শসা বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো জনপ্রিয় ও ভেষজ ফল
পৃথিবীর সব উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে চাষাবাদ করা হয়। আদিনিবাস হিমালয়ের পাদদেশের পাহাড়ী ভূখন্ড ৩০০০ বছর পূর্ব থেকেই ভারতে চাষ করা হয়। বাংলাদেশের সর্বত্র চাষ করা হয়।আরও পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
পৃথিবীর সব উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে চাষাবাদ করা হয়। আদিনিবাস হিমালয়ের পাদদেশের পাহাড়ী ভূখন্ড ৩০০০ বছর পূর্ব থেকেই ভারতে চাষ করা হয়। বাংলাদেশের সর্বত্র চাষ করা হয়।আরও পড়ুন
ভারতের খন্দ ও পরজা আদিবাসী সম্প্রদায় বক্ষ ও পাকস্থলীর ব্যথায় মুলের বা কান্ডের বাকল চূর্ণ চূর্ণীকৃত গোলমরিচের সাথে একত্র করে সেবন করে। সাওতাল আদিবাসী সম্প্রদায় বাকল ও মূল রেচকরূপে ব্যবহার করে।আরো পড়ুন
কম্বোডিয়া, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। বাংলাদেশে এটি ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও সিলেট জেলায় জন্মে।আরো পড়ুন
বন ধনে বা বন ধুনিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Croton bonplandianus) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। বহুশাখান্বিত কাষ্ঠল বীরুৎ, ২০-৫০ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন
পাহাড়ি ঝুনঝুনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Crotalaria tetragona) বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলের জেলাগুলোতে জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। মিশ্র পত্রঝরা ও পাহাড়ী চিরহরিৎ বনাঞ্চলের উন্মুক্ত এলাকায় জন্মে। ফল ও ফল ধারণ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি মাস। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন
ভারতে সাঁওতাল উপজাতীরা মূল পাকস্থলীর জটিলতায় ব্যবহার করে, যেখানে মুণ্ডা উপজাতীরা পেটের পীড়া এবং ডায়রিয়ায়, বিশেষত মারাক্তক ডায়রিয়ায় ব্যবহার করে।আরো পড়ুন
বীজ কখনো কফির পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। গাজান পদ্ধতি প্রস্তুতিতেও ব্যবহৃত। চা, রাবার এবং নারিকেল গাছের আচ্ছাদিত উদ্ভিদ হিসাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে।আরো পড়ুন
খাড়া, বর্ষজীবী বীরুৎ, ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা। কান্ড এবং শাখাপ্রশাখা বেলনাকার, ছড়ানো লম্বা রোমশ। পত্র ৩-পত্রক, পত্রক ঝিল্লিময়, বিডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার-বিডিম্বাকার, ২-৩ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন
লম্বভাবে অবস্থিত বীরুৎ, কাণ্ড সরেখ বা মাকড়সার জালসদৃশ, সরল বা শাখা বিন্যাসিত, ৭০-৭৫ সেমি এর অধিক লম্বা। পত্র উপবৃত্তাকার-বিবল্লমাকার, সবৃন্তক বা অর্ধবৃন্তক; আরো পড়ুন
বউলাগোটা অতি গুরুত্বপূর্ণ সর্বার্থসাধক বৃক্ষ, এই বৃক্ষ থেকে খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও কাষ্ঠ পাওয়া যায়। ফল ও বীজের শাস খাদ্যরূপে গ্রহণ করা হয়, শাঁস দাদ নিরাময়ে খুব উপকারীআরো পড়ুন