অক্ষশক্তি একটি সামরিক জোট যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল

অক্ষশক্তি (ইংরেজি: Axis Power) একটি সামরিক জোট যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। রাজনীতিতে কথাটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় প্রচারিত হয়। অক্ষশক্তি দ্বারা তখন জার্মানি, ইতালি এবং জাপান এই তিন শক্তির জোটকে বুঝান হতো। শক্তির কেন্দ্র হিসাবে অক্ষ কথাটি ব্যবহার করে প্রথমে ১৯৩৬ সালে ফ্যাসিবাদী ইতালির শাসক মুসোলনী। আরো পড়ুন

ব্যর্থ রাষ্ট্র হচ্ছে কেন্দ্রীভূত সামরিক কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ রাষ্ট্র

“রাষ্ট্র হলো একটি শ্রেণীর হাতে অপর শ্রেণীর ওপর আধিপত্য কায়েম করার যন্ত্র, অধীনস্থ শ্রেণীগুলোকে আনুগত্যের বন্ধনে রাখার হাতিয়ার।”[১] লেনিন এই যে রাষ্ট্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন যা এমনই এক সত্যকে ধারণ করছে যাকে কেবল কুসংস্কারাচ্ছন্ন বুর্জোয়া মূর্খরাই বিরোধীতা করে। আরো পড়ুন

মানসিক ও দৈহিক শ্রমের মধ্যেকার বিরোধ হচ্ছে শ্রেণিবিভক্ত সমাজের বৈশিষ্ট্য

শ্রমের বিভাগ কথাটি আজ অত্যান্ত সুপরিচিত। শ্রমের ক্ষেত্রে মানসিক ও দৈহিক শ্রমের বিভাগটিও পরিচিত। মানসিক ও দৈহিক শ্রমের মধ্যেকার বিরোধ হচ্ছে শ্রেণিবিভক্ত সমাজের বৈশিষ্ট্য। কিন্তু সভ্যতার আদিতে শ্রমের কোনোরূপ বিভাগই ছিল না। অনুন্নত অবস্থায় জীবন রক্ষার্থে প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় সমস্ত শ্রমই করতে হতো। আরো পড়ুন

প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি বা প্রতিনয় বা বিরোধ কাকে বলে?

প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি

বস্তুজগতে নিত্যপ্রবাহিত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক হচ্ছে প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি বা প্রতিনয় বা বিরোধের (ইংরেজি: Anti-thesis) সম্পর্ক। বিরোধ হচ্ছে বস্তজগতের গতির মূল নিয়ামক। বিরোধ বা দ্বন্দ্বের মাধ্যমে বস্তজগতের বিকাশকে সাধারণত ইংরেজিতে থিসিস (ইংরেজি: Thesis), এ্যাণ্টিথিসিস এবং সিনথেসিস (ইংরেজি: Synthesis)-রূপে প্রকাশ করা হয়। আরো পড়ুন

আপোষহীন ও আপোষমূলক বিরোধ সমাজের ক্রমবিকাশের ব্যাখ্যায় ব্যবহৃত শব্দ

সমাজের ক্রমবিকাশের ব্যাখ্যায় মাকর্সবাদীগণ আপোষহীন এবং আপোষমূলক বিরোধ (ইংরেজি: Antagonistic and Non-Antagonistic Contradiction) কথা দুটি ব্যবহার করেন। মাকর্সবাদ তথা দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মতে বিরোধী শক্তির সংঘাতের মাধ্যমেই সমাজ বিকাশ লাভ করে, সমাজের এক স্তরের স্থানে নতুন স্তর প্রতিষ্ঠালাভ করে। বিরোধ হচ্ছে সমাজ বিকাশের প্রাণশক্তি। আরো পড়ুন

বিশ্লেষণ এবং সংশ্লেষণ কাকে বলে?

