তেলি গর্জন দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

তেলি গর্জন (বৈজ্ঞানিক নাম: Dipterocarpus turbinatus) এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। ভারত (আসাম, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ও সিলেট জেলায় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

জানগানিয়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

ভারত, হিমালয়ের পূর্ব দিক, মায়ানমার এবং চীন। বাংলাদেশে ইহা ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন

চাকেমদিয়া ভেষজ গুণসম্পন্ন ও শোভা বর্ধক বৃক্ষ

বৃহৎ বৃক্ষ, বাকল মসৃণ, ধূসর। পত্র ৭.৫-১৮.০ x ১-২ সেমি, পত্রক ১১-১৭টি, চকচকে, ডিম্বাকার, বিডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার, উপরিভাগ রোমহীন, নিম্নভাগ ফিকে এবং মোটামুটি রোমশ, গোড়া গোলাকার বা প্রায় সূক্ষ্মাগ্র, শীর্ষ স্থূলাগ্র, খাতাগ্র, প্রধান শিরা খুবই তির্যক, অসংখ্য, সমান্তরাল, স্পষ্ট, পত্রবৃন্ত প্রায় ৩.৫ মিমি লম্বা। আরো পড়ুন

রয়না বা পিতরাজ-এর মূল, ফুলের নানা ভেষজ গুণাগুণ

পিতরাজ-বা-রয়না

এর সংস্কৃত নাম রোহিতক, বাংলার প্রচলিত নাম পিতরজ ও তিক্তরাজ, হিন্দীতে হরিণহরা ও মারাঠীতে রোহদা নামে প্রখ্যাত। এর বোটানিক্যাল নাম Aphanamixis polystachya (wall.) parker. পরিবার Meliaceae. ঔষধাথে ব্যবহার্য অংশ— গাছের ছাল ও বীজের তেল।আরো পড়ুন

মচকুন্দ গাছের ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

একে সংস্কৃতে মচকুন্দ, মুচুকুন্দ, ক্ষত্রবৃক্ষ, চিত্রক; হিন্দীতে ও বাংলায় মচকুন্দ বলে। মারাঠী ও গজরাটী ভাষাভাষী অঞ্চলেও একে মচকুন্দ বলে। এর বোটানিক্যাল Pterospermum suberifolium Lam., পরিবার: Sterculiaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— ফল ও ছাল

সেগুন গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

এর সংস্কৃত নাম শাক, বাংলায় প্রচলিত নাম সেগুন ও তেলেগুতে টেকু নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Tectona grandis Linn. T. ও ফ্যামিলি Verbenaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ– কাঠ।আরো পড়ুন

কাকডুমুর ফল, ছালের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

এই গণের (Genus) প্রায় ৬০০ প্রজাতি আছে, তন্মধ্যে ১১২টি প্রজাতি ভারতে বর্তমান। এর সংস্কৃত নাম- কাকডুম্বরিকা, বাংলায় প্রচলিত নাম- কাকডুমুর, ডুমর ও হিন্দীতে- কাটগুলারিয়া বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Ficus hispida Linn. ও পরিবার Moraceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- ছাল, মূলের ছাল, ফল ও ক্ষীর।আরো পড়ুন

স্বর্ণচাঁপা ফুল, ফল, গাছের ছালের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

এর সংস্কৃত নাম চম্পক, বাংলায় প্রচলিত নাম চাঁপা ও হিন্দীতে চাম্পা নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Michelia champaca Linn., ও ফ্যামিলি Magnoliaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- ছাল, বীজ, পাতা ও মূল।আরো পড়ুন

কাভ্রী গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

এর সংস্কৃত নাম ল্পক্ষ, বাংলায় প্রচলিত নাম পাকুড় ও হিন্দীতে পিপ্লখান নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Ficus lacor Buch.Ham., ও ফ্যামিলি Moraceae. কিন্তু পূর্বে এর নাম ছিল Ficus infectoria Roxb. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- পাতা ও ছাল। আরো পড়ুন

আতা বা শরিফা গাছ, মূল, পাতা, বীজের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

আতা গাছের এক এক অংশ এক এক ধরনের রোগে কাজ করে; যেমন শিকড়ের (মূলের) রস ভেদক কিন্তু ফলের শাঁস বীর্যস্তম্ভক, আবার পাতার রস বাহ্য ব্যবহারে বিস্ফারক ও কীটনাশক।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!