You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Posts tagged "আচরণ"

সজ্ঞা প্রসঙ্গে

আকস্মিকভাবে, কোনোপ্রকার চিন্তা ও ভাবনা ব্যতিরেকে, কোনো সমস্যার সমাধান লাভের উপায়কে সজ্ঞা বা বোধি (ইংরেজি: Intuition) বলে অভিহিত করা হয়। জ্ঞানলাভের উপায় সম্পর্কে দর্শনে বিভিন্ন প্রকার মত আছে। বস্তুবাদী ও বৈজ্ঞানিক উপায় হিসাবে বুদ্ধির সহযোগে কোনো সমস্যার পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ, পরীক্ষা, অনুমান ও প্রয়োগ-সমন্বিত পদ্ধতিকে জ্ঞানলাভের প্রধান উপায় বলে মনে করা হয়। কিন্তু

অনশন প্রসঙ্গে

অনশন (ইংরেজি: Hunger-strike) শব্দটির অর্থ হচ্ছে কোনো খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ না করা। এটি সাধারণ অর্থে উপবাসে থাকা। বিভিন্ন ধর্মে কোনো কোনো উপলক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উপবাস করার নিয়ম দেখা যায়। এরূপ অনশন দ্বারা মানুষ মনের শান্তি লাভ করতে চায় এবং ধর্মের অনুশাসন লাভ করে। কিন্তু আধুনিককালে অনশন একটি রাজনৈতিক অর্থ বহন

গান্ধীবাদ প্রসঙ্গে

অবিভক্ত ভারতবর্ষের জমিদার ও শিল্পপতিদের স্বার্থ রক্ষাকারী এক গণশত্রু মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধীর (১৮৬৯০১৯৪৮ খ্রি.) সামাজিক, রাষ্ট্রীয় অভিমত গান্ধীবাদ (ইংরেজি: Gandhism) বলে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। গান্ধীবাদ রাজনীতি ও সমাজনীতির সাথে ধর্মের সংমিশ্রণে গঠিত। অর্থাৎ গান্ধীবাদ হলো বিশেষ একটি জীবনধারা, যার সারমর্ম হলো সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ, উপনিবেশবাদ, সামন্তবাদ ও কুসংস্কারের সেবা করা। গান্ধীবাদ

আবেগ প্রসঙ্গে

আবেগ বা প্রক্ষোভ (ইংরেজি: Emotion) হচ্ছে ব্যক্তির মানসিক অবস্থাবিশেষ। ব্যক্তি তার পরিবেশ অর্থাৎ অপর ব্যক্তি ও বস্তুর সঙ্গে সতত একটা ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সম্পর্কে সম্পর্কিত। এই ক্রিয়া-প্রক্রিয়া মানসিক অবস্থায় যখন কোনো ব্যতিক্রমের উদ্ভব ঘটায়, তখন তাকে মনের আবেগ বা প্রক্ষোভ বলে অভিহিত করা হয়। আবেগ মনোবিজ্ঞানের একটি ব্যাপকার্থক শব্দ। এর মাধ্যমে আমরা

আচরণবাদ প্রসঙ্গে

আধুনিক মনোবিজ্ঞানে আচরণবাদ, ব্যবহারবাদ (ইংরেজি: Behaviourism) একটি নতুন ধারা। প্রাগমেটিজম বা প্রয়োগবাদ কিংবা কার্যবাদ নামক আধুনিক দার্শনিক তত্ত্বের ভিত্তিতে প্রধাণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মনোবিজ্ঞানের আচরণবাদ তত্ত্বের বিকাশ ঘটে; এ তত্ত্বের প্রথম প্রবক্তা ছিলেন চিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন বি. ওয়াটসন (১৮৭৮-১৯৫৮)। অবশ্য এ ক্ষেত্রে ওয়াটনসনের পূর্বগামী হিসাবে থর্নডাইকের নাম (১৮৭৪-১৯৪৯) উল্লেখ করা

অছিবাদ গান্ধীর প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তা

অছিবাদ (ইংরেজি: Trusteeship) হচ্ছে ভারতবর্ষের জমিদার ও শিল্পপতিদের স্বার্থ রক্ষাকারী প্রতিক্রিয়াশীল গণশত্রু মোহনদাস গান্ধীর ভুল-আর্থনীতিক চিন্তার মূলকথা; এবং পশ্চিমি পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের বিকল্প হিসাবে বিবেচিত। ১৯৪৩ খ্রি. আগা খাঁর প্রাসাদে গান্ধী যখন বন্দি ছিলেন সে সময়ে অছিবাদের খসড়া প্রস্তুত হয়। গান্ধীর জীবনীকার প্যারেলাল তাঁর ‘লাস্ট ফেজ’ নামক গ্রন্থে নিম্নলিখিত মর্মে

নেতৃত্বের ভূমিকা ও জনগণের সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে

প্রগতিতে জনগণের ভূমিকা সম্পর্কিত আলোচনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি প্রয়োজনীয় বিষয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি বলতে আমরা এক্ষেত্রে সামন্তবাদ উৎখাত করে গণতান্ত্রিক বা নয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশকে বুঝাব। এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে জনগণের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনাকে বিবেচনা করব। গণতান্ত্রিক জীবনের অনুশীলনে জনগণ সঠিক চিন্তাধারা ধরে যেমন এগোতে পারে তেমনি ভুল পথেও তারা

জনগণের গণতান্ত্রিক আচরণের অনুশীলন প্রসঙ্গে

জনগণ গণতন্ত্র চান এবং এই গণতন্ত্রের একটি পশ্চাৎপদ রূপ দাস সমাজেই দেখা গেছিল। পরবর্তীতে আধুনিক সমাজে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনেন মূলত উঠতি বুর্জোয়ারা এবং তাদের সমর্থক কতিপয় মহান দার্শনিক। বুর্জোয়ারা মূলত সামন্তবাদকে ভেঙে ফেলেন এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও মুনাফার মাধ্যমে ভুমিদাসকে নিক্ষেপ করেন শহরে মজুরি শ্রমিক হিসেবে। ফলে পুঁজিবাদী সমাজের গণতন্ত্র

Top