শিশু গাছ-এর নানাবিধ ঔষধি গুণ ও প্রযোগ পদ্ধতি

ভারতের প্রায় সর্বত্রই অল্পবিস্তর দেখা যায়, তবে স্বাভাবিকভাবে জন্মে হিমালয়ের ৪ হাজার ফুট উচু পর্যন্ত স্থানে, নেপালে, আসামে; এভিন্ন প্রশস্ত রাজপথের ধারেও রোপণ করা হয়। এর সংস্কৃত নাম শিংশপা, বাংলায় বলে শিশু গাছ, হিন্দিতে শিশাই। এর বোটানিক্যাল নাম Dalbergia sissoo Roxb., ফ্যামিলি Papilionaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ-ছাল ও পাতা।আরো পড়ুন

মঞ্জিটা বা মজাঠি গাছের এগারোটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

বৃক্ষারোহী বা ভূমিপ্রসারী লতা, দীর্ঘদিন বেচে থাকে। এটি ভারতের বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলে ৩। ৪ হাজার ফুট থেকে ১০।১২ হাজার ফুট পর্যন্ত উচুতে হ’তে দেখা যায়। লতাটি বহু শাখা-প্রশাখা যুক্ত। গাঁদাল বা গন্ধভাদলে (Paederia foetida) পাতার মত হলেও পাতার বোঁটার দিকটা ডিম্বাকৃতি, লম্বায়। ৩। ৪ ইঞ্চি। অক্টোবর থেকে জানুয়ারী মাসের মধ্যে ফল ও ফল হয়।আরো পড়ুন

বরুণ গাছ, পাতা, ফুলের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

বরুণ

প্রথমেই বলে রাখি যে, বরুণ গাছের ছাল, পাতা ও ফুলের ব্যবহার অত্যন্ত প্রাচীন, তবে দেখা যায় যে, যত শিশু-ভেষজ আছে তার মধ্যে বরুণের ব্যবহারের উল্লেখ বহু ক্ষেত্রে। তাই এটারও গবেষণার ক্ষেত্র আছে, শুধু তাই নয়, প্রয়োজনও আছে। এটি সামগ্রিকভাবে কাজ করে রসবহস্রোতে।আরো পড়ুন

চালমুগরা গাছের দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

মেহ, প্রমেহ, কুষ্ঠ, রক্তবহ স্রোতে বাত (এ বাত কষ্টকর) প্রভৃতি হয়ে থাকে। তাছাড়া মেদবহু স্রোতেও চালমুগরা ভাল কাজ করে। এছাড়া রসবহ স্রোতে যে কাজ করে না তা নয়, আমাশয়জাত-বিষ্ঠাজাত ক্রিমি প্রভৃতিতেও কাজ করে। চালমুগরার বীজচূর্ণ প্রথমে মিষ্টস্বাদের হলেও পরিণামে তিক্ত স্বাদের হয়।আরো পড়ুন

শাল গাছের ১৮ টি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ পদ্ধতি

শাল গাছ সরল ও খুব লম্বা, এতে শাখা-প্রশাখা খুব কম হয়। ছোট গাছের ছাল মসণ; কিন্তু বড় গাছের ছাল ফাটা ফাটা, পরে ১-২ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। পাতা লম্বায় ৬-১০ ইঞ্চি, চওড়ায় ৪-৬ ইঞ্চি, আকারে আয়তাকার এবং পাতার গোড়ার দিকটা ডিম্বাকৃতি, অগ্রভাগ ক্রমশ সরু।আরো পড়ুন

ফলসা গাছের দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

এই গণের প্রায় ৬০টি প্রজাতি উষ্ণ-প্রধান অঞ্চলসমূহে পাওয়া গেলেও তন্মধ্যে ভারতেই অন্ততঃ ৩৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। মধ্যমাকারের ঝোপঝাড় বৃক্ষ, এই প্রজাতিটি ২০/২৫ ফুট পর্যন্তও উচু হতে দেখা যায়। সারা ভারতে এটির চাষ হলেও সমুদ্রতীরবতী অঞ্চলসমূহে এদের বৃদ্ধি বেশী।আরো পড়ুন

কামরাঙা গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

কামরাঙা

কামরাঙা গাছ-এর ফল, পাতা ও মল। কাঁচা ফল স্বাদে অশ্ল, দেহের তাপ বর্ধক ও বক্ষের পীড়াদায়ক। পাকা ফল স্বাদে মধুরাম্লরস, বলকারক ও পিত্তবর্ধক। ঔষধাথ প্রয়োগ কম্বোডিয়ায় এই গাছের পাতা বেদনানাশক ঔষধ হিসেবে ও খোসপাচড়া সারানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

কাঁঠাল গাছ-এর চাষবাস, পরিচর্যা ও ফল সংরক্ষণের প্রক্রিয়া

জাত কাঁঠালের বেশ কিছু জাত এ দেশে রয়েছে। তবে এখনো কোন উচ্চ ফলনশীল আধুনিক কোন জাত উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। এ দেশের চাষকৃত জাতসমূহ মোটামুটি দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—যথা গালা ও খাজা।আরো পড়ুন

সুপারি গাছ চাষ, পরিচর্যার এবং সংগ্রহ পদ্ধতি

গাছে-সুপারি

বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই সুপারি গাছ কমবেশি দেখা যায়। চট্টগ্রাম, সিলেট ও উপকূলীয় জেলাসমূহে সুপারি ভালো জন্মে। সুপারির কয়েকটি জাত আছে। আরো পড়ুন

মনিরাজ বাংলাদেশের পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো সংকটাপন্ন বৃক্ষ

পাতা ফুলের তোড়া বানানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। বীজকে কাম উদ্দীপক হিসাবে চিন্তা করা হয় বলে মেগাস্পোরোফিল বাজারে বিক্রী হয়। ভারতে (আসাম এবং মেঘালয়) কচি কান্ড সবজি হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং বীজও খাওয়া হয় (Sahni. 1990)।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!