রবীন্দ্রনাথের ‘জুতা আবিষ্কার’ অবলম্বে নাটক কালের চাকা

হবু রাজা, রাজা হিসাবে নিষ্ঠুর ছিলেন না। আবার রাজ্যের মানুষের যে খুব খোঁজ রাখতেন তাওনা। তবে প্রায় নতুন নতুন সমস্যা রাজদরবারে হাজির করেতেন আর সেই সমস্যার আরো পড়ুন

কথা ছিলো

কথা ছিলো এবার ফসল যদি গোলায় আসে
আরেকটি হেমন্ত আসবে জীবন বুকে নিয়ে,
কথা ছিলো এবার নতুন খড়ের ছাউনি দিলে আরো পড়ুন

ভুমিতে থাকা স্বপ্ন

আমাদের স্বপ্নেরা খোকাখুকুর গুটিগুটি পায়,
আমাদের স্বপ্নেরা রাশি রাশি বালুকা বেলায়,
আমাদের স্বপ্নেরা কাক ডাকা ভোরে, আরো পড়ুন

প্রশ্ন

ব্যস্ত দিনের দরজা খুলে দাও
দেখ কেউ দাঁড়িয়ে আছে;—
তপ্ত রাস্তায় ঠাণ্ডা জলের বোতল নিয়ে,
তা দেখে তোমার কী অনুভুতি? আরো পড়ুন

শ্রমপাড়া জেগে ওঠো

পরিচিত দম আটকানো ছায়ায় ঢেকে আছে
আমাদের প্রিয় যে ভূমিখানা,
তার স্বপ্নগুলো ডুবে মরছে আরো পড়ুন

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির উদ্বোধনী ভাষণ

১৮৬৪ সালের ২৮ অক্টোবর লন্ডনের লং একরস্থ সেন্ট মার্টিন হলে অনুষ্ঠিত জনসভায় পঠিত[১] শ্রমজীবী মানুষগণ, একটি বিরাট সত্য হলো এই যে, ১৮৪৮ থেকে ১৮৬৪ সালের মধ্যে শ্রমজীবী জনসমষ্টির দুর্দশার কোনো লাঘব হয়নি, তবুও এই সময়টাই শিল্প-বিকাশ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির দিক থেকে অতুলনীয়। ১৮৫০ সালে ব্রিটিশ মধ্য শ্রেণির একটি নরমপন্থী ওয়াকিবহাল মুখপত্র এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলো যে, ইংল্যান্ডের রপ্তানি ও আমদানি যদি শতকরা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পায় তাহলে ইংরেজদের দারিদ্র্য একেবারে শূন্যের কোঠায় নেমে যাবে। আরো পড়ুন

প্যারিস কমিউন পৃথিবীর প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্ব

প্যারিস কমিউন (ইংরেজি: Paris Commune) হচ্ছে ১৮৭১ সালে ফ্রান্সের প্যারিতে প্রলেতারিয় বিপ্লবীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রলেতারিয়েত শ্রেণির বিপ্লবী সরকার। সেটি ছিলো ইতিহাসে প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্বের সরকার, তবে প্যারিসের বীর শ্রমিক শ্রেণি সেটিকে টিকিয়ে রাখতে সমর্থ হয় ৭২ দিন; ১৮৭১ সালের ১৮ মার্চ থেকে ২৮ মে। আরো পড়ুন

সমাজতান্ত্রিক সমাজের শ্রেণি কাঠামোর প্রকৃতি

সমাজতান্ত্রিক সমাজের শ্রেণি দুই প্রধান ভাগে ভাগ হলও শ্রমিক শ্রেণি ও সমবায়ী কৃষক। পুঁজিবাদী সমাজে যে প্রলেতারিয়েত উৎপাদনের উপায় থেকে বঞ্চিত এবং পুঁজিবাদীদের নিকট নিজেদের শ্রমশক্তি বিক্রয়ে বাধ্য সেই প্রলেতারিয়েত সমাজতান্ত্রিক সমাজে নেই। আরো পড়ুন

কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, রক্ষণশীল অথবা বুর্জোয়া সমাজতন্ত্র

বুর্জোয়া সমাজের অস্তিত্বটা ক্রমাগত বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই বুর্জোয়া শ্রেণির একাংশ সামাজিক অভাব-অভিযোগের প্রতিকার চায়। এই অংশের মধ্যে পড়ে অর্থনীতিবিদেরা, লোকহিত ব্রতীরা, মানবতাবাদীরা, শ্রমিক শ্রেণীর অবস্থার উন্নয়নকারীরা, দুঃস্থ-ত্ৰাণ সংগঠকেরা, পশুক্লেশ নিবারণী সভার সদস্যরা, মাদকতা নিবারণের গোঁড়া প্রচারকেরা, সম্ভবপর সবরকম ধরনের খুচরো সংস্কারকরা। সমাজতন্ত্রের এই রূপটি পরিপূর্ণ মতধারা হিসাবেও সংরচিত হয়ে উঠেছে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!