সংকলন
সংকলন এর ইংরেজি অর্থ collection. নতুন পুরাতন যেকোনো কিছুর সংগ্রহ হচ্ছে সংকলন। অর্থাৎ যেকোনো বস্তু যেই অবস্থাতে থাকে সেইভাবেই রক্ষণাবেক্ষণ করা। এই সংকলন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান করে থাকে। ব্যক্তিগতভাবে সংগ্রহ রাখা কঠিন। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে করা বেশি শক্তিশালী। ইতিহাসে এই সংকলন বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংকলন করে রাখলে পড়ে সেটা নানা গবেষণা পর্যালোচনা করে উন্নত করা যায়। সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি পাল্টাতে সংকলন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যেমন বাংলা সাহিত্য ও ভাষার ক্ষেত্রে অমূল পরিবর্তন এনেছে চর্যাপদ।
বুড়ি বসন্ত
ফুল থাক ফুলের মতো/ খাঁড়া খাঁড়ার মতো/ ফুল তুলে কেউ যেন আমাকে কাটতে/ খাড়া তুলে কেউ আমাকে/ যেন গন্ধ শোঁকাতে না আসে/ যার যে জায়গা/ সেখানেই সে যেন/ মাটি কামড়ে প’ড়ে থাকে/ জল থাক জলের মতো/ আগুন আগুনের মতো/ এ ওর পা মাড়িয়ে দিয়ে/ জল যেন জ্বালাতে/ আগুন যেন জুড়োতে না চায় আরো পড়ুন
গদির মধ্যে যদি
গদি/ তার মধ্যে গা ঢাকা দিয়ে থাকে/ জী-হাঁর পিছে লুকিয়ে রেখে হাঁ-কে/ শান্তশিষ্ট ল্যাজবিশিষ্ট এক পশুরাজ/ যদি/ ঘাঁটি/ যতই কেন আগলে রাখুক সদলে সবলে/ কথার সঙ্গে কাজের অমিল মাত্রাছাড়া হলে/ আস্তে আস্তে পায়ের তলায় সরে যাবেই/ মাটি আরো পড়ুন
শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির সাধারণ নিয়মাবলি
যেহেতু শ্রমিক শ্রেণির মুক্তি শ্রমিক শ্রেণিকেই জয় করে নিতে হবে; শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির জন্য যে সংগ্রাম, তার অর্থ শ্রেণিগত সুবিধা ও একচেটিয়া অধিকারের জন্য সংগ্রাম নয়, সমান অধিকার ও কর্তব্যের জন্য এবং সমস্ত শ্রেণি আধিপত্যের উচ্ছেদের জন্য সংগ্রাম। শ্রম করে যে মানুষ, শ্রম উপায়ের অর্থাৎ জীবনধারণের বিভিন্ন উৎসের একচেটিয়া মালিকের কাছে আরো পড়ুন
সপ্তাহ প্রতিদিনই
শিব নেই। ছি! ছি !/ সেই দুঃখে/ দক্ষযজ্ঞে/ যান নি দধীচি।/ বৃত্রাসুর হানা দিলে/ স্বর্গচ্যুত/ হল দেবতারা –/ খোদ ইন্দ্র রণে ভঙ্গ দেন।/ তখন দধীচি ছাড়া/ দেবগণ/ অনন্য উপায় ।/ দধীচি দিলেন প্রাণ। আরো পড়ুন
ঘরের বাইরে, বাইরের ঘরে
ঘরের বাইরে বাইরের ঘরে/ শিশিরে শ্রাবণে/ জলবৃষ্টিতে তুফানে ও ঝড়ে/ সভায় বা নির্জনে/ স্বচ্ছন্দে যে নিজের জন্যে পারে/ ঘর বেঁধে নিতে/ বটের ঝুরিতে/ আলোয় অন্ধকারে আরো পড়ুন
এসো হে
আমাকে চিনবে না।/ অনেকটা রাস্তা উজিয়ে/ আজ এই পড়ন্ত বেলায়/ আমি আসছি।/ মাথাভর্তি মাঠ ভাঙা ধুলো,/ দুটো পা-য়/ কাটায় কাটাছেঁড়ার দাগ।/ ৰলি, চেনা লোকেরা সব/ গেল কোথায় গা?/ গোধূলির শূন্য দাওয়ায়/ এমন কেউ নেই/ যে তার মুখ ঘোমটায় ঢেকে/ পিঁড়ি পেতে দেয়,/ কনুই ছুঁয়ে এগিয়ে দেয়/ এক ঘটি তৃষ্ণার জল। আরো পড়ুন
ঘরে না, বাইরে না
এক পক্ষে/ তিন লক্ষ অক্ষৌহিণী/ নারায়ণী সেনা—/ প্রত্যেকে দুর্ধর্ষ যোদ্ধা/ সংশপ্তক/ ভয় কাকে বলে তা জানে না।/ যে জন্যেই হোক/ ( এরাও কৃষ্ণেরই জীব ! )/ প্রাণ দেয় হেলায়।/ দ্বারকায় বসে দুর্যোধন/ চেটে নেয় জিভ –/ আজ তার প্রাণে বড় সুখ।/ অন্য পক্ষে/ নিরস্ত্র একাকী/ যুদ্ধপরাঙ্মুখ।/ শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং।/ ভূ-ভারতে একালে কেবা কী।/ তাকালেই বোঝা যাবে। আরো পড়ুন