রাজমা লতানো বর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ

এর আদি বাসস্থান নিয়ে মতভেদ আছে। কোনো কোনো উদ্ভিদ-বিজ্ঞানীর মতে উষ্ণ-প্রধান আমেরিকার অঞ্চলসমূহ, আবার কারো ধারণা দক্ষিণ মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকা এটির আদি বাসভূমি। তবে আদি বাসস্থান যেখানেই হোক না কেন, বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীর গ্রীষ্ম-প্রধান অঞ্চলে রাজমার চাষ হয়। অপেক্ষাকৃত গরম অথচ স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এটি ভালভাবে জন্মে।আরো পড়ুন

সফেদা খাওয়ার ছয়টি উপকারিতা

কাঁচা সফেদায় (বৈজ্ঞানিক নাম: Manilkara zapota) দুধের মতো এক প্রকার আঠা বেরোয় এবং সেটিতে সামান্য ট্যানিন আছে। পাকা ফল স্বাদে মধুর, তৃপ্তিদায়ক, অধিক পরিমাণে শর্করা সমৃদ্ধ। গাছের ছাল বলকারক ও জ্বরনাশক। বীজ মূত্রকারক ও মৃদু বিরেচক।

রোগ প্রতিকারে এই সুমিষ্ট ফলটিকে কিভাবে ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন— সুপক্ব ও সুমিষ্ট ফলই ব্যবহার্য, কাঁচা ফল খাবেন না। মধুমেহ (Diabetes mellitus) রোগে যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা লোভের বশবর্তী হয়ে ভুলেও সপেটা খাবেন না।আরো পড়ুন

ইসবগুল-এর ছয়টি উপকারিতা

এটি সাময়িকভাবে যেমন আসতে পারে, তেমনি দীর্ঘদিন ধ’রে থাকতে পারে। পুরাতন কোষ্ঠবদ্ধতায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা অন্যান্য অনেক প্রকার রোগের কবলে পড়ে যান। যেমন অর্শ, দীর্ঘস্থায়ী পেটের গোলমাল প্রভৃতি। সাধারণতঃ নানা প্রকার জ্বর ও অন্যান্য কিছু কিছু রোগে ভোগার সময় কিংবা দীর্ঘ সময় যানবাহনে যাত্রা করার ফলে,

মিষ্টি কুমড়া-এর ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ভারতীয় মনীষীগণ মিঠে কুমড়োকে নিয়ে কম নাড়াচাড়া করেননি। গবেষণা করেছেন অনেক। কুমড়ো ও কুমড়োর বীজ নিয়ে তাঁদের সমীক্ষাটা এখানে জানাই। মিঠে কুমড়ো স্বাদে মধুর, স্বভাবে শীতল, রুচিকর, তৃপ্তিপ্রদ, গুরু, কফকর, কোষ্ঠপরিষ্কারক, শ্রম ও ভ্রমনাশক; তাছাড়া এটি ক্ষয়, দাহ, তৃষ্ণা, মূত্ররোধ, রক্তবিকার প্রভৃতি প্রশমিত করে। কাঁচা কুমড়ো (মাঝারি বয়সের) স্বাদে কম মধুর হলেও অধিক রুচিকর, বলকারক এবং বীর্যবর্ধক। আরো পড়ুন

ফুলকপি-তে আছে বিবিধ ভেষজ গুণাগুণ

দেশীই হোক আর বহিরাগতই হোক, ভারত, বাংলাদেশের মাটিতে এসে চাষাবাদ শুরু হলে তা সে খাদ্য তালিকাযুক্ত হবে। তারপরে সেটির ভেষজগুণ আছে কি না তা নিয়ে নাড়াচাড়া হবেই। এই বিচারের হাত থেকে ফুলকপি (Cauliflower) নিয়েও গবেষণা হয়েছে। এই উপাদেয় খাদ্য সবজিটিকে কিভাবে রোগ-প্রতিকারে আমরা কাজে লাগাতে পারি, সেটাই নিয়ে এই প্রবন্ধ ।আরো পড়ুন

