ইসবগুল-এর ছয়টি উপকারিতা

এটি সাময়িকভাবে যেমন আসতে পারে, তেমনি দীর্ঘদিন ধ’রে থাকতে পারে। পুরাতন কোষ্ঠবদ্ধতায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা অন্যান্য অনেক প্রকার রোগের কবলে পড়ে যান। যেমন অর্শ, দীর্ঘস্থায়ী পেটের গোলমাল প্রভৃতি। সাধারণতঃ নানা প্রকার জ্বর ও অন্যান্য কিছু কিছু রোগে ভোগার সময় কিংবা দীর্ঘ সময় যানবাহনে যাত্রা করার ফলে,

মিষ্টি কুমড়া-এর ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ভারতীয় মনীষীগণ মিঠে কুমড়োকে নিয়ে কম নাড়াচাড়া করেননি। গবেষণা করেছেন অনেক। কুমড়ো ও কুমড়োর বীজ নিয়ে তাঁদের সমীক্ষাটা এখানে জানাই। মিঠে কুমড়ো স্বাদে মধুর, স্বভাবে শীতল, রুচিকর, তৃপ্তিপ্রদ, গুরু, কফকর, কোষ্ঠপরিষ্কারক, শ্রম ও ভ্রমনাশক; তাছাড়া এটি ক্ষয়, দাহ, তৃষ্ণা, মূত্ররোধ, রক্তবিকার প্রভৃতি প্রশমিত করে। কাঁচা কুমড়ো (মাঝারি বয়সের) স্বাদে কম মধুর হলেও অধিক রুচিকর, বলকারক এবং বীর্যবর্ধক। আরো পড়ুন

অ্যাঞ্জেলিকা গণের নানা প্রজাতির বিবরণ ও গুণাগুণ

Angelica archangelica Linn. Var. himalaica (C.B. Clarke) Krishna & Badhwar. এই প্রজাতিটি কাশ্মীর থেকে সিকিম পর্যন্ত হিমালয়ের বিভিন্ন স্থানে ৩ থেকে ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় সাধারণত জলের নালা বা স্রোতের সংলগ্ন স্থানে জন্মে। গাছের কাণ্ড সোজা, সাধারণত ৫ থেকে ১০ ফুট লম্বা। গাছ ও মূল সুগন্ধযুক্ত। পাতা আয়তাকার, লম্বায় ১ ফুট, ২-৩টি পাখির পালকের ন্যায় আকার বিশিষ্ট। ফুল সাদা, গুচ্ছকারে হয়। বীজও সুগন্ধযুক্ত।আরো পড়ুন

জোড়া নারকেল-এর নানাবিধ গুণাগুণ

জোড়া নারকেল-এর ছোবড়াযুক্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন জলে ভাসতে ভাসতে যখন তীরে আসে, তখন হয়তো কয়েক মাস বা বৎসর পেরিয়ে যায়। কিন্তু বীজ নষ্ট হয় না। মাটিতে পুঁতলে তা থেকে নতুন গাছের সৃষ্টি হবে, তবে অঙ্কুরোদগম হতে প্রায় বছর তিনেক সময় লেগে যায়। ৩০ বছরের চেয়ে কম বয়স্ক গাছে ফুল আসে না। গাছ বহু বৎসর বেঁচে থাকে।আরও পড়ুন

ছোট কন্টকারি ভেষজ গুল্ম

ছোট কন্টকারি লতানে গুল্ম জাতীয় গাছ। কাণ্ড কখনো কখনো ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে দেখা যায়। অযত্নসম্ভূত, রাস্তার ধারে, পতিত জমিতে, জঙ্গলের আশেপাশে ভারতের সর্বত্র কম বেশি জন্মে। কাণ্ড থেকে যেসব শাখা-প্রশাখা বেরোয়, সেগুলোও লম্বা হয়ে থাকে। সমগ্র গাছ হুকের মত কাঁটাযুক্ত থাকে। পাতা ডিম্বাকৃতি গোল, অগ্রভাগ ভোঁতা, কিনারা অসম। পাতার মধ্য শিরায় কাঁটা থাকে, কোনো কোনো পাতায় আবার থাকে না। আরো পড়ুন

