চীনা জাম আলু অরণ্যে জন্মানো বিরুৎ
ছোট চীনা জাম আলু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dioscorea oppositifolia) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে।আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
ছোট চীনা জাম আলু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dioscorea oppositifolia) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে।আরো পড়ুন
কালো গোল আলু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dioscorea melanophyma) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে।আরো পড়ুন
সোয়া আলু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dioscorea glabra) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে। আরো পড়ুন
কাকুর আলু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dioscorea pubera) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে। আরো পড়ুন
পাহাড়ি পানিতিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Dicliptera bupleuroides) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে।আরো পড়ুন
সাদা শালপানি বা সাদা শালপর্ণী (বৈজ্ঞানিক নাম: Desmodium laxiflorum) এক প্রকারের সপুষ্পক ভেষজ গুল্ম। এদেরকে শোভা বর্ধনের জন্য লাগানো হয়।আরো পড়ুন
ছোট গুল্ম, ৬০-১২০ সেমি উঁচু। কাণ্ড কাষ্ঠল, সামান্য কোণাকার, উপরের দিক খর্বকার ধূসর লোম দ্বারা আবৃত। পত্র ১-ফলক, পত্রক আয়তাকার, সাধারণত ৩-৬টি, গোড়া গোলাকার, একটি সূক্ষ্মাগ্র বিন্দুতে ক্রমে চিকন, নিচের পৃষ্ঠ ধূসর রোম দ্বারা হালকাভাবে আবৃত, পত্রবৃন্ত ১.৫-২.৫ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন
পাহাড়ী বন, ম্যানগ্রোভ বন এবং কর্দমাক্ত সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল মার্চ-জুন। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, উত্তর অস্ট্রেলিয়া এবং মাদাগাস্কার। বাংলাদেশে ইহা সুন্দরবন এবং চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন
ভারত, হিমালয়ের পূর্ব দিক, মায়ানমার এবং চীন। বাংলাদেশে ইহা ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন
রোমহীন, সুদৃশ্য আরোহী। পত্র ১৫-২০ সেমি লম্বা, পত্রক ৫টি, মধ্যম দৃঢ়, উপরিভাগ কিছুটা চকচকে, শীর্ষ আংশিক পুচ্ছযুক্ত, শিরা সামান্য প্রকাশিত। পুষ্পবিন্যাস প্যানিকল, পত্রের সমান লম্বা, কিছুসংখ্যক ছড়ানো সরু হালকা পুষ্পের শাখাবিশিষ্ট, প্যানিকল সাধারণত একল। বৃতি প্রসারিত অবস্থায় লম্বার তুলনায়।আরো পড়ুন