জিকা, জিগা বা জিওল গাছের আটটি উপকারিতার বর্ণনা

জিকা

জিকা, জিগা বা জিওল একটি নরম গাছ। এ গাছ ১০ থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়। এ কান্ড বা মোটা ডাল খুবই হাল্কা এবং গাছের ছালটা বেশ পুরু। পাতা দেড় ফুটের কিছুটা বেশি লম্বা হয়।আরো পড়ুন

কালমেঘ-এর ভেষজ গুণাগুণ ও ঘরোয়াভাবে প্রয়োগ পদ্ধতির বর্ণনা

কালমেঘ ভেষজ উদ্ভিদ

কালমেঘের সাধারণ গুণ হলো- এটি তিক্তরস, অগ্নিপীপক, রুচিকর, রেচক, বলকারক, কৃমিনাশক, জ্বরাতিসবার নাশক। ইহা কোষ্ঠ, রক্তদোষ, আমদোষ ও বিষদোষে উপকারী। কালমেঘের ব্যবহার্য অংশ হচ্ছে- সমগ্র গাছ। গাছের প্রায় সব অংশই ব্যবহার করা যায়;আরো পড়ুন

খেসারি ডাল চাষ পদ্ধতি, উপকারিতা ও নিরাপদে খাওয়ার সঠিক নিয়ম

খেসারি ডালের গাছ, পাতা ও ফুল

খেসারি ছোট আকৃতির বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এর পাতা ছোট, সবুজ ও চিকন। এদের ফুল ছোট আকারে হয় ও রং নীল। দেখতে অনেকটা শিম ফুলের মতো। ফুল থেকে প্রথমে শুঁটি আকারে ফল হয়। শুঁটির ভেতরে ডাল হয়। ডালের রং হলুদ। আরো পড়ুন

দুপুরমনি বা বনঢুলি বাগানে চাষযোগ্য আলংকারিক বর্ষজীবী বীরুৎ

দুপুরমনি

দুপুরমনি বর্ষজীবী বীরুৎ। এর উচ্চতা ১-২ মিটার পর্যন্ত হয়। এই প্রজাতির বাকল মসৃণ, সবুজাভ-বাদামী, সামান্য ছড়ানো তারকাকার লোমযুক্ত। পাতা সরল, একান্তর, দৈর্ঘ্য ৩-১৪ সেমি ও প্রস্থ ০.৫-১.৫ সেমি। পাতা দেখতে রৈখিক-বল্লমাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মা, গোড়া স্থুলাগ্র অথবা কীলকাকার, কিনারা করাত দন্তযুক্ত, আরো পড়ুন

ব্রাহ্মী বা ব্রাক্ষ্মী লতা-এর আটটি ভেষজ গুণ ও প্রয়োগ পদ্ধতি

ব্রাহ্মী

ব্রাহ্মী (বৈজ্ঞানিক নাম: Bacopa monnieri, ইংরেজি: waterhyssop, thyme-leafed gratiola, water hyssop, herb of grace, Indian pennywor) এক ধরণের লতা জাতীয় উদ্ভিদ। ভিজা মাটিতে লতিয়ে লতিয়েই এ লতার বৃদ্ধি ঘটে। লতার প্রত্যেকটি গাঁট থেকে শিকড় বের হয়। কাণ্ড খুবই নরম এবং রসযুক্ত। গায়ে খুব সরু লোম থাকে, পাতা আধা ইঞ্চি বা আরও একটু বড় হতে পারে। কাণ্ডের বিপরীত দিক থেকে যুগপত্র জন্মায়। পাতার বোটা কাণ্ডের সাথে প্রায় লেগে থাকে। পাতার কিনারায় কোনো খাজ থাকে না। সামনের দিকটা গোলাকার এবং বৃন্তদেশ ডিমের মতো। পাতার শিরাগুলো অস্পষ্ট। আরো পড়ুন

বার সাঙ্গা দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সপুষ্পক ঔষধি বৃক্ষ

বার সাঙ্গা, গন্ধাল, করিয়াফুলি, ছোটকামিনী, গিরিনিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Murraya koenigii, ইংরেজি নাম: Curry Leaf, Curry Tree) হচ্ছে রুটেসি পরিবারের মুরায়া গণের সপুষ্পক উদ্ভিদ। এই প্রজাতি সাদা রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। আরো পড়ুন

