কুলালিয়া এশিয়ায় জন্মানো উপকারী বিরুৎ

কুলালিয়া ছোট আকৃতির বীরুৎ। এদের কাণ্ড সিজপিটোজ (caespitose), অত্যন্ত সরু, অনুসঙ্গী, ১৫-২৫ সেমি লম্বা, প্রচুর শাখান্বিত, সূক্ষ্ম ছড়ানো রোম দ্বারা আচ্ছাদিত। পত্রক বিডিম্বাকার, ১-৪ সেমি লম্বা, কর্তিতায় বা খাতায়, নিচের দিকে অল্প রোমযুক্ত, উপপত্র বল্লমাকার, স্থায়ী, পত্রবৃন্ত ২-৫ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন

উলুচা বাংলাদেশের পাহাড়ীঞ্চলে জন্মানো গুল্ম

উলুচা গুল্ম জাতীয়। এদের শাখা ত্রিকোণাকার এবং শীঘ্রই প্রায় মসৃণে পরিণত হয়। পত্রক ডিম্বাকার বা বল্লমাকার, সূক্ষ্মাগ্র, দৃঢ়ভাবে প্রায় চর্মবৎ, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ, নিম্নপৃষ্ঠের শিরার উপর রোমযুক্ত, পত্রবৃন্ত ২-৫ সেমি লম্বা, প্রতিপার্শ্বে পক্ষযুক্ত। রেসিম লম্বা, অক্ষীয় ও প্রান্তীয়, পুষ্পবৃত্তিকা উর্ধ্বারোহী।

কিউসালপানি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকারী গুল্ম

কিউসালপানি একপ্রকার গুল্ম। এটি প্রায় ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের কাণ্ড গোলাকার গোড়ায় কাষ্ঠল, সরু, সূক্ষ্মভাবে পালকাবৃত। পত্র সরল, এক-ফলক বিশিষ্ট, উপপত্রিক, উপপত্র ৮-১২ × ২.০-২.৫ মিমি, সরুভাবে ত্রিকোণাকার-আয়তাকার, ঘনভাবে বিস্তৃত চাপা রোমশ, পত্রক ৭.৫-১২.৫ × ১.৫-৪.৫ সেমি, আয়তাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মাগ্র, গোড়ার দিক স্থূলাগ্র অথবা গোলাকার, অর্ধ-চর্মবৎ, সবুজ, উপরিভাগ মসৃণ, নিচের দিক ঘন, আরো পড়ুন

বনচণ্ডাল বা তুরুত চন্দাল এশিয়ায় জন্মানো গুল্ম

এটি ছোট আকৃতির গুল্ম। উচ্চতায় ৬০ থেকে ১২০ সেমি লম্বা, শাখা প্রায় গোলাকার ও মসৃণ। পত্র ১-৩ ফলক, পত্রক আয়তাকার- বল্লমাকার, ৭-১০ সেমি লম্বা, অর্ধ-চর্মবৎ, স্থূলাগ্র, উপরিভাগ মসৃণ, নিম্নভাগ রেশমি-রোমশ, পত্রবৃন্ত ১-২ মেসি লম্বা। রেসিম অক্ষীয় এবং প্রান্তীয়, শেষেরটি ঘনভাবে প্যানিকেলে সন্নিবেশিত, ১৫ সেমি পর্যন্ত লম্বা।আরো পড়ুন

আলগা মুথা বহুবর্ষজীবী ভেষজ তৃণ

বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, মোটামুটি গুচ্ছবদ্ধ, গ্রন্থিকন্দ গুঁড়িকন্দবৎ, গাঢ় বাদামী বর্ণের শঙ্কে আবৃত, মূল দৃঢ়, তৃণকান্ড গুচ্ছাকার, ৩০-৮০ সেমি × ২-৫ মিমি, ত্রিকোণাকৃতি, মসৃণ। পত্রফলক রৈখিক, ৮-৮৫ সেমি x ৩-২০ মিমি সম্পুর্ণ সূক্ষ্মাগ্র, মূলীয় অংশ খাঁজ যুক্ত, অপর অংশ চ্যাপটা, ৩ শিরাল, প্রান্ত ও শিরার উপরের অংশ অমসৃণ, নিচের অংশ হালকা সবুজ, উপর তৃণ-সবুজ, পত্রাবরণ ৪-১০ সেমি, ফিকে সবুজ থেকে মরিচা বা লালাভ-বাদামী, আরো পড়ুন

