তারাগাছের অবিশ্বাস্য ঔষধি গুণ, বৈশিষ্ট্য ও জাতিতাত্ত্বিক ব্যবহার

এর রাইজোম টনিক, যৌনশক্তি বর্ধক, পাকস্থলীর শক্তি বর্ধক, মূত্র বর্ধক, কফ নির্গমক, বায়ু নাশক ও উত্তেজক। জ্বর, সর্দি, মাথা ব্যাথা, বাতের ব্যাথা, বহুমূত্র এবং যকৃতের জ্বালায় ব্যবহার করা হয়।আরো পড়ুন

ক্ষেতরাঙ্গা উদ্ভিদের পরিচিতি, বিস্তৃতি ও ভেষজ গুণাগুণ

ভূমিকা: ক্ষেতরাঙ্গা (বৈজ্ঞানিক নাম: Alpinia conchigera) হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ। এটি বাগান বা টবে লাগানো যায়। তবে বনাঞ্চলের পরিবেশ এদের জন্য উপযুক্ত। ক্ষেতরাঙ্গা-এর বর্ণনা: এটি একটি বহুবর্ষজীবী ভেষজ বা বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ যা মাটির নিচের সরু রাইজোমের মাধ্যমে বছরের পর বছর বেঁচে থাকে এবং সাধারণত ১.০ থেকে ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এই উদ্ভিদের … Read more

দেশী ছোট এলাচ চাষ পদ্ধতি এবং এর চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ভূমিকা: রান্নায় সুগন্ধ ছড়ানো এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে আমরা সবাই ছোট এলাচ ব্যবহার করি। কিন্তু আপনি কি জানেন এই দেশী ছোট এলাচ গাছ দেখতে কেমন এবং এর বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? আমাদের পরিচিত এই মসলার গাছের রয়েছে অত্যন্ত নিখুঁত ও জটিল একটি শারীরিক গঠন ও ঔষধি গুণাগুণ। আজ আমরা দেশী ছোট এলাচ গাছের পাতা, … Read more

দিয়েন্দ লাকরাও (Actinodaphne obovata): এই বিরল বৃক্ষের বৈশিষ্ট্য ও বিস্তৃতি

এটি ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি আকৃতির বৃক্ষ। গাছের বাকল ধূসরাভবাদামি, উপশাখা এবং কচি অংশ তামাটে-রোমশ। পত্র ১৭.৫-৪৫.৫ x ৬.২-১৫.০ সেমি, আকার ও আকৃতিতে অনেক পার্থক্যমণ্ডিত, বিডিম্বাকার অথবা উপবৃত্তাকার-আয়তাকার, সূক্ষ্মাগ্র বা স্থুলাগ্র, আরো পড়ুন 

লম্বা ফানকচু: বিরল এই উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও ভেষজ গুণাগুণ

ভূমিকা: লম্বা ফানকচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia navicularis) বাংলাদের পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ। এই কচু সচরাচর পাওয়া যায় না। এই প্রজাতি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মালেও বাংলাদেশে এর অবস্থান সংকটাপন্ন। লম্বা ফানকচু-এর বর্ণনা: প্রকৃতির বিশাল ভাণ্ডারে অসংখ্য উদ্ভিদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, যার মধ্যে লম্বা ফানকচু অন্যতম। এটি একটি অশাখ ও দৃঢ় বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। গাছটি উচ্চতায় বেশ বড় … Read more

মানকচুর পরিচিতি ও ভেষজ গুণাগুণ: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের অবাক করা তথ্য

গ্রামের ঝোপঝাড়, জলপ্রবাহযুক্ত ক্ষুদ্র নদীর তীর, নিম্ন জলাভূমি, গাছের নিচে ছায়াযুক্ত স্থান। ফুল ও ফল ধারণ জুলাই-অক্টোবর মাস। শাখা কন্দের মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: ভারত, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ। বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মে। আরো পড়ুন

উচুন্টি উষ্ণমণ্ডলীয় দেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বাংলাদেশের ত্রিপুরা আদিবাসীরা কাটা এবং ঘায়ের ক্ষতে উদ্ভিদটির পাতার রস ব্যবহার করে। লিভার বেদনা উপশমে খাসিয়া আদিবাসীরা সম্পূর্ণ উদ্ভিদটির ক্বাথ ব্যবহার করে, উপজাতীয় সংগঠন সমূহ, যেমন মৌলভীবাজার জেলার মনধা জনগোষ্ঠী উদ্ভিদটির শিকড় ক্ষতিকারক শয়তানী শক্তির হাত থেকে শিশুদের রক্ষাকারক হিসেবে, আরো পড়ুন

চীনা বিষকচু এর বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও অসাধারণ ভেষজ গুণাগুণ

উদ্ভিদটিকে চূর্ণ করে লেই তৈরি করা হয় যা বিষধর সাপের কামড়ের স্থান, ফোড়া, বাত ও সন্ধিবাত রোগে বাহ্যিক প্রয়োগ করার প্রচলন রয়েছে। (Heng, 1979)। বাংলাদেশের আদিবাসিরা গাছটিকে ভেষজ রূপে ব্যবহার করে।আরো পড়ুন

হরিণা শাক (Aglaonema hookerianum) কি? এর বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও চাষ পদ্ধতি

হরিণা শাক বীরুৎ প্রজাতির। এদের কান্ড ৪০-৫০ সেমি লম্বা, ১.৫-২.০ সেমি পুরু। পর্বমধ্য ১.৫-৩.০ সেমি, পাতা সবৃন্তক, বৃন্ত ২৪ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্র বেষ্টনী ঝিল্লিযুক্ত, ১৫ সেমি পর্যন্ত, পত্রফলক ২৭ X ৭-১২ সেমি, ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার বা ভল্লাকারআরো পড়ুন

খাড়া বিষকচু: মিয়ানমার ও বাংলাদেশের পাহাড়ি বনের এক বিরল উদ্ভিদের পরিচয়

পাহাড়ের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে ঢালু অঞ্চল। ফুল ও ফল ধারণ মে-আগস্ট মাস। বীজ ও কন্দের সাহায্যে সহজ উপায়ে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: মায়ানমার এবং বাংলাদেরশের চট্টগ্রাম ও মৌলভী বাজর জেলা থেকে এর অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!