গগণ শিরিষ হচ্ছে উদ্যানের শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ

ইহা একটি অতি সুপরিচিত বিদেশী উদ্ভিদ এবং পাতার বাহার ও দ্ব্যগ্রশাখাযুক্ত বৈশিষ্টের জন্য রাস্তার পাশে, বাগানে ও নগরোদ্যাণে রাজপথ বীথি হিসেবে লাগানো হয়। ইহার তলায় আংশিক ছায়াযুক্ত স্থানে ঘাস ও অন্যান্য ছোট উদ্ভিদ বেড়ে উঠতে পারে (Benthall, 1933). বাংলাদেশের বরিশাল জেলায় ইহার কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি হয় (Das and Alam, 2001).আরো পড়ুন

আলবিজিয়া হচ্ছে ফেবিয়াসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ

শিরিষ

এই গণে মোট ১৬০ প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে ৮টি প্রজাতি জন্মে। এই কয়েকটি প্রজাতির জন্য পাহাড়ি অরণ্যে বা পত্রঝরা বনই উপযুক্ত স্থান। এছাড়া প্রতিষ্ঠান, উদ্যান, অফিস, রাস্তার পাশে, বাড়ির বাগানেও লাগানো যায়। গাছের বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন

কালা কড়ই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভেষজ গুণসম্পন্ন চিরহরিৎ বৃক্ষ

কালা-কড়ই

কেন্দ্রীয় হিমালয়ের পাদদেশ থেকে শ্রীলংকা, আসাম, মায়ানমার, সিকিম, মালাক্কা এবং গ্রীষ্ম প্রধান ও অর্ধ গ্রীষ্ম প্রধান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে বিস্তৃত। বাংলাদেশে উদ্ভিদটি প্রবর্তিত এবং সিলেট জেলা ও অন্যান্য অঞ্চলের চা-বাগানে ছায়া প্রদানকারী হিসেবে লাগানো হয়।আরো পড়ুন

তেঁতুলে কড়ই বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

চিরহরিৎ অরণ্য থেকে শুষ্ক পত্রঝরা অরণ্য, সচরাচর বনের প্রান্তে, উপদ্রত মৃত্তিকা, বালিকাময় নদীর তীর এবং সমুদ্র সৈকত, পাহাড়ের চূড়ায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল এপ্রিল-জুলাই। বংশ বিস্তার হয় বীজ এবং শাখা কলমের সাহায্যে।আরো পড়ুন

শিল কড়ই বা মটর কড়ই এশিয়ায় জন্মানো অর্ধচিরহরিৎ ঔষধি বৃক্ষ

শিল কড়ই অর্ধচিরহরিৎ বৃক্ষ, ৮-১৮ মিটার উঁচু, ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল প্রায় মসৃণ, ধূসরাভ থেকে গাঢ় বাদামী, আনুভূমিকভাবে কুঞ্চিত এবং কর্ক সদৃশ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুসকুড়ি দ্বারা আবৃত। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী রেশমী ও বাদামী রোমে আবৃত।আরো পড়ুন

গোলাপী শিরিষ উষ্ণ-নাতিশীতোষ্ণ দেশের শোভাবর্ধক ও ভেষজ বৃক্ষ

মাঝারি আকারের পত্রঝরা বৃক্ষ। গাছটি ১৫ মিটার উঁচু ও ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল রুক্ষ, গাঢ় বাদামী অথবা প্রায় কালো, ফাটলবিশিষ্ট, ক্ষুদ্র ও অনিয়তাকার কাষ্ঠল খন্ডে উঠে যায়। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী হলুদাভ রোমে আবৃত।আরো পড়ুন

চাকুয়া কড়ই দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্রুত বর্ধনশীল বৃক্ষ

দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বাংলাদেশে প্রজাতিটি চা-বাগানিদের কর্তৃক ছায়া প্রদানকারী বৃক্ষ হিসেবে প্রবর্তিত হয়েছে। বনাঞ্চলে ইহা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে অনেক জেলাতেই লাগানো হয়, বিশেষ করে। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর এবং ঠাকুরগাঁতে।আরো পড়ুন

বুইশাকফুল গুলো দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বীরুৎ

বুইশাকফুল গুলো (বৈজ্ঞানিক নাম: Aeginetia indica) প্রজাতিটি বাংলাদেশে তেমন পরিচিত নাম না। তবে এটি এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জন্মে। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

রাখালচিতা উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

রাখালচিতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Allophylus cobbe) পাহাড় ও বনাঞ্চলে জন্মানো গুল্ম। বাংলাদেশে এটি যেমন জ্বালানিতে ব্যবহৃত হয় তেমনি নানা রোগের চিকিৎসায় ভেষজ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ছোট আকৃতির এই প্রজাতিটির বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন

বড় কেসুতি (Adenosma indianum) উদ্ভিদের পরিচিতি ও শনাক্তকরণের উপায়

বর্ষজীবী বীরুৎ, ৫০ সেমি পর্যন্ত লম্বা। কান্ড শাখান্বিত, বেলনাকার, ঘন লোমশ, হলুদ অবৃন্তক গ্রন্থিযুক্ত। পত্র ১.৫-৪.৫ x ০.৫-১.৫ সেমি, প্রায় বৃন্তহীন, ৩-৪টি ভার্টিসিলযুক্ত, আয়তাকার-বল্লমাকার থেকে ডিম্বাকার-আয়তাকার, ঘন গ্রন্থিল রোমশ, আরো পড়ুন

error: Content is protected !!