কারিপাতা বা বারসুঙ্গার গাছে আছে ভেষজ গুণ

কারিপাতা (Murraya koenigii অথবা Bergera koenigii) বা বারসুঙ্গা বা মিষ্টি নিম চিবিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়। এই পাতা ভারত ও পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে নানা ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা হয়। অনেকে ঝোল জাতীয় রান্নায় ব্যবহার করে থাকে। কারিপাতা রোপণ করার জন্য বীজকে অবশ্যই পাকা ও সতেজ হতে হবে। শুকনো অথবা কোঁকড়ানো ফল চাষ করার যোগ্য নয়। পুরো ফলটি রোপণ করা যায়, তবে ফলের শাঁস ছাড়িয়ে নিয়ে কোনো স্যাঁতসেঁতে পাত্রে কিন্তু তা যেনো ভেজা না হয় এমন পাত্রে রোপণ করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। আরো পড়ুন

কালোজিরা প্রয়োগের ১০টি রোগের ভেষজ চিকিৎসা

পুরনো পেটের অসুখে কালোজিরে আয়ুর্বেদ মতে কালোজিরে উষ্ণবীর্য বা গরম-কড়া, কটু-তিক্ত রস (তেল), রুচি ও বল বৃদ্ধি করে, মেধা বৃদ্ধি করে, অগ্নিদীপক (খিদে বাড়িয়ে দেয়), পাচক (খাবার হজম করায়), ধারক (মল রোধ করে), গর্ভাশয় বিশোধক অর্থাৎ মেয়েদের গভাশয়ের পক্ষে ভাল। কালোজিরে বদহজম, পেটের অসুখ, বাতের জন্যে পেট ফাঁপা, গুম, রক্তপিত্ত বা পিত্তের জন্য রক্তাধিক্য-অবমন), কৃমি, কফ, বায়ু, আমদোষ, পুরনো পেটের অসুখ, বাত, ব্রণ ও শূল রোগে ব্যবহার করা হয়। আরও পড়ুন

শিম-এ আছে শরীরের বল বৃদ্ধিসহ নানা ভেষজ গুণাগুণ

শিম খেতে তো ভাল লাগে, এটি স্বাদে মিষ্টি কিন্তু খাওয়ার পর পরিপাকে অম্ল বা টক রস উৎপন্ন করে। অনেকের মতে এটি খেলে শরীরের বল বাড়ে, মল পরিষ্কার হয়। কিন্তু সহজে পরিপাক হয় না বলে বায়ু সৃষ্টি করে। শিম শরীরের ভেতরের বিষ নষ্ট করে। কিন্তু সেই সঙ্গে দৃষ্টি শক্তির তেজ কমিয়ে দেয় বলেও অনেকের ধারণা। আরো পড়ুন

অড়হর ডাল খাওয়ার কয়েকটি ঔষধি গুণ ও উপকারিতা

অড়হর ডাল (বৈজ্ঞানিক নাম: Cajanus cajan) মুখের কান্তি উজ্জ্বল করে। আয়ুর্বেদ মতে,  এই ডাল কষায়-মধুর, রস, শরীর শীতল করে, রুক্ষ, লঘু, মলরোধ করে, বায়ুজনক, মুখের কান্তি উজ্জ্বল করে বা বর্ণপ্রসাদক। এই ডাল কফ, পিত্ত ও রক্তের দোষ নাশ করে। এই ডাল হজমও হয় তাড়াতাড়ি। লাল অড়হর ডালও পাওয়া যায়। এই ডাল হালকা, মলরোধ করে, তীক্ষ্ণ … Read more

বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদ বা ভেষজ উদ্ভিদের ৭০০ প্রজাতির একটি পরিপূর্ণ তালিকা

বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদ বা ভেষজ উদ্ভিদের একটি পরিপূর্ণ তালিকায় প্রায় ৭০০টিরও বেশি প্রজাতির ঔষধি উদ্ভিদের নাম রয়েছে। এসব ঔষধি উদ্ভিদ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। মানুষ আদিকাল হতে তাদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ভেষজ উদ্ভিদ ব্যবহার করে আসছে। ভেষজ উদ্ভিদের ব্যবহার সারা বিশ্বে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আরো পড়ুন

A full Checklist of the Medicinal Plants of Bangladesh

People are using medicinal plants to treat their different diseases since ancient times. The use of herbal plants is increasing day by day. People are preparing cosmetics including medicines from plants. Bangladesh is no exception to commercial interests on this issues. More than 80 percent of Bangladeshi people live in rural areas. Read More

Diversity of the Medicinal Plants of Bangladesh.

Anup Sadi Poet & Author, Bangladesh December, 2012 Medicinal plants are playing a vital role in the development of Bangladesh. There are about 6,500 plant species in different regions of Bangladesh. Among these, there are over 700 medicinal species or herbs. But many species of herbs and shrubs are disappearing from various regions or districts … Read more

বালম ক্ষীরা বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ বৃক্ষ

বালম ক্ষীরা বা Kigelia africana হচ্ছে Kigelia গণের একমাত্র সপুষ্পক বৃক্ষ। হিন্দিতে এটিকে বলে বালম ক্ষীরা। শসার মতো ফল হয়। বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ এই গাছটির সংরক্ষণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।আরো পড়ুন

ছাতিম গাছ (Alstonia scholaris): এর পরিচিতি, বাণিজ্যিক গুরুত্ব ও ভেষজ ব্যবহার

বড় ছাতিম (বোটানিকাল নাম: Alstonia scholaris) এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের বৃহৎ ও চিরসবুজ বৃক্ষ। পত্রাচ্ছাদিত বড় ছাতিম গাছগুলি ৪o/৫০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছের পুরু ছালের ভিতরটা সাদা ও দানাযুক্ত কিন্তু উপরটা খসখসে, গাছের সমগ্রাংশে সাদা দুধের মত আঠা (ক্ষীরা) আছে, পাতাগুলির আকার অনেকটা মনসা পাতার মত। আরো পড়ুন

শিয়ালমুত্রা বা ডানকোনী গুল্মের ১৮টি ভেষজ গুণ

শিয়ালমুত্রা

শিয়ালমুত্রা, ডানকোনী বা কুকসিমা (বৈজ্ঞানিক নাম vernonia cinerea. ইংরেজি: little ironweed and poovamkurunnila) হচ্ছে Asteraceae পরিবারের Cyanthillium গণের একটি সপুষ্পক বীরুৎ। এই গাছটি বিদেশি। এটি গুল্মজাতীয় খুবই ছোট ধরনের উদ্ভিদ। লম্বায় ফুট দুয়েকের মতো হয়। পাতার কিনারার উভয় দিক কাটা। এর কয়েকটি জাত হয়। একে চিনার সহজ উপায় হলো, পাতার আকৃতি একটু ভিন্ন ধরনের হয়। ঐ সব জাতের ক্ষেত্রে পাতা অবিভক্ত এবং কিনারায় করাতের মতো দাঁত থাকে। এ গাছের ফুলের রং পীত এবং উভয়লিঙ্গ বিশিষ্ট। ফুল কোমল ও লোমযুক্ত। পাপড়ি সাদা রঙের হয়। কুকসিমা গাছে শীতের শেষ দিকে ফুলে ফোটে এবং ফাল্গুন-চৈত্র মাসে গাছে ফল হয়। ঔষধ হিসাবে এই গাছ ব্যবহার করা হয়। সচরাচর এই গাছ দেখা যায় অনেকে এই গাছকে ডানকোণী বলে থাকে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!