গোয়ালে লতা উদ্ভিদের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ
গোয়ালে লতা বা গোয়ালী লতা একটি লতাজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড ও পাতা উভয়ই নরম। তবে পাতা এতটাই নরম যে টিপলেই ভেঙে যায়। এই লতার অনেক ভেষজ গুণ আছে। উদ্ভিদটি ঝোপ-ঝাড়, পতিত জায়গা, রাস্তার পাশে জন্মায়।আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
গোয়ালে লতা বা গোয়ালী লতা একটি লতাজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড ও পাতা উভয়ই নরম। তবে পাতা এতটাই নরম যে টিপলেই ভেঙে যায়। এই লতার অনেক ভেষজ গুণ আছে। উদ্ভিদটি ঝোপ-ঝাড়, পতিত জায়গা, রাস্তার পাশে জন্মায়।আরো পড়ুন
এই ফার্ন বাহারি পাতা হিসাবে অনেকে টবে লাগিয়ে থাকে। বারান্দায় ঝুলন্ত টবে শোভাবর্ধন করে। স্থলজ আবাস, অধিকাংশই স্যাঁতসেঁতে দেয়াল এবং ভেজা, ছায়াযুক্ত স্থান। বংশবিস্তার হয় গ্রন্থিক এবং রেণু দ্বারা।আরো পড়ুন
আদি নিবাস ভারতের কেন্দ্রীয় অঞ্চল, মায়ানমার, ভূটান, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, নিউগিনি, ইন্দো-চীন, চীন (দক্ষিণাংশ), ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ ও মালয় পেনিনসুলা ব্যতিত সমগ্র গ্রীষ্ম প্রধান এশিয়ায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন
ইহা একটি অতি সুপরিচিত বিদেশী উদ্ভিদ এবং পাতার বাহার ও দ্ব্যগ্রশাখাযুক্ত বৈশিষ্টের জন্য রাস্তার পাশে, বাগানে ও নগরোদ্যাণে রাজপথ বীথি হিসেবে লাগানো হয়। ইহার তলায় আংশিক ছায়াযুক্ত স্থানে ঘাস ও অন্যান্য ছোট উদ্ভিদ বেড়ে উঠতে পারে (Benthall, 1933). বাংলাদেশের বরিশাল জেলায় ইহার কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি হয় (Das and Alam, 2001).আরো পড়ুন
এই গণে মোট ১৬০ প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে ৮টি প্রজাতি জন্মে। এই কয়েকটি প্রজাতির জন্য পাহাড়ি অরণ্যে বা পত্রঝরা বনই উপযুক্ত স্থান। এছাড়া প্রতিষ্ঠান, উদ্যান, অফিস, রাস্তার পাশে, বাড়ির বাগানেও লাগানো যায়। গাছের বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন
কেন্দ্রীয় হিমালয়ের পাদদেশ থেকে শ্রীলংকা, আসাম, মায়ানমার, সিকিম, মালাক্কা এবং গ্রীষ্ম প্রধান ও অর্ধ গ্রীষ্ম প্রধান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে বিস্তৃত। বাংলাদেশে উদ্ভিদটি প্রবর্তিত এবং সিলেট জেলা ও অন্যান্য অঞ্চলের চা-বাগানে ছায়া প্রদানকারী হিসেবে লাগানো হয়।আরো পড়ুন
চিরহরিৎ অরণ্য থেকে শুষ্ক পত্রঝরা অরণ্য, সচরাচর বনের প্রান্তে, উপদ্রত মৃত্তিকা, বালিকাময় নদীর তীর এবং সমুদ্র সৈকত, পাহাড়ের চূড়ায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল এপ্রিল-জুলাই। বংশ বিস্তার হয় বীজ এবং শাখা কলমের সাহায্যে।আরো পড়ুন
শিল কড়ই অর্ধচিরহরিৎ বৃক্ষ, ৮-১৮ মিটার উঁচু, ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল প্রায় মসৃণ, ধূসরাভ থেকে গাঢ় বাদামী, আনুভূমিকভাবে কুঞ্চিত এবং কর্ক সদৃশ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুসকুড়ি দ্বারা আবৃত। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী রেশমী ও বাদামী রোমে আবৃত।আরো পড়ুন
মাঝারি আকারের পত্রঝরা বৃক্ষ। গাছটি ১৫ মিটার উঁচু ও ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল রুক্ষ, গাঢ় বাদামী অথবা প্রায় কালো, ফাটলবিশিষ্ট, ক্ষুদ্র ও অনিয়তাকার কাষ্ঠল খন্ডে উঠে যায়। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী হলুদাভ রোমে আবৃত।আরো পড়ুন
দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বাংলাদেশে প্রজাতিটি চা-বাগানিদের কর্তৃক ছায়া প্রদানকারী বৃক্ষ হিসেবে প্রবর্তিত হয়েছে। বনাঞ্চলে ইহা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে অনেক জেলাতেই লাগানো হয়, বিশেষ করে। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর এবং ঠাকুরগাঁতে।আরো পড়ুন