পরশপিপুল বৃক্ষ-টির ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

পরশপিপুল (Thespesia populnea) চিরসবুজ ও দ্রুতবর্ধশীল বৃক্ষ। ঔষধি কাজে এই গাছ ব্যবহৃত হয়। গাছের কাঠ আসবাব বানাতে ব্যবহৃত হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ:- ফল, ফুল, পাতা, বীজ, মূল, ছাল ও অন্তঃকাষ্ঠ।আরো পড়ুন

পরশপিপুল শোভাবর্ধক ও ভেষজ গুণসম্পন্ন বৃক্ষ

সাধারণতঃ ভারতের সর্বত্র এই গাছটি জন্মে, তবে পাহাড়ী অঞ্চলে এটিকে দেখা যায় না। পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে জন্মে। ছায়াদার ও সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষ হিসেবে রাস্তার ধারে লাগানো হয়ে থাকে। বীজ অথবা ডাল থেকে গাছ হয়। সমুদ্র অঞ্চলের খাড়ী বা নোনা জমি এই গাছের অনুকূল ক্ষেত্র, লাগানোর পর বিনা তদারকিতেও গাছটি দ্রুত বেড়ে ওঠে।আরো পড়ুন

ভূ তুলসী গুল্মের পাঁচটি ভেষজ গুণ

বীজ ভিজিয়ে রাখলে তা ফুলে গিয়ে এক প্রকার থলথলে, অনেকটা জেলীর মত আকার নেয়। বোম্বে অঞ্চলে এর বীজ সম্ভোগ ইচ্ছা বাড়াবার জন্য ব্যবহৃত হয়। মাথার চুলকে চকচকে রাখার জন্য মেয়েরা এই বীজের ব্যবহার করে থাকেন। ইউনানী মতে এটি মধু ও শর্করার (চিনি) সঙ্গে সেবন নিষিদ্ধ। বিশেষতঃ বীর্য পুষ্টিকর দ্রব্য হিসেবে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

পাটুলি গাছ-এর ছাল ও মূলে আছে নানা ভেষজ গুণাগুণ

পাটুলি গাছ-এর ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ—মূল ও গাছের ছাল । কোথাও কোথাও গাম্ভারী ছালের পরিবর্তে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর কাঠ হালকা। প্যাকিং বাক্স, চায়ের বাক্স, দেশলাই-এর কাঠি, ড্রাম, ব্যারেল, শ্লেট ও ছবি বাঁধানোর ফ্রেম, পেন্সিল, খেলনা প্রভৃতি তৈরীর জন্য এই গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

ঘেট কচু খাওয়ার উপকারিতা

ঘেট কচুকে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে ঘেঁটকোলও বলা হয়ে থাকে। তামিল প্রদেশে করুণাইকিঝাংগু, তেলেগুতে দূরাদাকাণ্ডাগাড়া ও মালয়ে চেনা নামে এটি পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Typhonium trilobatum (Linn.)Schott. পূর্বে এটির নাম ছিল Arum trilobatum Linn.,ফ্যামিলী Araceae, ভারতে এই গণের ১৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কন্দ, ডাঁটা ও পাতা।আরো পড়ুন

কাউন-এর নানাবিধি ভেষজ প্রয়োগের বিবরণ

সমগ্র বিশ্বে এই গণের ৩০টি প্রজাতি পাওয়া যায়। এটিকে হিন্দীতে কংগুনী, টংগুনী, কাংগনী, বাংলায় কংগু, কংগুনি, কাকনি দানা, কাংনী, কাউন প্রভৃতি বলে। মেদিনীপুরের কোন কোন জায়গায় এটিকে সুজির গাছও বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Setaria italica Beauv.পূর্বে এটির নাম ছিল Panicum italicum Linn, ফ্যামিলী -Gramineae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: ধান্য (চাল)।আরো পড়ুন

ডিকামালী গাছ-এর ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ডিকামালী গাছ-এর প্রধানভাবে কাজ করে মনোবহ স্রোতে এবং কোষ্ঠে। নাড়ীহিঙ্গুর ব্যবহার বাংলার আয়ুর্বেদ চিকিৎসকবৃন্দ করেনই না বলা যেতে পারে। তবে মধ্য ও পশ্চিম ভারতের অনেক চিকিৎসক এটির ব্যবহার করে থাকেন।আরো পড়ুন

ডিকামালী শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্ম

মাঝারি ধরনের ঝোপঝাড়যুক্ত গাছ। এটি বিশেষতঃ মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে পাওয়া যায়। এছাড়া দক্ষিণ মহারাষ্ট্র, উত্তর কন্নড়তেও জন্মে। এই প্রজাতিটি ছাড়া অন্য একটি প্রজাতি (G. lucida) পাওয়া যায়। এই দুটি গাছের আঠা বা নির্যাসই ডিকামালী নামে খ্যাত এবং ঔষধার্থে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

মাদলা বা ঘোড়াকরঞ্জ-এ আছে ভেষজ গুণাগুণ

মাদলা বা ঘোড়াকরঞ্জ গাছের ছাল অতিসার, আমাশা, শ্বাস, জীর্ণ ফুসফুস নলিকাপ্রদাহ প্রভৃতিতে ব্যবহার্য। ছাল ও পাতা বলকর, প্রসবান্তিক দুর্বলতানাশক। গাছের আঠা চুর্ণ অল্প মাত্রায় ব্যবহার করলে আমাশা (প্রবাহিকা) ও ফুসফুসনলিকা প্রদাহে (ব্রঙ্কাইটিসে) সুফল পাওয়া যায়। এটি প্রধানভাবে কাজ করে রসবহ স্রোতে। মাদলা বা ঘোড়াকরঞ্জ-এর পরিচিতি বৃহদাকৃতি গাছ। ৬০-৮০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে দেখা যায়। কাণ্ড … Read more

ঘোড়ানিম বা মহানিম-এর নানাবিধ গুণের বিবরণ

ঘোড়া নিম বা মহানিম (Melia azedarach) প্রধানভাবে কাজ করে রসবহ ও রক্তবহ স্রোতে। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ পত্র, ত্বক, মূল, পুষ্প, ফল ও বীজের তৈল। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!