ঝরা ফুলে ভরা এই যে সমাধিতল
ঝরা ফুলে ভরা এই যে সমাধিতল – এই তো আমার মাটির বাসর প্রেমের তাজমহল।। কে বলে আমার প্রিয়তমা নাই, পাই না দেখিতে তবু সাড়া পাই– চোখে ঝরে জল হায় মনে তবু দোলে মিলনের শতদল।। আরো পড়ুন
শিল্প হচ্ছে শিল্পীর আন্তরিক যত্ন, স্নেহ, প্রেম দিয়ে তৈরি বাহ্যিক রূপ। এই শিল্পের মধ্যে গান, নাচ, ছবি, চলচ্চিত্র, ভাস্কর্য ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত যেকোন সৃষ্টি বা বিষয়ের উপর বিশেষ দক্ষতাকেই শিল্প হিসাবে বিবেচনা করা হতো। এটি কেবল্মাত্র বিজ্ঞান কিংবা নৈপুণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলোনা। সপ্তদশ শতকের পরেই সাধারণ বিষয় থেকে চারুকলাকে আলাদা বা পৃথক করা হয়েছে। আমাদের রোদ্দুরে সাইটে শিল্প ক্যাটাগরিতে গান, ছবি সম্পর্কে বেশ কিছু প্রবন্ধ আছে। আবার ভাস্কর্য হচ্ছে শিল্পের একটি রূপ। যা ত্রি-মাত্রিক শিল্পকর্ম। যুগ যুগ থেকে এর গুরুত্ব অনেক। পূর্বে শাসকরা নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য ভাস্কর্য তৈরি করতো। এটা প্রতীক হিসাবে অনেক শিল্পী উপস্থাপন করে।
ঝরা ফুলে ভরা এই যে সমাধিতল – এই তো আমার মাটির বাসর প্রেমের তাজমহল।। কে বলে আমার প্রিয়তমা নাই, পাই না দেখিতে তবু সাড়া পাই– চোখে ঝরে জল হায় মনে তবু দোলে মিলনের শতদল।। আরো পড়ুন
কেন পিয়া পিয়া বলে ডাকে পাপিয়া, হায় অভিমানে চলে গেছে তারও কি প্রিয়া।। চলে গেছে প্রিয়া মম কত দূরে হায়, সুরে সুরে হিয়া সে তো উড়ে যেতে চায়– আমি কাঁদি তারই ভাঙা বীণা বুকে চাপিয়া।। আরো পড়ুন
এনেছি আমার শত জনমের প্রেম আঁখিজলে গাঁথা মালা; ওগো সুদূরিকা, আজো কি হবে না শেষ তোমারে চাওয়ার পালা।। স্বপনে আমার সাথীহারা রাতে, পেয়েছি তোমায় পলকে হারাতে, তোমারে খুঁজিতে যে দীপ জ্বেলেছি হায় বিফলে সে দীপ জ্বালা।। আরো পড়ুন
চাইর চিজে পিঞ্জিরা বানাই, মোরে কইলায় বন্ধু, বন্ধু নিরধনিয়ার ধন, কেমনে পাইমু রে কালা তোর দরিশন।। সমুদ্দুরের জল উঠে বাতাসের জোরে, আবর হইয়া ঘুরে পবনের ভরে, জমিনে পড়িয়া শেষে সমুদ্দুরে যায়, আর জাতেতে মিশিয়া জাতে তরঙ্গ খেলায়।। তুমি আমি আমি তুমি জানিয়াছি মনে, বিচিতে জন্মিয়া গাছ বিচি ধরে কেনে, এক হইতে দুই হইল প্রেমেরই কারণ, সেই অবধি আশিকের দিল করে উচাটন।। আরো পড়ুন
জন ব্রাউনের দেহ শুয়ে সমাধি তলে, তাঁর আত্মা বহ্নিমান হচ্ছে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গণসংগীত। গানটি মাঝারি আকারের ১৬লাইনের একটি গান। গানটি সুর করেছিলেন হেমাঙ্গ বিশ্বাস নিজেই এবং তিনিই গেয়েছিলেন। গানটি হেমাঙ্গ বিশ্বাসের একটি জনপ্রিয় গণসংগীত । আরো পড়ুন
বাজে ক্ষুব্ধ ঈশানী ঝড়ে রুদ্র বিষাণ, (উৎপল দত্তের ‘কল্লোল’ নাটকের প্রস্তাবনা গীত) বাজে ক্ষুদ্র ঈশানী ঝড়ে রুদ্র বিষাণ/ ইনক্লাব আহ্বান —/ নিথর জলধিজলে জাগে উতরোল/ বিষ-মন্থনে ওঠে জীবন হিল্লোল/ ক্রুর বন্ধন ভেঙে ভেঙে তরঙ্গ রঙ্গে ওঠে/ সমুদ্র কল্লোল, উঠিল সমুদ্র কল্লোল।। আরো পড়ুন
আমরা করবো জয়! আমরা করবো জয়! আমরা করবো জয়! নিশ্চয় … আহা বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়, আমরা করবো জয়! নিশ্চয় … ।। আমাদের নেই ভয়, আমাদের নেই ভয়, আমাদের নেই ভয় আজ আর আরো পড়ুন
আমি বড় দুঃখে দুঃখী আমি ও গুরু ভবে কেউ নাই আপনার হচ্ছে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গণসংগীত। গানটি মাঝারি আকারের ১৪ লাইনের একটি কাহিনীকাব্য। গানটি সুর করেছিলেন হেমাঙ্গ বিশ্বাস নিজেই এবং তিনিই গেয়েছিলেন। আরো পড়ুন
আমার ভাবনার কিন্তু দূর হইল না শুনেন গো মুরশিদ হচ্ছে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গণসংগীত। গানটি মাঝারি আকারের ১৫ লাইনের একটি বাংলা গণসংগীত। গানটি সুর করেছিলেন হেমাঙ্গ বিশ্বাস নিজেই এবং তিনিই গেয়েছিলেন। গানটি হেমাঙ্গ বিশ্বাসের একটি জনপ্রিয় গণসংগীত এবং এটি এই গানটিতে মুর্শিদের কাছে অভাব সংক্রান্ত অভিযোগ করা হয়েছে। কাহিনী আকারে গায়ক তার … Read more
আমার শান্তির গৃহ, সুখের স্বপনরে…. দরদী কে দিল ভাঙিয়া/ মন কান্দেরে পদ্মার চরের লাইগ্যা ../ মন কান্দেরে পদ্মার চরের লাইগ্যা দরদীরে,/ মন কান্দে পদ্মার পাড়ের লাইগ্যা।।
পানীত কান্দে, পানী খাউরি, শুকনাত কান্দে টিয়া/ আমার অভাইগ্যার অন্তর কান্দেরে .. পোড়া দেশের লাগিয়া।। মন কান্দেরে পদ্মার চরের লাইগ্যা .. আরো পড়ুন