বিশ্লেষণ এবং সংশ্লেষণ (ইংরেজি: Analysis and Synthesis) উভয় শব্দ মানুষের মানসিক কিংবা দৈহিক একটি বিশেষ ক্রিয়ার কথা বুঝায়। বিশ্লেষণ বলতে একটি সমগ্রকে তার অন্তর্ভুক্ত অংশসমূহে বিভক্তকরণ এবং সংশ্লেষণ বলতে অংশসমূহের সম্মেলনের মাধ্যমে সমগ্র পুনর্গঠনকে বুঝায়। জ্ঞানের ক্ষেত্রে আদিকাল থেকে মানুষ এই পদ্ধতিকে ব্যবহার করে এসেছে। আরো পড়ুন

বিচ্ছিন্নতা হচ্ছে কোনো কিছুর গুণ বা শক্তিতে স্বকীয় সত্তা হিসাবে প্রতিপন্ন করা

কোনো কিছুর গুণ বা শক্তিতে তার মূল আধার নিরপেক্ষভাবে স্বকীয় সত্তা হিসাবে প্রতিপন্ন করাকে দর্শনে বিচ্ছিন্নতা (ইংরেজি: Alienation) বলা হয়। সামাজিক অর্থনৈতিক বিকাশে বিচ্ছিন্নতাবাদ যে একটা প্রতিবন্ধকরূপে কাজ করে, সে সত্যকে মাকর্সবাদী দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মাকর্স প্রথমে উদঘাটন করেন। তাঁর মতে মানব সমাজের ক্রমবিকাশে মানুষের শ্রমশক্তি, শ্রমশক্তির বিভিন্ন ফলাফল যেমন- অর্থের উৎপাদন, মুদ্রার আবিস্কার, উৎপাদনের সম্পর্ক ইত্যাদি সবকিছুর আধার হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ। আরো পড়ুন

জনতা এমন জনসমষ্টি যারা চিন্তাহীনভাবে, উত্তেজনার বশে উচ্ছৃঙ্খল ও হিংসাত্মক আচরণকারী

বিপ্লবী জনতা

জনগণ শব্দটির সমার্থক জনতা (ইংরেজি: Masses বা Crowd) শব্দটিকে অনেক সময় ভিন্নভাবে ব্যবহার করা। হয়। ইংরেজি mob (ইংরেজি: উন্মত্ত জনসাধারণ) কথাটির প্রতিশব্দ হিসেবে জনতা শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়। সেই নিরিখে জনতা হলো এমন এক জনসমষ্টি যারা চিন্তাভাবনার পরিবর্তে, সাময়িক উত্তেজনার বশে উচ্ছৃঙ্খল এবং অনেক সময় হিংসাত্মক আচরণে লিপ্ত হয়। আরো পড়ুন

জনগণ হচ্ছে নির্দিষ্ট কোনো ভূখণ্ডের অধিবাসী যাদের ভাষা ও সাহিত্য একই

সাধারণ দৃষ্টিতে জনগণ (ইংরেজি: People) শব্দটির অর্থ হলো যে নির্দিষ্ট কোনও ভূখণ্ডের অধিবাসী যাদের ভাষা ও সাহিত্য একই এবং বিশেষ এক ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা থাকে ও আচার ব্যবহার, বেশভূষা, মূল্যবােধ ও সংস্কৃতি প্রায় অভিন্ন, তারা সমাষ্টগতভাবে সেখানকার জনগণ হিসাবে পবিচিত। সমষ্টিগতভাবে এই বৈশিষ্ট্যগুলি সমাজবন্ধনের প্রকৃত সূত্র, জাতি গঠনের প্রধান উপাদান। আরো পড়ুন

ছন্নছাড়া সর্বহারা হচ্ছে বুর্জোয়া শ্রেণি থেকে বিচ্ছিন্ন সর্বহারার হঠকারী ও ছন্নছাড়া অংশ

ছন্নছাড়া সর্বহারা বা লুম্পেন সর্বহারা বা ছন্নছাড়া প্রলেতারিয়েত (ইংরেজি: Lumpen-proletariat) হচ্ছে বুর্জোয়া শ্রেণি থেকে বিচ্ছিন্ন এবং সর্বহারার হঠকারী ও ছন্নছাড়া অংশ। লুম্পেন শব্দটি জার্মান। মার্কস তাঁর ‘এইটিন্থ ব্রুমেয়র’ গ্রন্থের পঞ্চম অধ্যায়ে এক ধরনের ব্যক্তির কথা বলেছেন যারা সব শ্রেণির কাছেই জঞ্জাল-বিশেষ। উচ্ছৃঙ্খল এই জনসম্প্রদায়ভুক্ত লােকেরা বুর্জোয়া শ্রেণি থেকে বিচ্ছিন্ন, হঠকারী ও ছন্নছাড়া। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!