দিয়েং জুলকাহ পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো ভেষজ ও শোভাবর্ধক গুল্ম

দিয়েং জুলকাহ (বৈজ্ঞানিক নাম: Clerodendrum wallichii) এটি লামিয়াসি পরিবারের ক্লেরোডেন্দ্রোম গণের গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। জংলী প্রজাতি হলেও ফুলের সৌন্দর্যের জন্য বাড়িতে বা বাগানে লাগানো হয়।আরো পড়ুন

চন্দন ভাঁট উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ ও শোভাবর্ধক গুল্ম

হায়ারীবেলী, চন্দন ভাঁট (বৈজ্ঞানিক নাম: Clerodendrum japonicum) এটি লামিয়াসি পরিবারের ক্লেরোডেন্দ্রোম গণের গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। জংলী প্রজাতি হলেও ফুলের সৌন্দর্যের জন্য বাড়িতে বা বাগানে লাগানো হয়।আরো পড়ুন

বনভাতি বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

বনভাতি, নাপি গাছ (বৈজ্ঞানিক নাম: Clerodendrum colebrookianum) এটি লামিয়াসি পরিবারের ক্লেরোডেন্দ্রোম গণের গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। জংলী প্রজাতি হলেও ফুলের সৌন্দর্যের জন্য বাড়িতে বা বাগানে লাগানো হয়।আরো পড়ুন

হলদে হুড়হুড়ি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

হলদে হুড়হুড়ি ঋজু বর্ষজীবী বীরুৎ, ৩০-৯০ সেমি উঁচু, সর্বাঙ্গ বাদামী গ্রন্থিল রোমশ। পত্র ৩ থেকে ৫-পত্রিত, ১.৫-৪.৫ x ১.০-১.৫ সেমি, বিডিম্বাকার বা ডিম্বাকার, মূলীয় অংশ কীলকাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মাগ্র বা দীর্ঘা, প্রান্ত অখন্ড, আরো পড়ুন

কালোমরিচা দক্ষিণ এশিয়ার অরণ্যে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

পাতাগুলি বা শিকড় বিভিন্ন রোগ সারাতে ব্যবহৃত হয়। জ্বর, নিউমোনিয়া, মাথা ব্যথা, নিম্ন রক্তচাপ, গলা এবং সাইনুসাইটিস, যৌনবাহিত রোগ, এফ্রোডিসিয়াক এবং অ্যান্থেলিমিন্টিক হিসাবে, গর্ভবতী মহিলাদের টনিক হিসাবে এবং শিশুদের রিককেটগুলি প্রতিরোধ করতে এবং খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণের জন্য টনিক হিসাবে। আরো পড়ুন

করন কর্পুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চিরহরিৎ বনাঞ্চলে জন্মানো গুল্ম

দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ফিলিপাইন। বাংলাদেশের সিলেট, হবিগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার বনে পাওয়া যায়। তাজা পাতা পান পাতার সাথে চিবিয়ে খাওয়া হয়। ফিলিপাইনে পাতা থেকে সংগৃহীত উদ্বায়ী তেল অ্যালকোহলিক পানীয়তে। আরো পড়ুন

পান কর্পূর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ চীন, দক্ষিণ তাইওয়ান, ফিলিপাইন এবং নিউ গিনি। বাংলাদেশের সিলেট এবং চট্টগ্রাম জেলার বনাঞ্চল থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে।আরো পড়ুন

রাঙা মরমরিয়া লতা শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ প্রজাতি

পত্র ৬.৫-১৯.০ x ২-৮ সেমি, ডিম্বাকার-বল্লমাকার, দীর্ঘা, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার বা অর্ধকর্তিতা, গোলাকার দপ্তর করাত দপ্তর, ঝিল্লিময়, উপরিভাগ গাঢ় সবুজ, প্রায় ধূসর-সবুজ ছোপযুক্ত, নিম্নভাগ গাঢ় লাল। আরো পড়ুন

মেদমেদিয়া লতা বর্ষা অরণ্য জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

বৃহৎ কাষ্ঠল আরোহী, কুঞ্চিত নরম এবং পাকানো। কান্ডবিশিষ্ট, খন্ডিত আকর্ষী চ্যাপ্টা চাকতিযুক্ত। পত্র সরল, ৪-১৩ x ২-১১ সেমি, ডিম্বাকার-বর্তুলাকার বা তরঙ্গায়িত, হৃৎপিন্ডাকার, দীর্ঘাগ্র, গোলাকার দন্তুর, দন্তুরআরো পড়ুন

ছোট মরমরিয়া লতা বাংলাদেশের পাহাড়ে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

বৃহৎ রোমহীন বীরুৎসদৃশ আরোহী। দেখতে চারকোণাকার কান্ডবিশিষ্ট। কান্ড স্থূল রসালো যা সাদা মরিচাযুক্ত। পত্র সরল, ঝিল্লিময়, ডিম্বাকার, হৃৎপিন্ডাকার, সূক্ষ্মাগ্র থেকে দীর্ঘাগ্র, ৫-১২ x ৩-৭ সেমি, প্রান্ত হালকা গোলাকার করাত দপ্তর,আরো পড়ুন

error: Content is protected !!