আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > শিল্প > সঙ্গীত

নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক পায়েলখানি বাজে, মাদল বাজে সেই সংকেতে

নিটোল পায়ে

নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক; পায়েলখানি বাজে, মাদল বাজে সেই সংকেতে, শ্যামা মেয়ে নাচে, পাগলপারা চাঁদের আলো, নাচের তালে মেশে, নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক। চাঁদের আলোয় কালো কাকা, নাচের তালে দোলেরে আহা মরি, ঢলে ঢলে দোলে, যেন সাদা মেঘের কোলে, কালো তড়িৎ খেলেরে খেলে আরো পড়ুন

ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা পান খাইয়া যাও, বাঁশী আল্লাহ’র দোহায়

ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা

ও…ও বাঁশী, ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা পান খাইয়া যাও, বাঁশী আল্লাহ’র দোহায়, এই পরানের বিনিময় তোমার পরান দিও বাশী, আল্লাহ’র দোহায়… ও…ও বাঁশী, বানের টানে টানে আইসো আমার পাণে, মধু লাগাইও মনে মজিও পানের গুনে আসিও।। আরো পড়ুন

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি

একটি দুটি তারা

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি মনকে দিলাম ছুটি তাই গো এই সন্ধ্যায়। একটি দুটি ফুল করে ফুটি ফুটি যেথা খুশি মুঠি মুঠি পাই গো সেথা মন ধায়।। তোমার আমার মাঝে রবে নীরবতা মাঝে মাঝে শুধু একটি দুটি কথা, সেই শুনে উলু দেবে অলি নিশিগন্ধায়।। প্রথম রাতের চাঁদ জেগে রবে দূরে বাতাসের বাঁশি ভরে যাবে সুরে, সেই শুনে ঢুলু ঢুলু

ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী

ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী, তোমারই দুয়ারে কুড়াতে এসেছি ফেলে দেওয়া মালাখানি, নয়নের জলে যে কথা জানাই, সে ব্যথা আমার কেহ বোঝে নাই, মেঘের মরমে যে মিনতি কাঁদে চাঁদ বুঝিবে না জানি, ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী। আরো পড়ুন

শ্রাবণরাতি বাদল নামে

শ্রাবণরাতি বাদল নামে, কোথা তুমি এসো ফিরে— কেতকী ঝরে পথের ‘পরে বাঁধন ছিঁড়ে।। বেতস বনে বাতাস কাঁদে সে শুধু সুরে বেদন সাধে, অকূল আঁধার জাগিয়ে মম পরাণ ঘিরে।। হে মেঘ, জানো কি তুমি প্রিয়া কোথায় আছে, বিরহ ব্যথা কহিব বলো কাহার কাছে। আরো পড়ুন

শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে গো

শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে গো ঐ অন্তর হল দিশাহারা ! আজ কোথা সেদিনের ছলছল কলগান, জ্বলজ্বল দুটি আঁখি তারা।। একটি বাঁশির মীড়ে বেজে ওঠা কাঁকনের ধ্বনি, বালুচরে আর নাহি শুনি! আরো পড়ুন

পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে

পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে একফালি চাঁদ বাঁকা ঐ, তুমি আমি দুজনাতে বাসর জেগে রই। তোমার আছে সুর আর আমার আছে ভাষা, মনের কোনে আছে কিছু পাওয়ার আশা, এবার কিছু শুনি আর আমিও কিছু কই আরো পড়ুন

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি মোর নিশীথ বাসর শয্যায়, মন বলে ভালবেসেছি, আঁখি বলিতে পারেনি লজ্জায়। জানিনা এ কোন লীলাতে মন চায় যে মাধুরী বিলাতে, তবু পারেনি তোমারে ভোলাতে মধুর বধুর সজ্জায়।। সুন্দর এই মায়া তিথিতে মন তুমি ছাড়া কিছু জানে না, যেন এ আবেশ কোনদিন ভাঙ্গে না। জানিনা তো এই ফাগুনে আমি জ্বলে মরি কীসের আগুনে এ কোন খুশীর বিজুরী শিহরে তনুর মজ্জায়।। কথা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুর:

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন আজ ওই চোখে সাগরের নীল— আমি তাই কি গান গাই কি বুঝি মনে মনে হয়ে গেল মিল। কবরীতে ওই ঝর ঝর কনকচাঁপা, না- বলা কথায় থর থর অধর কাঁপা— তাই কি আকাশ হল আজ আলোয় আলোয় ঝিলমিল।। এই যেন নই গো প্রথম— তোমায় যে কত দেখেছি, স্বপনেরও তুলি দিয়ে তাই তোমার সে ছবি এঁকেছি। মৌমাছি আজ

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া, আমার ভাইধনরে কইও—নাইওর নিতো

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া আমার ভাইধনরে কইও—নাইওর নিতো বইল্যা। বছরখানি ঘুইর‍্যা গেল, গেল রে, ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না। কইলজা আমার পুইড়া গেল, গেল রে, ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না। ছিলাম রে কতই আশা লইয়া। ভাই না আইল—গেল গেল রথের মেলা চইল্যা।। প্রাণ কান্দে, কান্দে—প্রাণ কান্দেরে,

Top
You cannot copy content of this page