তিতাপাট উষ্ণমন্ডলীয় দেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

পরিত্যক্ত এলাকায় আগাছার মাঝে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময় আগষ্ট-ফেব্রুয়ারি। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। সমগ্র উপমহাদেশে, কিন্তু সম্ভবত উষ্ণমন্ডলীয় এশিয়ার স্বদেশী। ইহা উষ্ণমন্ডলীয় আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা এবং অস্ট্রেলিয়ায়ও পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সমগ্র জেলায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন

পাহাড়ি জাতা কানশিরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ

পাহাড়ি জাতা কানশিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Commelina paludosa) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। গহীন অরণ্য, রাস্তার পার্শ্বের ভিজা সেঁতসেঁতে মাটি, জলাশয়ের তীরে এই প্রজাতি জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল অক্টোবর থেকে মার্চ। শাখা কলম ও বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার।আরো পড়ুন

সোজা জাতা কানশিরা শোভাবর্ধক ও ভেষজ বিরুৎ

পাতা ও কান্ড সবজিরূপে ব্যবহারযোগ্য, বাহারি উদ্ভিদরূপে টবে রোপন করা যায়। এটির পাতা ক্ষতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এর ক্বাথ শরীরের বাহ্যিক ত্বকে প্রয়োগ করা হয়।আরো পড়ুন

চিত্রপত্রী বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বর্ষজীবী বীরুৎ, শাখা প্রশাখা বিস্তৃত, কান্ড লতানো বা আরোহী, প্রায় ৪০ সেমি বা ততোধিক লম্বা, পর্বে মূল জন্মে, পত্র ২.৫-৬.০ x ১.০-২.৫ সেমি, দীর্ঘায়ত বল্লমাকার দীর্ঘাগ্র, পত্রাবরণ লক্ষ্যনীয় রূপে কান্ড আবৃত, মসৃণ, সিলিয়াযুক্ত প্রান্ত পুষ্প পাতার প্রতিমুখ চমসা সদৃশ।আরো পড়ুন

গৈছুই দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার অরণ্যে জন্মানো উদ্ভিদ

ভূমিকা: গৈছুই (বৈজ্ঞানিক নাম: Combretum latifolium) বাংলাদেশের সব পাহাড়িঞ্চলে জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। গৈছুই-এর বর্ণনা: বৃহৎ ছড়ানো গুল্ম বা কাষ্ঠল আরোহী, তরুণ শাখা শল্কপত্র যুক্ত, পুরাতন শাখা মসৃণ। পত্র কাগজবৎ, প্রতিমুখ, প্রশস্ত উপবৃত্তাকার থেকে ডিম্বাকৃতি-উপবৃত্তাকার, ৮-১৮ X ৫.০-১০.৫ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘাগ্র, মূলীয় অংশ কীলকাকার, স্থূলা বা গোলাকার, শিরা ৫-৮ জোড়া, প্রশস্ত ফাঁক যুক্ত, … Read more

সাদা গুইচা চিরহরিৎ অরণ্যে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ

কাষ্ঠল আরোহী বা বৃহৎ ও ছড়ানো গুল্ম। শাখা মসৃণ, ধূসর বাদামী, পুরাতন শাখা মসৃণ, তরুণ অংশ মরচে রোমশ পরবর্তীতে মসৃণ। পত্র কাগজবৎ, বাদামী, উপরের অংশ উজ্জ্বল দীর্ঘায়ত উপবৃত্তাকার বা ডিম্বাকৃতি দীর্ঘায়ত, মসৃণ, ৫.০-১৭.৫ x ২.৫-৭.০ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘা, মূলীয় অংশ গোলাকার বা সামান্য কীলকাকার,আরো পড়ুন

পাতিউনি পর্ণমোচী অরণ্যে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ

বৃহৎ আরোহী গুল্ম, শাখা ও পুষ্প বিন্যাস রোমশ বিহীন, তরুণ বিটপ ঘন শুল্কপত্রে আবৃত, পত্র কাগজবৎ বা অর্ধচর্মবৎ, প্রশস্ত উপবৃত্তাকার, দীর্ঘায়ত উপবৃত্তাকার বা প্রশস্ত ভল্লাকার, ১০-২১ x ৯-১১ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘা, আরো পড়ুন

জালি ভাঙা ফার্ন দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

একটি স্থলজ অথবা পরাশ্রয়ী ফার্ন। গ্রন্থিক ব্যাপক লতানো, ২-৩ মিমি ব্যাসযুক্ত, পাতলাভাবে শল্কযুক্ত, শল্ক বল্লমাকার, পুরু পার্শ্বীয় প্রাচীরযুক্ত কোষ বিশিষ্ট, গাঢ় বাদামী বর্ণের। আরো পড়ুন

কচু বাংলাদেশে জন্মানো জনপ্রিয় ও সহজলভ্য ভেষজ সবজি

গাছটির কন্দ, পাতা, বৃন্ত, বক্রধাবক সবই খাদ্যরূপে গ্রহণ করা হয়। পাতা ও মূলের রস ক্যান্সার রোগে ব্যবহার করা হয়। কাচা পাতা ও গুঁড়িকন্দ খেলে মুখে চুলকানি ও যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। কন্দের রস বিছার হুল বিদ্ধ স্থানে যন্ত্রণা নিরসনে ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

পাহাড়ি বিছুটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ভেষজ গুল্ম

বৃহৎ, চিরহরিৎ পেঁচানো অতিরোমশ গুল্ম। পত্র একান্তর, ৮-১২ x ৪-৭ সেমি, দীর্ঘায়ত থেকে বিডিম্বাকার, মূলীয় অংশ তাম্বুলাকার, শীর্ষ দীর্ঘা, দস্তুর, উভয় পৃষ্ঠ ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, পার্শ্বীয় শিরা প্রতি পার্শ্বে ৪-৬ টি,

error: Content is protected !!