কফি-এর চারটি প্রজাতির প্রজাতির পরিচয়

দক্ষিণ ভারতে কফির চাষ ভালো হয়। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে coffea arabica এই প্রজাতিটির চাষ হলেও অন্য বেশ কয়েকটি প্রজাতি থেকেও কফি তৈরি হয়ে থাকে বা হতে পারে। সেগুলি সম্বন্ধেও সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই প্রবন্ধে দেওয়া চেষ্টা করছি। কফির ৫০-৬০টি প্রজাতি আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পাওয়া। তন্মধ্যে Coffea arabica-র চাষ ব্যাপকভাবে এবং C. liberica, C. robusta এবং C. stenophylla অঞ্চলবিশেষে সামান্য পরিমাণে চাষ হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

হৃৎফলা উপকারী চির হরিৎ বৃক্ষ

চির হরিৎ বৃক্ষ, সাধারণত ২০-৩০ ফুট উঁচু হতে দেখা যায় । উত্তর-পশ্চিম হিমালয়ের সিন্দুনদীর অববাহিকা অঞ্চলে, কোয়েটা থেকে রভি অববাহিকা পর্যন্ত স্থানে ৬-৯ হাজার ফুট উচ্চতায় জন্মে । আফগানিস্থানে এটি একটি প্রিয় গাছ। সেখানে বিভিন্ন স্তূপের কাছে এটিকে লাগানো হয়ে থাকে। তাছাড়া গাছটির সুন্দর পাতা, ফুল এবং খাওয়ার উপযুক্ত জন্য এটিকে চাষ করা হয়। ইউরোপে উৎপন্ন বন সাংলী অপেক্ষা চিনাব উপত্যাকায় উৎপন্ন বনসাংলী অধিক সুস্বাদু।আরো পড়ুন

সয়াবিন বীজের দুধ বা দই খাওয়ার উপকারিতা

সয়াবিনের (বোটানিক্যাল নাম Glycine max (L.)) বীজ থেকে নানা প্রকার খাদ্য দ্রব্য প্রস্তুত করা হয়। সয়াবীনের দুধ এবং তা থেকে দই, ছানা প্রস্তুত এখন সর্বজনবিদিত। এছাড়া এটির সাহায্যে রুটি, কেক, বিস্কুট, ওমলেট, পোলাও, পায়েস, নানা প্রকার মিষ্টান্ন দ্রব্য প্রভৃতি সুস্বাদু খাদ্য প্রস্তুত হয়।

সয়াবিন উপকারী বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ

সয়াবিন বর্ষজীবী অর্ধলতানে উদ্ভিদ। কখনো কখনো কাণ্ড খাড়া। সমগ্র উদ্ভিদটি রোমশ। তিনটি উপপত্র নিয়ে একটি পাতা। সাদা অথবা হালকা লালচে রঙের ছোট ছোট ফুল হয়। এদের ফল দেড় থেকে ২ ইঞ্চি লম্বা, ফলে ৩-৪টি বীজ থাকে। বীজ লম্বাটে, সামান্য চ্যাপ্টা, হলদে, খয়েরী অথবা কালো রঙের। আরো পড়ুন

সুরিঞ্জান-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

কলচিসিন অল্প মাত্রায় পরিবর্তক, বায়ুনাশক, বিরেচক, পিত্তনিঃসারক, বেদনানাশক, স্বেদজনক, অবসাদক, মূত্রকারক ও কামোদ্দীপক। তাছাড়া বাতের ব্যথায় (প্রথমাবস্থায়) প্লীহা ও যকৃতের, নানাবিধ রোগে ব্যবহার্য। কন্দ বেটে লাগালে ব্যথা ও ফোলা কমে যায়। বর্তমানে গাছের প্রজনন বৃদ্ধির কাজে কলচিসিন প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। কন্দ মস্তিষ্কের স্নিগ্ধতাকারক এবং পুরাতন অর্শে লাগালে ব্যথা ও ঘা দুই-ই কমে।

error: Content is protected !!