সোয়া বা সালফা হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার ঔষধি বিরুৎ

সোয়া বা শুলফা

বসত বাড়ীর বাগানতে চাষ করা হয়। শীতকালে রবিশস্যের সাথে আগাছা হিসাবে জন্মায়। তবে ভারতের উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ এলাকায় এর ব্যাপক চাষ করা হয়। আশ্বিন-কার্তিক মাসে বীজ বপন করে ফাল্গুন-চৈত্রে পাকা ফল সংগ্রহ করা হয়।

পাথরকুচি গাছের বহুবিধ ভেষজ ব্যবহার, গুণাগুণ ও উপকারিতা

পাথরকুচি গাছ

পাথরকুচি বা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Bryophyllum pinnatum) হচ্ছে ক্রাসুলাসি পরিবারের ব্রায়োফাইলাম গণের একটি ঋজু, বহুবর্ষজীবী রসালো বিরুত। পাথরকুচি ছাড়াও এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত; যেমন – পাষানভেদী, শিলাভেদ, অশ্মঘ্ন, কোপ্পাতা, শ্বেতা, গাত্রচুরি, কফপাতা ইত্যাদি। আরো পড়ুন

মালতী বা মালতী লতার পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণ

মালতী লতা

মালতী বা মালতী লতা বনাঞ্চল পরিবেশে জন্মে কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ পেলে বাড়ির বাগানেও বেচে থাকতে পারে। ফুল ও ফল ধারণ মে থেকে জানুয়ারি। মালতীর মূলের ক্বাথ জ্বর উপশমে বলবর্ধক এবং মূত্র সংক্রান্ত অসুবিধা প্রশমনের জন্য ব্যবহার করা হয়আরো পড়ুন

ছায়া উষ্ণমণ্ডলী অঞ্চলে জন্মানো ঔষধি বিরুৎ

ছায়া ঋজু বা অর্ধঋজু, একবর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, কখনও নিম্নাংশ কাষ্ঠল, ১৫-৩০ সেমি উঁচু, কাণ্ড ও শাখা প্রশাখার প্রস্তুদে গোলাকার, সরেখ, শক্ত, কম বা বেশী সাদাটে বা হলুদাভ, ঘন লোমাবৃত, কম বা বেশি খসখসে রোমশ,আরো পডুন

নীল টেংরাকাঁটা গুল্ম-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

নীল টেংরাকাঁটা গুল্ম-এর উদ্ভিতাত্ত্বিক নাম হলো Acanthuas ilicifolius Linn. গোত্র একান্থাসী। চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর উপকূলীয় বৈদ্য সমাজে প্রমেহ রোগের মহৌষধ হিসাবে এর ব্যবহার বেশ প্রাচীন এবং ব্যাপক। আরো পড়ুন

মুক্তাঝুরি বিরুৎ-এর গুরুত্ব ও দশটি ভেষজ গুণাগুণ

মুক্তাঝুরি বিরুৎ মানুষের যত্ন ছাড়াই জন্মাতে পারে; তবে মানুষ পারলে যূথবদ্ধ এ গাছের উপর ঝাপিয়ে পড়ে বংশ নির্মূল করার জন্য। অথচ বাবলা গাছের মতোই এ গাছ মানুষের উপকার করে চলেছে। মুক্তাঝুরি বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় এটি পতিত জমি, পরিত্যক্ত ক্ষেত, রাস্তার ধার, বাগানের কিনারা, জল-ডোবার ধারে যূথবদ্ধ অবস্থায়, আগাছা হিসাবে জন্মে। আরো পড়ুন

গুইয়া বাবলা: পরিচিতি, ঔষধি গুণাগুণ ও ব্যবহারের নিয়ম

গুইয়া-বাবলা

গুইয়া বাবলা (বৈজ্ঞানিক নাম: Acacia farnesiana ইংরেজি: Cassie Flower, Farnesiana, Sponge Tree, Sweet Acacia, Stinking Acacia) ফেবিয়াসি পরিবারের Acacia গণের ঝোপালো গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ। এটি বাড়িতে বা বাগানে লাগানো হয় এবং পত্রঝরা বনেও জন্মে।আরো পড়ুন

দেশি পেটারি গুল্মের বিবরণ ও দশটি ভেষজ ব্যবহার

দেশি পেটারি

বাংলা অভিধানে ‘পেটারি’ বলে কোনো শব্দ নেই। তাই এ নামের উৎস সম্বন্ধে জানা যায় না। কিন্তু এর সংস্কৃত নাম ‘অতিবলা’ রাখার যুক্তিসঙ্গত কারণ খুঁজে পাওয়া যায়। পেটারির আরও কয়েকটি নাম আছে- বালিকা, বল্যা, বিকঙ্কতা, বাট্যপুষ্পিকা, শীতপুষ্প, ভূরিবলা, বৃষ্যগন্ধিকা। আরো পড়ুন

কুঁচ বা রতিফল: ভেষজ গুণাগুণ, পরিচিতি ও ওষুধি ব্যবহার 

কুঁচ

কুঁচ পাক খেলানো আরোমশ, আরোহী। কচি শাখা সবুজ, পাতা ৫ থেকে ১৭, জোয়াল ধরনের ডাঁটার দুধারে জোড়া জোড়া পত্রক বিপরীত দিকে সজ্জিত। পত্রক-ডিম্বাকৃতি বিডিম্বাকৃতি বা আয়তাকৃতি।আরো পড়ুন

কার্পাস গাছ ও তুলার সতেরোটি ভেষজ গুণাগুণ

কার্পাস

কার্পাস একটি তুলার গাছ। এটি একটি ছোট আকারের উদ্ভিদ। আমাদের দেশে ব্যাপক হারে এর কার্পাস চাষ হয়ে থাকে। এই গাছের পাতা, ছাল, তুলা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!