ভূমিকা: বিশল্যকরণী লতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Polygonum recumbens) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ লতা। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়।
বিবরণ:
এই লতা হল একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। যা ক্রমবর্ধমান, লম্বা, অনেক শাখা-প্রশাখাযুক্ত খাঁজকাটা কাণ্ড এবং ছোট আন্তঃকোষ; পাতা ১ থেকে ১.৫ সেমি লম্বা, ৩ থেকে ৫ মিমি চওড়া, প্রশস্ত উপবৃত্তাকার, সমতল, সাধারণত সূক্ষ্ম, কখনও কখনও ২ থেকে ৫ মিমি লম্বা কাণ্ডে ভোঁতা। গোলাপী ফুল পাতার অক্ষে জন্মায়, সাধারণত প্রতিটি অক্ষে ২, কখনও কখনও ৩ বা ৪টি, ছোট কাণ্ডে। টেপাল ৫ – বাইরের টেপাল খোঁচাযুক্ত, স্টাইল ২, স্টিগমাস ক্যাপিটেট। বাদাম ত্রিকোণ, কালো বা গাঢ় বাদামী, উজ্জ্বল, মাঝখানের নীচে সবচেয়ে প্রশস্ত, ১.৫ থেকে ২ মিমি লম্বা। বিশল্যকরণী লতা ১৫০০ থেকে ৪০০০ মিটার উচ্চতায় পাকিস্তান, কাশ্মীর এবং হিমালয়ের কুমায়ুন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
তথ্যসূত্র:
১. “Creeping Knotweed”, flowersofindia.net, ইউআরএলঃ https://www.flowersofindia.net/catalog/slides/Creeping%20Knotweed.html
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।