কাসারি বা কেসুর (Actinoscirpus grossus): বৈশিষ্ট্য, বিস্তৃতি ও বহুমুখী ব্যবহার

ভারত থেকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া এবং চীনের দক্ষিণাঞ্চল ও তাইওয়ান থেকে মাইক্রোনেশিয়া এবং বনিন দ্বীপপুঞ্জ ( জাপান)। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বৃহত্তর বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সমূহে প্রচুর জন্মে।

বচ-এর বিস্ময়কর ওষুধি গুণাগুণ: স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও রোগ নিরাময়ে প্রকৃতির এক অনন্য দান

বচ

বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের ১১ খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) বচ প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, অরণ্যহীন অবস্থা ও বাসস্থানের বিপর্যয়ের জন্য সংকটের কারণ দেখা যায় এবং বাংলাদেশে এটি সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে বচ কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যানে চাষাবাদ চলছে।আরো পড়ুন

বনরিটা বা ধানরিটা: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক অনন্য ভেষজ গুল্মের বিস্তারিত

বর্ষা অরণ্য, উপদ্রত অরণ্য, খালের পাড়, মাঠ, উন্মুক্ত তৃণভূমি এবং অন্যান্য উন্মুক্ত এলাকা। চুনাপাথরবিশিষ্ট এলাকা থেকেও বর্ণিত, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫০-১৫০০ মিটার উচ্চতায়। ফুল ও ফল ধারণ ফেব্রুয়ারী-মার্চ। বংশ বিস্তার হয় বীজের মাধ্যমে।আরো পড়ুন

খয়ের গাছের ঔষধি গুণাগুণ ও উপকারিতা: পানের লাল আভা থেকে মহৌষধ

খয়ের

সব ধরনের মাটিতেই জন্মে কিন্তু পলিমাটিতে ভাল জন্মে, পরিত্যক্ত জায়গা, রাস্তার ধার, ক্ষেতের আইল, এমনকি রেল পথের পাশে, শুষ্ক পাহাড়ী ঢালেও ভাল জন্মে, বালুময় নদীর পাড়ে Dalbergia siss০০-র সাথে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ মার্চ-ডিসেম্বর।আরো পড়ুন

লতাকস্তুরীর অবিশ্বাস্য ওষুধি গুণাগুণ ও প্রযোগ পদ্ধতি

লতাকস্তুরী

লতাকস্তুরী একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। তবে এ গাছের পরিপক্ব টাটকা বীজ হাতে নিয়ে একটু ঘষা দিলেই চমৎকার ঘ্রাণ ভেসে আসে। হয়তো সেজন্যই কস্তুরী নামকরণ হয়েছে। দেখতে ঢেঁড়সের চেয়ে অনেক শক্ত এবং ঋজু। তবে ছায়াচ্ছন্ন স্থানে জন্মালে এর এই ঋজু ভাবটা আমূল পাল্টে গিয়ে গাছটি প্রচুর শাখাবিশিষ্ট প্রায় লতানো হয়ে আসে।আরো পড়ুন

উলট কম্বল: আর্দ্র আবহাওয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষের পরিচিতি ও ওষুধি গুণাগুণ

বাগান যেখানে ইহা দেশের সর্বত্র ভালভাবে জন্মে। উদ্ভিদটি গরম এবং আর্দ্র আবহাওয়া পছন্দ করে। ফুল ও ফল ধারণ জুন-ডিসেম্বর। বংশ বিস্তার হয় বীজ, শাখা কলম অথবা পাশ্বীয় মূল হতে। উদ্ভূত উধ্বধাবক দ্বারা।আরো পড়ুন

আসামলতা এশিয়ার দেশসমূহে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

সাপের কামড় ও বিচ্ছুর দংশনে প্রতিকারক রূপে উদ্ভিদটি ব্যবহৃত হয়, এর পাতা দেহের মালিশ ও চুলকানিতে ব্যবহৃত হয় এবং খৎনার জ্বালাপোড়া যুক্ত ঘায়ে প্রশমক রূপে এবং অন্যান্য ক্ষতে ব্যবহৃত হয়। নারিকেল চাষাবাদে আগাছা দমনে উদ্ভিদটি মসৃণ শস্য রূপে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে।আরো পড়ুন

কেশরাজ বা কালকেশী পতিত জমিতে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ

কেশরাজ

কেশরাজ বা কালকেশী হচ্ছে একধরনের ঔষধি গুণসম্পন্ন বিরুৎ। এটি স্যাঁতস্যাঁতে স্থান, রাস্তা বা ডোবার পাশে জন্মে। এর সঠিক ব্যবহার না জানায় আগাছা মনে করে অনেকে উপরে ফেলে। আরো পড়ুন

দাদমর্দন উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

দাদমর্দন

বাহারি গাছ রূপে উদ্যানে জন্মে, কখনও পতিত জমি, ডোবার পাশ্ববর্তী ভূখন্ড, ধান ক্ষেতের মধ্যবর্তী স্থান এবং অনাবাদী জমিতে জন্মিতে দেখা যায়। ফুল ও ফল ধারণ সেপ্টেম্বর-জানুয়ারি। বংশ বিস্তার হয় বীজ ও শাখা কলমের মাধ্যমে।আরো পড়ুন

পিয়াল বা চিরঞ্জী হচ্ছে বনাঞ্চলে জন্মানো ঔষধি উদ্ভিদ

সাধারণত শুষ্ক অঞ্চলের জমিতে জন্মে। তবে এই গাছ কখনো চাষ করা হয় না। জঙ্গলে নিজে থেকেই বীজ পড়ে গিয়ে চারা জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ জানুয়ারি-মে মাস। বংশ বিস্তার হয় বীজ দ্বারা।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!