দুধকলমি লতার দশটি ভেষজ উপকারিতা ও প্রয়োগ

ভূমি-প্রসারণী লতা, লতার কাণ্ডটি তিনটি শিরাবিশিষ্ট, তবে তার কোন কোন জায়গা গোলও দেখা যায়। এটি পশ্চিম বাংলার সর্বত্র জঙ্গলের ধারে অথবা পোড়া জায়গায় অথবা নদীর ধারে জন্মে। এছাড়া ভারতের সর্বত্র, এমন-কি তিন হাজার ফুট উচু পর্যন্ত স্থানেও এটি অযত্নসম্ভূত হয়েই জন্ম নেয়। লতা কাটলে বা ভাঙ্গলে দুধের মত বর্ণ-বিশিষ্ট চটচটে আঠা বেরোয়।আরো পড়ুন

মঞ্জিটা বা মজাঠি গাছের এগারোটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

বৃক্ষারোহী বা ভূমিপ্রসারী লতা, দীর্ঘদিন বেচে থাকে। এটি ভারতের বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলে ৩। ৪ হাজার ফুট থেকে ১০।১২ হাজার ফুট পর্যন্ত উচুতে হ’তে দেখা যায়। লতাটি বহু শাখা-প্রশাখা যুক্ত। গাঁদাল বা গন্ধভাদলে (Paederia foetida) পাতার মত হলেও পাতার বোঁটার দিকটা ডিম্বাকৃতি, লম্বায়। ৩। ৪ ইঞ্চি। অক্টোবর থেকে জানুয়ারী মাসের মধ্যে ফল ও ফল হয়।আরো পড়ুন

বরুণ গাছ, পাতা, ফুলের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

বরুণ

প্রথমেই বলে রাখি যে, বরুণ গাছের ছাল, পাতা ও ফুলের ব্যবহার অত্যন্ত প্রাচীন, তবে দেখা যায় যে, যত শিশু-ভেষজ আছে তার মধ্যে বরুণের ব্যবহারের উল্লেখ বহু ক্ষেত্রে। তাই এটারও গবেষণার ক্ষেত্র আছে, শুধু তাই নয়, প্রয়োজনও আছে। এটি সামগ্রিকভাবে কাজ করে রসবহস্রোতে।আরো পড়ুন

আশশেওড়া বা মটকিলা গাছের আটটি ভেষজ ব্যবহার

এটি শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট গুল্মজাতীয় ছোট উদ্ভিদ। পাতার আকার দেখতে অনেকটা ছোট কালোজাম (Syzygium cumini) পাতার ন্যায়, তবে অল্প পাতলা, এদের বর্ণ গাঢ় সবুজ এবং ওপরের দিক মসৃণ। কচি কাণ্ডের পত্রবন্ত মূল থেকে গুচ্ছাকারে সাদা রংয়ের ছোট ছোট ফুল হয়, এর ফুলগলি দেখতে অনেকটা বড় কড়াইশটির মত কিন্তু ওপরটা কমলালেবুর মত চ্যাপ্টা।আরো পড়ুন

চালমুগরা গাছের দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

মেহ, প্রমেহ, কুষ্ঠ, রক্তবহ স্রোতে বাত (এ বাত কষ্টকর) প্রভৃতি হয়ে থাকে। তাছাড়া মেদবহু স্রোতেও চালমুগরা ভাল কাজ করে। এছাড়া রসবহ স্রোতে যে কাজ করে না তা নয়, আমাশয়জাত-বিষ্ঠাজাত ক্রিমি প্রভৃতিতেও কাজ করে। চালমুগরার বীজচূর্ণ প্রথমে মিষ্টস্বাদের হলেও পরিণামে তিক্ত স্বাদের হয়।আরো পড়ুন

সুগন্ধি কেয়াকাঁটা-র আটটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

সুগন্ধি কেয়াকাঁটা

সুগন্ধি কেয়াকাঁটা গাছগলি সাধারণতঃ ১০। ১৫ ফুট লম্বা হয়, কাণ্ড থেকে শাখা-প্রশাখা বেরোয়, পাতা লম্বায় ৫। ৭ ফুট হলেও কোথাও কোথাও ১০।১২ ফুট লম্বা হয়; চওড়া ২। ৩ ইঞ্চি হয়। পাতার কিনারা করাতের মত কাটা কাটা, দেখতে অনেকটা আনারস পাতার মত; তবে পাতার মাঝখানের মধ্য শিরাতেও করাতের মত কাঁটা থাকে। আরো পড়ুন

শাল গাছের ১৮ টি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ পদ্ধতি

শাল গাছ সরল ও খুব লম্বা, এতে শাখা-প্রশাখা খুব কম হয়। ছোট গাছের ছাল মসণ; কিন্তু বড় গাছের ছাল ফাটা ফাটা, পরে ১-২ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। পাতা লম্বায় ৬-১০ ইঞ্চি, চওড়ায় ৪-৬ ইঞ্চি, আকারে আয়তাকার এবং পাতার গোড়ার দিকটা ডিম্বাকৃতি, অগ্রভাগ ক্রমশ সরু।আরো পড়ুন

ঢেঁড়স খাওয়ার নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

ক্ষুপজাতীয় বর্ষজীবী গাছ। সাধারণতঃ ২-৩ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। পাতাগুলি দেখতে অনেকটা এরণ্ড গাছের (Ricious Commis) ছোট পাতার মত, কাণ্ড এবং পাতা খসখসে ও এতে সক্ষম সক্ষম রোম আছে। পাতা ৩-৫টি অংশে বিভক্ত। পত্রবৃন্ত (পাতার বোঁটা) ৫/৬ ইঞ্চি লম্বা। ফল হলদে ও মধ্যভাগ বেগুনি রং-এর।আরো পড়ুন

ফলসা গাছের দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

এই গণের প্রায় ৬০টি প্রজাতি উষ্ণ-প্রধান অঞ্চলসমূহে পাওয়া গেলেও তন্মধ্যে ভারতেই অন্ততঃ ৩৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। মধ্যমাকারের ঝোপঝাড় বৃক্ষ, এই প্রজাতিটি ২০/২৫ ফুট পর্যন্তও উচু হতে দেখা যায়। সারা ভারতে এটির চাষ হলেও সমুদ্রতীরবতী অঞ্চলসমূহে এদের বৃদ্ধি বেশী।আরো পড়ুন

শঠি বা শটি কন্দের নানাবিধি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

শঠি বা শটি-র চাষ ভারতের প্রায় সর্বত্র অল্পবিস্তর হয়ে থাকলেও আপনা-আপনিই প্রায় সব প্রদেশেরই যেখানে-সেখানে হয়ে থাকে, এই পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর, ২৪ পরগণা, হুগলী, হাওড়া প্রভৃতি স্থানের কোথাও কোথাও ব্যাপক চাষ যে হয় না তা নয়। বাংলাদেশে শঠীর পালো তৈরী কুটির শিল্পের মতই ছিল।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!