cynoglossum hellwigii উপকারী প্রজাতি

এই প্রজাতিটি ভেষজ উদ্ভিদ। এর পাতা উপবৃত্তাকার আয়তাকার, আয়তাকার, উপবৃত্তাকার, আয়তাকার- ভল্লাকার বা ভল্লাকার; নিচের পাতা বৃন্ত থেকে ৪ থেকে ৭ সেমি লম্বা হয়; ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠে যায় এবং সরু হতে থাকে; ফলকের দৈর্ঘ ১২-১৫ ও প্রস্থ ৩.৫-৫ সেমি। নিচের পাতা বৃন্ত থেকে সরু হতে থাকে। মাঝখানের পাতা ৭-১০ ও ১-৩ সেমি।আরো পড়ুন

কেতুরী হলদি দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ায় জন্মানো কন্দ প্রজাতি

কেতুরী হলদি হল একটি আকর্ষণীয় আদা, যার মধ্যে শক্ত ভূগর্ভস্থ রাইজোম রয়েছে, এবং এটি শীতকালে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। বসন্তের শুরুতে পাতার আগায় ফুল আসে। এর রঙ্গিন বৃতিগুলো প্রজাতিটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে। এর বৃতিগুলোর আকৃতি ও রং খুব পরিবর্তনশীল। প্রায় তিন সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে গাছে ফুল ফুটে থাকে। আরো পড়ুন

জিরা জনপ্রিয় মসলা ও বিরুৎ জাতীয় প্রজাতি

ভূমিকা: জিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Cuminum cyminum) হচ্ছে Apiaceae পরিবারের কিউমিনাম গণের একটি সপুষ্পক বিরুৎ। এটিকে চাষ করা হয় এবং দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মে। জিরা-এর বিবরণ: জিরা হলো  বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এরা প্রায় ৩০ থেকে ৫০ সেমি বা ১২–২০ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। জিরা গাছ একবর্ষজীবী বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এদের কাণ্ড সরু, রোমহীন ও শাখান্বিত এবং ২০–৩০ সেমি বা ৮–১২ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা ও ৩–৫ সে.মি. ব্যাসবিশিষ্ট হয়ে … Read more

মমপাট পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

এই গাছটি গুল্ম আকারের। এটি ৫১ মিটার লম্বা হয় এবং ৮০ সেমি ব্যাস। প্রজাতিটি পর্ণমোচী থেকে অধস্তন ও চকচকে। গাছের বাকল ফেটে যায় বা খোসা ছাড়ানো যায় এবং গাঢ় বাদামী রং। পাতা পেঁচানো, ১৫ মিমি পর্যন্ত হয়। দৈর্ঘ্য ৪-১৮ থেকে ২-৭ সেমি পর্যন্ত, উপবৃত্তাকার থেকে ডিম্বাকৃতি-আয়তাকার, শীর্ষে বৃত্তাকার থেকে ক্যাস্পিউডেট। আরো পড়ুন

ছাতিদণ্ডী উপকারী ভেষজ গুল্ম

বৃহৎ প্যাচানো গুল্ম। কাণ্ড ও শাখা সরু, পাতলাভাবে রোমশ। পত্র সংকীর্ণভাবে দীর্ঘায়িত, বল্লমাকার, দীর্ঘাগ্র, পত্রফলক ৭-৯ x ০.৮-১০ সেমি, উপরিভাগ রোমশ, মধ্যশিরা ও প্রান্ত ব্যতীত অঙ্কীয় পৃষ্ঠ মসৃণ। পুষ্পবিন্যাস স্বল্প-পুষ্পী সাইম, পাতলাভাবে রোমশ, পুষ্পদন্ড ২-৩ সেমি লম্বা, পুষ্পবৃত্তিকা ০.৮-১.২ সেমি লম্বা। বৃতি খন্ড ৫-৭ মিমি লম্বা, রৈখিক-বল্লমাকার, সূক্ষ্মাগ্র, কচি অবস্থায় মসৃণ বা পাতলাভাবে রোমশ।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!