উমুল কুচি বাংলাদেশের পার্বত্যাঞ্চলে জন্মানো আরোহী গুল্ম
বৃহৎ, বিশৃঙ্খলভাবে বেড়ে ওঠা আরোহী গুল্ম, বাকল গাঢ় বাদামী বা লাল, গাত্র কন্টক পশ্চাদমুখী বক্র, শাখা প্রশাখা রোমশ বিহীন বা পালকাবৃত। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
বৃহৎ, বিশৃঙ্খলভাবে বেড়ে ওঠা আরোহী গুল্ম, বাকল গাঢ় বাদামী বা লাল, গাত্র কন্টক পশ্চাদমুখী বক্র, শাখা প্রশাখা রোমশ বিহীন বা পালকাবৃত। আরো পড়ুন
কাষ্ঠল আরোহী বা ছোট বৃক্ষ, পশ্চাদমূখী বক্র। গাত্রকন্ট যুক্ত। পত্র যৌগিক, অনুপপত্রী, পত্রক অক্ষ ১২-৩০ সেমি লম্বা, পক্ষ ২-৫ জোড়া, ৭-১৫ সেমি লম্বা, দূরস্থ, পত্রক ৪-৫ জোড়া, ৪.৫-১০.০ x১.৫-৬.০ সেমি, আরো পড়ুন
বৃহৎ কাষ্ঠল লতানো অথবা আরোহী গুল্ম, ছোট শাখা খাঁজবিশিষ্ট, বিস্তৃত লোমসহ কন্টকরোমী অথবা খুব কম তারকাকারভাবে লোমযুক্ত। পত্র সরল, ১০-১৮ x ৬১৫ সেমি, অর্ধমন্ডলাকার, করতলাকারভাবে খন্ডিত, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার, উভয় পৃষ্ঠ তারকাকার কোমল দীর্ঘ রোমযুক্ত,আরো পড়ুন
বৃহৎ শাখান্বিত, বীরুৎ সদৃশ আরোহী, সরল, সরু, পত্র-প্রতিমুখ আকর্ষীযুক্ত। কান্ড রসালো, চারকোণাকার, ৪ পর্বযুক্ত, পর্বে সংকুচিত, দ্ব্যগ্র শাখান্বিত। আরো পড়ুন
নীমদা বা বাবহোতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Buddleja asiatica, ইংরেজি: Asian Butterfly Bush, White Butterfly Bush) এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশে জন্মে।আরো পড়ুন
গাঁদা (Tagetes erecta) গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এটি ১.০ সে.মি. পর্যন্ত উঁচু হয়। পাতা বহু খণ্ডে বিভক্ত, পত্রকের ধার করাতের মতো খাঁজকাটা। গাছে ও পাতায় সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম রোম ও একটি ঝাজানো গন্ধ আছে। আরো পড়ুন
সুপারি গাছ (Areca catechu) বেশ শক্ত, সরু ও লম্বা; নারিকেল গাছের মতো শাখা-প্রশাখাহীন গাছি। তবে বাঁশের মতো মোটা হয়। লম্বায় সচরাচর ৮ বা ১০ মিটার হলেও অনেক ক্ষেত্রে ১৫ মিটার পর্যন্ত হতে দেখা যায়। আরো পড়ুন
কতবেল-এর ফল, পাতা, ছাল ও শাস ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফল মধুর অল্প রসযুক্ত। কদবেল বা কৎ বেল (Limonia acidissima) গাছ ১২-১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। এটি বেশ শক্ত ধরনের পত্রঝরা বৃক্ষ। পাতা দেখতে অনেকটা কামিনী ফুলের পাতার মতো। পত্রদণ্ডের দুইদিকে ৫/৭টি করে পাতা থাকে। আরো পড়ুন
উঁচু বৃক্ষ, শাখাপ্রশাখা ছড়ানো। পত্র ১০-৩০ x ৭২০ সেমি, ডিম্বাকার, সূক্ষ্মাগ্র, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার, রোমহীন, নিম্নভাগ সাদা, কখনো ছত্রবদ্ধ, পত্রবৃন্ত ৭.৫১০.০ সেমি বা অধিক লম্বা, শীর্ষ স্থূল।আরো পড়ুন
বৃহৎ কাষ্ঠল আরোহী, বাকল সাদা, ক্ষুদ্র শাখা ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, বায়ুর উপবৃত্তাকার। পত্র বৃহৎ, ৫-১২ x ২-৭ সেমি, উপবৃত্তাকার দীর্ঘায়ত বা বিডিম্বাকার, স্থূলগ্র বা গোলাকার, উপরের পৃষ্ঠ রোমশ বিহীন,আরো পড়ুন