শুদ্ধতার কবিতা উত্তরায়ণের কবিতা

‘যারা ভারি পণ্ডিত তারা সুন্দরকে প্রদীপ ধরে দেখতে দেখতে চলে আর যারা কবি ও রূপদক্ষ তারা সুন্দরের নিজেরই প্রভায় সুন্দরকে দেখে নেয়, অন্ধকারের মধ্যেও অভিসার করে তাদের মন।’ আরো পড়ুন

ঠোঁটে জমে থাকে মিছিলের ফোয়ারা

যে গান আমার কণ্ঠ ছুঁয়েছে, তোমার সেতার সেখানেই বাজুকনীল হয়ে ওঠা বেদনাকে সুরের মুর্ছনায় ভরে তুলুক সেই ধ্বনি,আমি তখন রোদে পোড়া মাঠে হেঁটে বেড়াবতোমার বুকের উত্তাপ অনুভব করার জন্য। তোমার রুক্ষ হৃদয়ে জোয়ার আনবো আমিযদি তুমি সাঁতার কাটঁতে পারোতোমার সঙ্গে ডুব দিয়ে আমি ঝিনুকের প্রদাহ দেখব,তোমার সাথে ভাসব ফসলের হাসি,ঘুমিয়ে থাকা মৌমাছির চোখে স্বপ্ন এঁটে … Read more

মুহুর্তের জন্য থেমে গিয়ে আবার এগিয়ে চলা

আমি এক মুহুর্তের জন্য থেমে গিয়েছিলাম যখন তোমার হাত আমার আঙ্গুলগুলোকে ছুঁয়েছিল, তখন আমার কণিকারা ভাবছিল তাদের প্রবাহ পথ নিয়ে, কানের পাশের হাওয়ারা কিছুটা উদগ্রীব হয়েছিল— কোন সুর বাঁধবে তাদের তিন তারে। আমার ছায়ারা ঘুরে বেড়ায় তোমার পিছু পিছু- ঘর থেকে বের করবে বলে, এলোমেলো যুগল চিন্তাকে এক্ত্র করে – আমরা একটি পথ বানাবো জনসমারহের … Read more

কবিতার ইস্তেহার নিয়ে জাগতে হবে আজ

দুর্দিন না জানিয়ে গুটি গুটি পায়ে ভদ্রবেশে আসে আমাদের দ্বারে; যাদের মগজে আজো একটি সুন্দর ছবি স্থির হয়ে আছে- তাদেরই এই দুর্দিনে জেগে উঠতে হবে, কোমল সুরের মালা ছেড়ে রণ ধ্বনি বুকে এটে নিতে হবে।                                 আজকের এ পাঠের আসর থেকে উঠে আসুক কবিতার ইস্তেহার– কাব্যের চরণগুলো হোক একেকটি সম্ভবনার কণা; প্রতিটি শব্দ বুলেটের মতন … Read more

প্লাটফর্মের অলংকার

চেইন টেনে সবুজ আলো জ্বালিয়ে প্লাটফর্ম খালি করে- রাতের শেষ ট্রেনে বাড়ি ফেরা। বোতল টোকানো ছেলে, বোঝা টানা ছেলে, ফেরিওয়ালার ঝুড়ির দেশি-বিদেশি পণ্য, কাঁধে টাঙ্গানো মনোহারী আয়না-চিরুনির পশরা, কুলির উচ্চ কণ্ঠ, বাদামের খোসা, আইসক্রিমের কাঠি, মাইকের সংকেত, গতিশীল পা, চব্বিশ ঘণ্টার খবরের কাগজ; এসবকে ছেড়ে বাড়ি ফেরা। ১৯/০২/২০১৯ চালাবন, দক্ষিণখান, উত্তরা, ঢাকা বি. দ্র: ব্যবহৃত … Read more

তোমার আঙুল ছেড়ে চলা এক দশক

লালা টুকটুকে টগর যেদিন প্রথম কলোনির বাসায় এলো- সেদিন থেকেই আমার হাতেখড়ি হলো চারা লাগানোর, ঘুঘু পাখিকে আলত হাতে মুক্ত করার আনন্দ আমাকে শেখায় সম্পর্কের যত্ন নিতে। এক দশক হলও তোমার আঙুল ছেড়ে আমার পথ চলার, তাই এখন ঘরে ফেরার জন্য আমার মন টানে না, ঘুরে ঘুরে যতটা পথ দেখিয়েছো তুমি- তাকে আরো বাড়িয়েছি। এই … Read more

দশ আঙ্গুলের স্পর্শে একটি প্রত্যাশিত দিন

তারা জানেনা জন্ম নেওয়ার পড়ে তাদের কি পরিচয় হবে,/ শুধু জেনেছে দুঃখ-কষ্ট, ক্ষুধা-দারিদ্র, যুদ্ধ-দখল দেখতে হবে,/ তাদের জীবিত দিনগুলো কি তারুণ্যে কাটবে?/ নাকি আঘাত আর যন্ত্রণায় কাটবে?/ যাই ঘটুক না কেনো শুধু জানে একটি ঘুর্ণায়মান চাকা চালু হবে,/ তাই আপনারা হাতে নরম কাদা নিন, তারপরে সেটা চাকা উপর রাখুন। আরো পড়ুন

ইচ্ছেদের চাষাবাদ করব বলে যুগল পথ চলা

শহরের রাস্তাটা খুঁড়ছে, তা দেখতে দেখতে/ স্টেশনের যাচ্ছি তুমি আসবে জেনে।/ আমার কাছে আজকের দিনটি প্রত্যাশিত,/ মনের নানা খাল-খন্দর ভরাট করতে আমরা পাশাপাশি বসব,/ হকারের গুছানো ঝুড়ি, নানা কিছিমের ভিখারি,/ যাত্রীর আসা যাওয়া, মাছিদের উন্মুক্ত পাখা; আরো পড়ুন

সদাগরি অফিস

গঙ্গা কইতরও ওড়ে, জলের ভেতরে নড়ে ছোট ডানকিনা, একদিকে সমুদ্র আর অন্যদিকে বাবুর আঙিনা, সাহায্য করেছ বাবু, মুক্তিযুদ্ধে নিয়েছ দক্ষিণা, তাই, আজ চাও পুরো জলাভূমি, জলাবনের মালিকানা,/ পাখনায় লেগেছে আঘাত, চাবুকও বসেছে বুঝি হৃদ পাথারে, একটু হাঁড়ির ভাত, দুই ধর্মে ভাগাভাগি করে, খেয়েছিলে কোনকালে! তারপর কত দিন চলে গেছে আধিপত্যের হল্লাবোলে, আরো পড়ুন

আর আমাদের ভালবাসা? — হাসন লাল

(কমরেড এম এ মতিনকে নিবেদিত) আমি অকবি হাসন লাল উত্তর দক্ষিণ এখানে সেখানে স্টেশন টারমিনাল ঘুরে যার সাথে দেখা হত আমার সেই এম. এ.  মতিন আমার ভাই অথবা বন্ধু অভাগা বাংলার প্রতীক জানতেন আমাকে আসতেই হবে আমাদের জীর্ণ জীবনগুলো একটি কেন্দ্রে আবর্তিত হতেই হতো তিনি প্রবলভাবে ঘৃণা করতেন আমি প্রবলভাবে ঘৃণা করতাম আমরা প্রবলভাবে ঘৃণা … Read more

error: Content is protected !!