লতামহুরী বা নানভান্তুর বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

কম্বোডিয়া, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। বাংলাদেশে এটি ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও সিলেট জেলায় জন্মে।আরো পড়ুন

বন ধনে বা বন ধুনিয়া বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বন ধনে

বন ধনে বা বন ধুনিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Croton bonplandianus) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। বহুশাখান্বিত কাষ্ঠল বীরুৎ, ২০-৫০ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন

পাহাড়ি ঝুনঝুনা পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো বিপন্ন ভেষজ বিরুৎ

পাহাড়ি ঝুনঝুনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Crotalaria tetragona) বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলের জেলাগুলোতে জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। মিশ্র পত্রঝরা ও পাহাড়ী চিরহরিৎ বনাঞ্চলের উন্মুক্ত এলাকায় জন্মে। ফল ও ফল ধারণ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি মাস। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন

ছোট ঝুনঝুনা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

ভারতে সাঁওতাল উপজাতীরা মূল পাকস্থলীর জটিলতায় ব্যবহার করে, যেখানে মুণ্ডা উপজাতীরা পেটের পীড়া এবং ডায়রিয়ায়, বিশেষত মারাক্তক ডায়রিয়ায় ব্যবহার করে।আরো পড়ুন

বন অতসি বা ঝুনঝুনা বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বীজ কখনো কফির পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। গাজান পদ্ধতি প্রস্তুতিতেও ব্যবহৃত। চা, রাবার এবং নারিকেল গাছের আচ্ছাদিত উদ্ভিদ হিসাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে।আরো পড়ুন

বড় ঝুনঝুনা বাংলাদেশের বিপন্ন ভেষজ বিরুৎ

খাড়া, বর্ষজীবী বীরুৎ, ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা। কান্ড এবং শাখাপ্রশাখা বেলনাকার, ছড়ানো লম্বা রোমশ। পত্র ৩-পত্রক, পত্রক ঝিল্লিময়, বিডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার-বিডিম্বাকার, ২-৩ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন

দুব্বিশাক বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

লম্বভাবে অবস্থিত বীরুৎ, কাণ্ড সরেখ বা মাকড়সার জালসদৃশ, সরল বা শাখা বিন্যাসিত, ৭০-৭৫ সেমি এর অধিক লম্বা। পত্র উপবৃত্তাকার-বিবল্লমাকার, সবৃন্তক বা অর্ধবৃন্তক; আরো পড়ুন

বউলাগোটা বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

বউলাগোটা অতি গুরুত্বপূর্ণ সর্বার্থসাধক বৃক্ষ, এই বৃক্ষ থেকে খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও কাষ্ঠ পাওয়া যায়। ফল ও বীজের শাস খাদ্যরূপে গ্রহণ করা হয়, শাঁস দাদ নিরাময়ে খুব উপকারীআরো পড়ুন

তিতাপাট উষ্ণমন্ডলীয় দেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

পরিত্যক্ত এলাকায় আগাছার মাঝে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময় আগষ্ট-ফেব্রুয়ারি। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। সমগ্র উপমহাদেশে, কিন্তু সম্ভবত উষ্ণমন্ডলীয় এশিয়ার স্বদেশী। ইহা উষ্ণমন্ডলীয় আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা এবং অস্ট্রেলিয়ায়ও পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সমগ্র জেলায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন

পাহাড়ি জাতা কানশিরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ

পাহাড়ি জাতা কানশিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Commelina paludosa) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। গহীন অরণ্য, রাস্তার পার্শ্বের ভিজা সেঁতসেঁতে মাটি, জলাশয়ের তীরে এই প্রজাতি জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল অক্টোবর থেকে মার্চ। শাখা কলম ও বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!