বকফুল পুরাতন ও নতুন পৃথিবীর আলংকারিক গাছ এবং দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার সবজি

বকফুল ছোট আকৃতির দ্রুত বর্ধনশীল পত্রঝরা বৃক্ষ। এই গাছের কাঠ কোমল। উচ্চতায় ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের বাকল হালকা থেকে গাঢ় বাদামি বর্ণের হয়; তবে পুরাতন বৃক্ষ দেখতে বিদীর্ণ। গাছের পাতা অচূড় পক্ষল। পাতার দৈর্ঘ্য ১৩-৩০ সেমি, পত্রক ২০-৬০টি, আয়তাকার, রোমহীন, উপপত্রিকা ক্ষণস্থায়ী, ক্ষুদ্র, ১.৫-২.৮ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন

পিপুল ফলে আছে শরীরের সাধারণ রোগ সারানোর ভেষজ গুণ

পিপুল বা দেশি পিপুল বা পিপলা বা পিপলা-মূল বা পিপুল মরিচ (বৈজ্ঞানিক নাম: piper-longum) হচ্ছে পিপারাসি পরিবারের পিপার গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এদের প্রধান গুণ হচ্ছে এরা শ্বাসকষ্ট উপশম করে। পিপুলের ব্যবহার রান্নায় কম হলেও নামটা অনেকেরই জানা। পিপুলকে ঔষধি হিসেবে সেবন করলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। পিপুল দীপন বা উদ্দীপিত করে, তীক্ষ্ণ, উষ্ণ, রুক্ষ, পিত্তকারক ও মলাবেগ করায়। কফ, বায়ু, উদর রোগ, গ্যাস, লিভারের অসুখ, গুল্ম, কৃমি, শ্বাস রোগ উপশম করে। ক্ষয় রোধ করে। মস্তিষ্কের দুর্বলতা, উগ, বাত প্রকোপ, সূতিকা রোগ, ঋতুস্রাব পরিস্কার না হওয়া, নিদ্রাহীনতা কফ, শ্বাস প্রভৃতি শারিরীক অসুবিধেতে প্রাচীন কাল থেকে ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে পিপুল ব্যবহার করা হয়ে আসছে। আরো পড়ুন

আয়ুর্বেদ ও আধুনিক চিকিৎসায় জয়ত্রি ও জায়ফলের ভেষজ উপকারিতা

জায়ফল খেলে অরুচি দুর হয়। জায়ফল সুগন্ধযুক্ত গরম মশলায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ব্যবহার করা হয় নানা রকম মিষ্টি বা রান্নায়। ঘরোয়া ওষুধ হিসেবেও জায়ফল ব্যবহার করা। চিকিৎসকদের মতে, জায়ফল সুগন্ধি, পাচক (খাবার জুম করায়), উষ্ণ, বায়ুনাশক, খিচুনি বন্ধ করে। অল্প মাত্রায় খেলে খিদে পায়, হজম তাড়াতাড়ি হয়। পেটফাঁপা, পেটের অসুখ, শূল প্রস্রাব কম হওয়া (মূত্রকৃচ্ছতা) ইত্যাদি অস্বঞ্জি বা অসুখ উপশম করে। আরো পড়ুন

কারিপাতা বা বারসুঙ্গার গাছে আছে ভেষজ গুণ

কারিপাতা (Murraya koenigii অথবা Bergera koenigii) বা বারসুঙ্গা বা মিষ্টি নিম চিবিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়। এই পাতা ভারত ও পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে নানা ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা হয়। অনেকে ঝোল জাতীয় রান্নায় ব্যবহার করে থাকে। কারিপাতা রোপণ করার জন্য বীজকে অবশ্যই পাকা ও সতেজ হতে হবে। শুকনো অথবা কোঁকড়ানো ফল চাষ করার যোগ্য নয়। পুরো ফলটি রোপণ করা যায়, তবে ফলের শাঁস ছাড়িয়ে নিয়ে কোনো স্যাঁতসেঁতে পাত্রে কিন্তু তা যেনো ভেজা না হয় এমন পাত্রে রোপণ করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!