ইতিহাস
ইতিহাস হচ্ছে কোনো বস্তুর বিকাশের খোদ চেতনানিরপেক্ষ প্রক্রিয়া যা বাস্তবে স্থান ও কালে সংঘটিত হয়। এক কথায় ইতিহাস হচ্ছে লিখিত দালিলিক নথিতে অতীতের বর্ণনা এবং উক্ত বর্ণনার অধ্যয়নের প্রক্রিয়া। ইতিহাস তুলে ধরে দেশ, জাতি বা প্রকৃতির বিভিন্ন যুগের সামাজিক রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক জীবনের সত্যনিষ্ঠ ধারাবাহিক বর্ণনা।
শাসন ও ধর্মীয় সংস্কারের ক্ষেত্রে মোগল আমলে নানা পদক্ষেপ
১৫৬৯ খ্রীস্টাব্দে আকবর নির্দেশ দেন আগ্রা থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে বাবর যেখানে রাণা সঙ্গকে যুদ্ধে পরাস্ত করেছিলেন সেই সিক্রিতে নতুন একটি শহর-নির্মাণের। ‘পাতশাহের’ হুকুম অনুযায়ী আকবরের দরবারের আমির ওমরাহরা আগে যেখানে ধু-ধু মাঠ ছিল সেই বিশাল প্রান্তরে বহুবিধ প্রাসাদ ও প্রমোদ-উদ্যান নির্মাণ করালেন। আরো পড়ুন
আকবরের শাসনামলে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা
আকবরের শাসনামলে প্রধান প্রশাসনিক বিভাগ ছিল রাজস্ব-সম্পর্কিত বিভাগ। এ-বিভাগের প্রধান ছিলেন ‘দিওয়ান’। রাজস্ব-আদায়কারী কর্মচারিরা বেশির ভাগই হিন্দু ছিলেন। আরো পড়ুন
আকবরের রাজত্বকাল ও রাজ্যবিস্তারের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সময়
আকবরের রাজত্বকাল হচ্ছে ভারতের মুঘল যুগের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। শের শাহ মৃত্যুর ফলে পুনরায় একবার দিল্লীর সিংহাসন নিয়ে আফগান সামন্ত-ভূস্বামীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। শেষপর্যন্ত ক্ষমতা দখল করেন শের শাহের কনিষ্ঠ পুত্র। তিনি রাজত্ব করেন ১৫৫৪ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। এর মত্যুর পরে আবার প্রচণ্ড সংঘর্ষ বাধে, আর তা বাধে সিংহাসনের চারজন দাবিদারের মধ্যে। আরো পড়ুন
মোগল সাম্রাজ্য দক্ষিণ এশিয়ার সামন্তবাদী জনবিরোধী প্রাচীন সাম্রাজ্য
মুঘল সাম্রাজ্য বা মোগল সাম্রাজ্য (ইংরেজি: Mughal Empire) ছিলো দক্ষিণ এশিয়ার সামন্তবাদনির্ভর এক জনবিরোধী প্রাচীন সাম্রাজ্য। দিল্লীতে সুলতানশাহীর অস্তিত্ব, মুসলিম সামন্ত-ভূস্বামীদের এক শাসক সম্প্রদায়ের উদ্ভব, হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের দীর্ঘকালীন সহ-অবস্থিতি আরো পড়ুন
উপনিবেশবাদের ফলাফল হচ্ছে বিশ্ব সমাজের পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী রূপ
উপনিবেশবাদের ফলাফল থেকে বের হয়ে আসে বিশ্ব সমাজের পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী রূপ। আজকের দিনে বসে দুনিয়াকে বুঝতে হলে উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাসকে ভালো করে বোঝা দরকার। পঞ্চদশ শতকের শেষ ভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত ছিল উপনিবেশবাদের স্বর্ণযুগ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এসে অধিকাংশ উপনিবেশগুলোতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় এবং আরো পড়ুন
৪ঠা মে’র আন্দোলন
বিশ বছর আগে সংঘটিত ৪ঠা মে’র আন্দোলন সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্ততন্ত্রের বিরুদ্ধে চীনের বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের একটি নতুন স্তর চিহ্নিত করে দিয়েছে। ৪ঠা মে’র আন্দোলন থেকে সাংস্কৃতিক সংস্কারের আন্দোলন জন্ম নিয়েছিল, যেটা ছিল এই বিপ্লবেরই অন্যতম অভিব্যক্তি। আরো পড়ুন
কার্ল মার্কস ও নিউ রাইনিশ গেজেট
আমরা যাকে জার্মান কমিউনিস্ট পার্টি বলতাম, ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের আরম্ভে তা ছিলো শুধু একটি স্বল্পসংখ্যকের কোষকেন্দ্র, ছিল গোপন প্রচারমূলক সমিতি হিসাবে সংগঠিত কমিউনিস্ট লীগ। সেই সময়ে জার্মানিতে সংঘ ও সভা সমিতির কোনো অধিকার ছিলো না বলেই লীগকে গুপ্ত সংগঠন হতে হয়েছিলো। বিদেশের বিভিন্ন শ্রমিক সংস্থা থেকে লীগ তার সদস্য সংগ্রহ করতো। আরো পড়ুন
ইয়োসেফ ব্লক সমীপে এঙ্গেলস
… ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারণা অনুসারে বাস্তব জীবনের উৎপাদন ও পুনরুৎপাদনই হচ্ছে ইতিহাসে শেষ পর্যন্ত নির্ধারক বস্তু। এর বেশি কিছু মার্কস বা আমি কখনো বলিনি। অতএব, কেউ যদি তাকে বিকৃত করে এই দাঁড় করায় যে, অর্থনৈতিক ব্যাপারই হচ্ছে একমাত্র নির্ধারক বস্তু, তাহলে সে প্রতিপাদ্যটিকে একটি অর্থহীন, অমূর্ত, নির্বোধ উক্তিতে পরিণত করে। আরো পড়ুন
কমিউনিস্ট লীগ-এর ইতিহাস
‘কমিউনিস্ট লীগ’ (ইংরেজি: Communist League) হচ্ছে প্রলেতারিয়েতের প্রথম আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট সংগঠন। এটি প্রতিষ্ঠার আগে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রী ও অগ্রণী শ্রমিকদের মতাদর্শ ও সংগঠনের দিক থেকে জমায়েত করার জন্য মার্কস ও এঙ্গেলসকে প্রচুর খাটতে হয়েছিল। এই লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা ১৮৪৬ খ্রীস্টাব্দেই ব্রাসেলসে কমিউনিস্ট করেসপন্ডেন্স কমিটি গঠন করেন। আরো পড়ুন