বাঁধাকপি-এর ভেষজ গুণাগুণ

দেশীই হোক আর বহিরাগতই হোক, ভারত, বাংলাদেশের মাটিতে এসে চাষাবাদ শুরু হলে তা সে খাদ্য তালিকাযুক্ত হবে। তারপরে সেটির ভেষজগুণ আছে কি না তা নিয়ে নাড়াচাড়া হবেই। এই বিচারের হাত থেকে বাঁধাকপি (Cabbage) নিয়েও গবেষণা হয়েছে। এই উপাদেয় খাদ্য বস্তু দু’টিকে কিভাবে রোগ-প্রতিকারে আমরা কাজে লাগাতে পারি, সেটাই নিয়ে এই প্রবন্ধ।আরো পড়ুন

ফুলকপি, বাধাকপি ও ওলকপি-এর ভেষজ গুনাগুণ, পুষ্টিমান এবং বহুবিধ উপকারিতা

ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি শীতকালীন তরকারির। তরকারির অন্যান্য  মধ্যে কপির সমাদর এসময় খুবই বেশি। প্রাচীনকালে গ্রিক ও রোমানরা কপি খেতেন। কপি সেইজন্যে অতি প্রাচীন তরকারি। ইংরেজরা ভারতে প্রথম কপি নিয়ে এসেছিলেন। বলা হয়ে থাকে উইলিয়াম কেরি ১৮২০ সালে প্রথম ফুলকপি, বাঁধাকপি প্রভৃতি এনে বাংলায় এই সবজির চাষ করিয়েছিলেন। ভারতে প্রচলিত কপি সাধারণত তিন রকমের ফুলকপি, বাঁধাকপি ও ওলকপি (ওলকপিকে গট কপিও বলা হয়)।আরো পড়ুন

অ্যাঞ্জেলিকা গণের নানা প্রজাতির বিবরণ ও গুণাগুণ

Angelica archangelica Linn. Var. himalaica (C.B. Clarke) Krishna & Badhwar. এই প্রজাতিটি কাশ্মীর থেকে সিকিম পর্যন্ত হিমালয়ের বিভিন্ন স্থানে ৩ থেকে ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় সাধারণত জলের নালা বা স্রোতের সংলগ্ন স্থানে জন্মে। গাছের কাণ্ড সোজা, সাধারণত ৫ থেকে ১০ ফুট লম্বা। গাছ ও মূল সুগন্ধযুক্ত। পাতা আয়তাকার, লম্বায় ১ ফুট, ২-৩টি পাখির পালকের ন্যায় আকার বিশিষ্ট। ফুল সাদা, গুচ্ছকারে হয়। বীজও সুগন্ধযুক্ত।আরো পড়ুন

জোড়া নারকেল-এর নানাবিধ গুণাগুণ

জোড়া নারকেল-এর ছোবড়াযুক্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন জলে ভাসতে ভাসতে যখন তীরে আসে, তখন হয়তো কয়েক মাস বা বৎসর পেরিয়ে যায়। কিন্তু বীজ নষ্ট হয় না। মাটিতে পুঁতলে তা থেকে নতুন গাছের সৃষ্টি হবে, তবে অঙ্কুরোদগম হতে প্রায় বছর তিনেক সময় লেগে যায়। ৩০ বছরের চেয়ে কম বয়স্ক গাছে ফুল আসে না। গাছ বহু বৎসর বেঁচে থাকে।আরও পড়ুন

Contribution Timeline of Anup Sadi in Wikimedia Projects

I am Anup Sadi, this is my Contribution Timeline or Showcase of various Wikimedia Projects. My home wiki is Bangla Wikipedia and I am working also in other Wikimedia projects. My activities covered both in online and off-line. I have created my account in Bangla Wikipedia on 26th February 2012. I have been editing articles … Read more

error: Content is protected !!