ফলসা গাছের দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

এই গণের প্রায় ৬০টি প্রজাতি উষ্ণ-প্রধান অঞ্চলসমূহে পাওয়া গেলেও তন্মধ্যে ভারতেই অন্ততঃ ৩৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। মধ্যমাকারের ঝোপঝাড় বৃক্ষ, এই প্রজাতিটি ২০/২৫ ফুট পর্যন্তও উচু হতে দেখা যায়। সারা ভারতে এটির চাষ হলেও সমুদ্রতীরবতী অঞ্চলসমূহে এদের বৃদ্ধি বেশী।আরো পড়ুন

শঠি বা শটি কন্দের নানাবিধি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

শঠি বা শটি-র চাষ ভারতের প্রায় সর্বত্র অল্পবিস্তর হয়ে থাকলেও আপনা-আপনিই প্রায় সব প্রদেশেরই যেখানে-সেখানে হয়ে থাকে, এই পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর, ২৪ পরগণা, হুগলী, হাওড়া প্রভৃতি স্থানের কোথাও কোথাও ব্যাপক চাষ যে হয় না তা নয়। বাংলাদেশে শঠীর পালো তৈরী কুটির শিল্পের মতই ছিল।আরো পড়ুন

ঝিঙ্গা বা ঝিংগা-র লতা, মূল, ফলের নানা ভেষজ গুণ

ফলের রস স্বাদে মধুর, শীতগুণ সম্পন্ন, পিত্ত প্রশমক, ক্রিমিনাশক, ক্ষধাবর্ধক ও বেদনানাশক। ঔষধ হিসাবে পাতা ব্যবহৃত হয় যা ক্ষুধাবর্ধক, পিত্ত প্রশমক, মূত্রকারক, প্লীহারোগে, রক্তস্রাবে ও কুষ্ঠ রোগে হিতকর। পাতার রস শিশুদের চোখে দিলে চোখের যন্ত্রণার উপশম হয়। ফল ক্রিমির উপদ্রবে হিতকর। পিত্তপ্রশমক, হাঁপানি ও কাসিতে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

বিভিন্ন নটে শাক-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রযোগ

বিভিন্ন নটে শাক ( Amaranthus) হচ্ছে উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের উদ্ভিদ। এর পাতা, মূলে নানা ভেষজ গুণ আছে। এছাড়াও শাক হিসাবে খাওয়া হয়।আরো পড়ুন

দামেস্ক গোলাপ-এর গুণাগুণ, উপকারিতা ও প্রয়োগ

দামেস্ক গোলাপ

রসে তিক্ত, ধারক, বলকারক, হদযন্ত্রের হিতকর, মদবিরেচক, পিত্তপ্রশমক ও মেদোজনক। ঔষধ হিসাবে প্রয়োগ করা হয় ফল। মাথার যন্ত্রণায়, চক্ষুরোগে ও অতিরিক্ত ঘম নিঃসরণে হিতকর। কচি মুকুল ধারক ঔষধ হিসেবে ও শিরঃপীড়ায় বহুল ব্যবহত হয়। অনেকের মতে এটা দেহের অতিরিক্ত সন্তাপ দূরীকরণে সহায়ক। ব্যবহার্য অংশ ফল।আরো পড়ুন

কুকুরমুতা বা তাম্রচূড়া-এর গুণাগুণ ও উপকারিতার বর্ণনা

ইহা স্বাদে তিক্ত, ক্রিমিনাশক ও জ্বরনাশক। মল উষ্ণ, ঝাঁঝালো ও তিক্তরসান্বিত, বেদনানাশক, রক্তদষ্টিতে ও শ্বাসজনিতরোগে হিতকর ও মূত্রকারক। ঔষধাৰ্থ প্রয়োগ হয় পাতার রস মরিচ সহযোগে রক্তার্শে খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়, তাছাড়া এর রস রক্তরোধক হিসেবেও কাজ করে। মরিচসহ মূল সেবনে কলেরা রোগের নিবৃত্তি হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

তরমুজ ও বীজের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

ফলের রস মধুর, শীতগুণসম্পন্ন, শক্তিদায়ক, মেদোকারক, কামোদ্দীপক, পিত্ত বৃদ্ধিকারক ও গুরুপাক। ঔষধার্থ প্রয়োগ হয় আয়ুর্বেদমতে পাতা তিক্তরস ও রক্তবর্ধক। কাঁচা ফল পাড়ুরোগে হিতকর। পাকা অবস্থায় এর রস স্বাদ, কফ-বাত প্রশমক, শেষ্মানিঃসারক, মূত্রকারক, ক্ষুধাবর্ধক, তৃষ্ণানিবারক ও রক্তের পক্ষে হিতকর।আরো পড়ুন

চিচিঙ্গা লতার ছয়টি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

এটি রসবহস্রোতে কাজ করে। ইহা শীতল, ক্রিমিনাশক, বিরেচক ও বলকারক। এর ফল বিরেচনে ও ক্রিমির উপদ্রব নিবারণে হিতকর। ফিলিপাইনে এটিকে বমনকারক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া এটি বলকারক, তৃষ্ণা ও পিত্তের প্রশমক। কেউ কেউ এর বীজ ও মূল উদরাময়েও প্রয়োগ করে থাকেন। আরো পড়ুন

শন বা বন শন এর আটটি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

পাতা স্বাদে তিক্ত-মধুর, উষ্ণবীর্য, বমনকারক ও কফ-বাত প্রশমক। বীজ শীতগুণসম্পন্ন, ধারক ও গরুরপাক। ঔষধাথে প্রয়োগ করা হওয় পাতা বেদনানাশক; বিরেচক ও গর্ভপাতকারী।আরো পড়ুন

বনঢুলি বা দুপুরমনি ফুল ও মূলের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

দুপুরমনি

উষ্ণ, গরপাক, ত্রিদোষের প্রশমক, জ্বরনাশক ও পিচ্ছিল। ফল গুরুপাক ও কোষ্ঠবদ্ধতাকারক। চরকের মতে এটা সাপের বিষে হিতকর। সাঁওতালরা এর মূল অনেকক্ষেত্রে ঔষধার্থ ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার্য অংশ হচ্ছে ফুল ও মূল।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!