদক কিন্তু ফলের শাঁস বীর্যস্তম্ভক, আবার পাতার রস বাহ্য ব্যবহারে বিস্ফারক ও কীটনাশক।আরো পড়ুন
শঙ্করজটা বা পৃশ্নিপর্ণী (Uraria Picta) গাছটি ৩–৪ ফুট লম্বা, এদের পাতা ৫–৬ ইঞ্চি লম্বা, ১ – ১.৫ ইঞ্চি চওড়া, পূষ্পবিন্যাস নলাকৃতি, চতুর্দিকে ঘনসংবদ্ধ, ফুলের রং গোলাপি, বর্ষায় ফোটে । অসামান্য ভেষজ গুণসম্পন্ন বর্ষজীবী গাছ, পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশের দোয়াঁশ মাটিতে জন্মায়।আরো পড়ুন
এর জন্মস্থান সারা ভারত, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইন দীপপুঞ্জ। এর সংস্কৃত নাম । গান্ডারী, শ্রীপর্ণী ও কাশ্মর্য; বাংলা নাম গামার ও তামিলে গমোদি নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Gmelina arborea Linn., ফ্যামিলি Verbenaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— পাতা, ফল ও ছাল।আরো পড়ুন
এর ফলের একটা বৈশিষ্ট্য আছে— ফলগুলোর গঠন অনেকটা পঞ্চমুখী জবার আকার হলেও অপেক্ষাকৃত বড় এবং সকালের দিকে গোলাপী (বেতাভ লাল), বৈকালের দিকে কুঞ্চিত হয়ে রক্তাভ হয়। একে বাংলায় স্থলপদ্ম, স্থলপদ্ম; হিন্দীতে স্থলকমল, শলপড়, গুলিয়াজেব; সংস্কৃতে পদ্মচারিণি, স্থলপদ্ম বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Hibiscus mutabilis Linn., পরিবার Malvaceae ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- ফুল ও পাতা।আরো পড়ুন
ভারতের প্রায় সর্বত্রই অল্পবিস্তর দেখা যায়, তবে স্বাভাবিকভাবে জন্মে হিমালয়ের ৪ হাজার ফুট উচু পর্যন্ত স্থানে, নেপালে, আসামে; এভিন্ন প্রশস্ত রাজপথের ধারেও রোপণ করা হয়। এর সংস্কৃত নাম শিংশপা, বাংলায় বলে শিশু গাছ, হিন্দিতে শিশাই। এর বোটানিক্যাল নাম Dalbergia sissoo Roxb., ফ্যামিলি Papilionaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ-ছাল ও পাতা।আরো পড়ুন
শেয়ালকাঁটা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Argemone mexicana) ঔষধার্থে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা বাহ্য ব্যবহারে (External application)। এই কার্যে ব্যবহার হয় মল, পাতা, বীজ ও বীজের তেল।আরো পড়ুন