রোহণ বা রোহিণা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বৃক্ষ

রোহণ বৃহদাকৃতি গাছ। সাধারণতঃ ৬০ থেকে ৭০ ফুট উঁচু হতে দেখা যায়। গাছের ছাল মোটা, দেখতে প্রায় মেহগনি গাছের ছালের মতো। সবুজ পত্রাচ্ছাদিত এই বৃক্ষের কাঠ অতি শক্ত ও মজবুত এবং মূল্যবান, কাঠের বাইরের দিকটা শ্বেতাভ হলেও ভেতরের কাঠ রক্তবর্ণ। বাদামী লাল বা গাঢ় লাল হয়ে থাকে। পত্র পক্ষাকার, ৬-১৮ ইঞ্চি লম্বা, তাতে ৩-৬ জোড়া পত্রিকা থাকে। আরো পড়ুন

কুড়-এর নানাবিধ ঘরোয়া ও ভেষজ ব্যবহার

কুড় নামক ভেষজটি আজও ব্যবহৃত হয়, যেমনটি প্রাচীন কালে হতো। সমভাবে আজও ঘরোয়া বিভিন্ন কাজে বা আয়ুর্বেদে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটির বোটানিক্যাল নাম Saussurea lappa C. B. Clarke, ফ্যামিলী। Compositae.আরো পড়ুন

টাকাপানা বা টোকাপানা ভেষজ গুণসম্পন্ন জলজ প্রজাতি

ভারতের সর্বত্র বিশেষতঃ জলাসন্ন প্রদেশে টোকাপানা (Pistia stratiotes) পাওয়া যায়। পুকুর, জলাশয়, নালা, ঝিল প্রভৃতিতে জন্মে । জলে ভেসে থাকে। লোনা জলে হতে দেখা যায় না। অল্প লবণ-বিশিষ্ট জলে কদাচিৎ হতে দেখা যায়। শীতের সময় এর বাড়বাড়ন্ত হ্রাস হয়, বেশির ভাগ পাতা পচে যায়। শীতের পর নতুন পাতা গজায় ও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং বর্ষাকালে এর বৃদ্ধি দুরন্ত গতিতে হতে থাকে। এই পানা একটি উৎকৃষ্ট সার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানা গায়ে লাগলে চুলকায়।

স্বর্ণ ঝিন্টি গুল্ম-এর ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

স্বর্ণ ঝিন্টি (Barleria prionitis) গুল্ম-এর ফুল দেখতে সুন্দর তাই অনেকে বাড়ির বাগানের সৌন্দর্যের জন্য লাগিয়ে থাকে। এছাড়াও সীমানা নির্ধারনের জন্যও লাগাতে দেখা যায়। এছাড়া এই গুল্মে নানা ভেষজ গুণাগুণ আছে।

ময়ূরশিখা বিরুতের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

ময়ূরশিখা উদ্ভিদ পুরোটিই ঔষধ হিসাবে কাজে লাগানো হয়। কাশি, রিকেট, অতিশার, দাদ ইত্যাদি রোগ সারাতে ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার করলে কার্যকর ফল পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

পরশপিপুল বৃক্ষ-টির ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

পরশপিপুল (Thespesia populnea) চিরসবুজ ও দ্রুতবর্ধশীল বৃক্ষ। ঔষধি কাজে এই গাছ ব্যবহৃত হয়। গাছের কাঠ আসবাব বানাতে ব্যবহৃত হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ:- ফল, ফুল, পাতা, বীজ, মূল, ছাল ও অন্তঃকাষ্ঠ।আরো পড়ুন

পরশপিপুল শোভাবর্ধক ও ভেষজ গুণসম্পন্ন বৃক্ষ

সাধারণতঃ ভারতের সর্বত্র এই গাছটি জন্মে, তবে পাহাড়ী অঞ্চলে এটিকে দেখা যায় না। পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে জন্মে। ছায়াদার ও সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষ হিসেবে রাস্তার ধারে লাগানো হয়ে থাকে। বীজ অথবা ডাল থেকে গাছ হয়। সমুদ্র অঞ্চলের খাড়ী বা নোনা জমি এই গাছের অনুকূল ক্ষেত্র, লাগানোর পর বিনা তদারকিতেও গাছটি দ্রুত বেড়ে ওঠে।আরো পড়ুন

ভূ তুলসী গুল্মের পাঁচটি ভেষজ গুণ

বীজ ভিজিয়ে রাখলে তা ফুলে গিয়ে এক প্রকার থলথলে, অনেকটা জেলীর মত আকার নেয়। বোম্বে অঞ্চলে এর বীজ সম্ভোগ ইচ্ছা বাড়াবার জন্য ব্যবহৃত হয়। মাথার চুলকে চকচকে রাখার জন্য মেয়েরা এই বীজের ব্যবহার করে থাকেন। ইউনানী মতে এটি মধু ও শর্করার (চিনি) সঙ্গে সেবন নিষিদ্ধ। বিশেষতঃ বীর্য পুষ্টিকর দ্রব্য হিসেবে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

পাটুলি গাছ-এর ছাল ও মূলে আছে নানা ভেষজ গুণাগুণ

পাটুলি গাছ-এর ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ—মূল ও গাছের ছাল । কোথাও কোথাও গাম্ভারী ছালের পরিবর্তে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর কাঠ হালকা। প্যাকিং বাক্স, চায়ের বাক্স, দেশলাই-এর কাঠি, ড্রাম, ব্যারেল, শ্লেট ও ছবি বাঁধানোর ফ্রেম, পেন্সিল, খেলনা প্রভৃতি তৈরীর জন্য এই গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

ঘেট কচু খাওয়ার উপকারিতা

ঘেট কচুকে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে ঘেঁটকোলও বলা হয়ে থাকে। তামিল প্রদেশে করুণাইকিঝাংগু, তেলেগুতে দূরাদাকাণ্ডাগাড়া ও মালয়ে চেনা নামে এটি পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Typhonium trilobatum (Linn.)Schott. পূর্বে এটির নাম ছিল Arum trilobatum Linn.,ফ্যামিলী Araceae, ভারতে এই গণের ১৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কন্দ, ডাঁটা ও পাতা।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!