দিয়েন্দ লাকরাও (Actinodaphne obovata): এই বিরল বৃক্ষের বৈশিষ্ট্য ও বিস্তৃতি

এটি ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি আকৃতির বৃক্ষ। গাছের বাকল ধূসরাভবাদামি, উপশাখা এবং কচি অংশ তামাটে-রোমশ। পত্র ১৭.৫-৪৫.৫ x ৬.২-১৫.০ সেমি, আকার ও আকৃতিতে অনেক পার্থক্যমণ্ডিত, বিডিম্বাকার অথবা উপবৃত্তাকার-আয়তাকার, সূক্ষ্মাগ্র বা স্থুলাগ্র, আরো পড়ুন 

লম্বা ফানকচু দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার অরণ্য বিরুৎ

ভূমিকা: লম্বা ফানকচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia navicularis) বাংলাদের পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ। এই কচু সচরাচর পাওয়া যায় না। এই প্রজাতি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মালেও বাংলাদেশে এর অবস্থান সংকটাপন্ন। লম্বা ফানকচু-এর বর্ণনা: অশাখ দৃঢ় বীরুৎ, ২০ মিটার পর্যন্ত লম্বা। পাতা ২২-৪৩ x ১২-২৪ সেমি, ছত্রবদ্ধ, প্রশস্ত দীর্ঘায়ততীরাকার, মূলীয় খন্ডের বিপরীত অংশ সংকীর্ণ, ফ্যাকাশে সবুজ, শীর্ষীয় খন্ড তীক্ষা, … Read more

মানকচু বাংলাদেশের প্রচলিত ও ভেষজ গুণে ভরা জনপ্রিয় সবজি

গ্রামের ঝোপঝাড়, জলপ্রবাহযুক্ত ক্ষুদ্র নদীর তীর, নিম্ন জলাভূমি, গাছের নিচে ছায়াযুক্ত স্থান। ফুল ও ফল ধারণ জুলাই-অক্টোবর মাস। শাখা কন্দের মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: ভারত, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ। বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মে। আরো পড়ুন

উচুন্টি উষ্ণমণ্ডলীয় দেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বাংলাদেশের ত্রিপুরা আদিবাসীরা কাটা এবং ঘায়ের ক্ষতে উদ্ভিদটির পাতার রস ব্যবহার করে। লিভার বেদনা উপশমে খাসিয়া আদিবাসীরা সম্পূর্ণ উদ্ভিদটির ক্বাথ ব্যবহার করে, উপজাতীয় সংগঠন সমূহ, যেমন মৌলভীবাজার জেলার মনধা জনগোষ্ঠী উদ্ভিদটির শিকড় ক্ষতিকারক শয়তানী শক্তির হাত থেকে শিশুদের রক্ষাকারক হিসেবে, আরো পড়ুন

চীনা বিষকচু দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ

উদ্ভিদটিকে চূর্ণ করে লেই তৈরি করা হয় যা বিষধর সাপের কামড়ের স্থান, ফোড়া, বাত ও সন্ধিবাত রোগে বাহ্যিক প্রয়োগ করার প্রচলন রয়েছে। (Heng, 1979)। বাংলাদেশের আদিবাসিরা গাছটিকে ভেষজ রূপে ব্যবহার করে।আরো পড়ুন

হরিণা শাক বাংলাদেশে পাহাড়ি অরণ্যে জন্মানো বিরুৎ

হরিণা শাক বীরুৎ প্রজাতির। এদের কান্ড ৪০-৫০ সেমি লম্বা, ১.৫-২.০ সেমি পুরু। পর্বমধ্য ১.৫-৩.০ সেমি, পাতা সবৃন্তক, বৃন্ত ২৪ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্র বেষ্টনী ঝিল্লিযুক্ত, ১৫ সেমি পর্যন্ত, পত্রফলক ২৭ X ৭-১২ সেমি, ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার বা ভল্লাকারআরো পড়ুন

খাড়া বিষকচু বাংলাদেশের ঝোপ-ঝাড়ে জন্মানো সংকটাপন্ন বিরুৎ

পাহাড়ের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে ঢালু অঞ্চল। ফুল ও ফল ধারণ মে-আগস্ট মাস। বীজ ও কন্দের সাহায্যে সহজ উপায়ে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: মায়ানমার এবং বাংলাদেরশের চট্টগ্রাম ও মৌলভী বাজর জেলা থেকে এর অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে।আরো পড়ুন

গোয়ালে লতা উদ্ভিদের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

গোয়ালে লতা বা গোয়ালী লতা একটি লতাজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড ও পাতা উভয়ই নরম। তবে পাতা এতটাই নরম যে টিপলেই ভেঙে যায়। এই লতার অনেক ভেষজ গুণ আছে। উদ্ভিদটি ঝোপ-ঝাড়, পতিত জায়গা, রাস্তার পাশে জন্মায়।আরো পড়ুন

বিদ্যাপাতা বা কালীঝাঁট অপুষ্পক ভেষজ ফার্ন

এই ফার্ন বাহারি পাতা হিসাবে অনেকে টবে লাগিয়ে থাকে। বারান্দায় ঝুলন্ত টবে শোভাবর্ধন করে। স্থলজ আবাস, অধিকাংশই স্যাঁতসেঁতে দেয়াল এবং ভেজা, ছায়াযুক্ত স্থান। বংশবিস্তার হয় গ্রন্থিক এবং রেণু দ্বারা।আরো পড়ুন

ঝুনঝুনা কড়ই বা লোহা শিরিষ এশিয়ার শোভাবর্ধক ও ভেষজ বৃক্ষ

আদি নিবাস ভারতের কেন্দ্রীয় অঞ্চল, মায়ানমার, ভূটান, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, নিউগিনি, ইন্দো-চীন, চীন (দক্ষিণাংশ), ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ ও মালয় পেনিনসুলা ব্যতিত সমগ্র গ্রীষ্ম প্রধান এশিয়ায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!