You are here
Home > শিল্প > সঙ্গীত

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি — পীতাম্বর দাস

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি বাংলা দেশাত্মবোধক গানের মধ্যে একটি খুবই উল্লেখযোগ্য গান। গানটির গীতিকার ও সুরকার পীতাম্বর দাস সরল লৌকিক ঝুমুর বাউল সুরে রচনা ও সুরারোপ করেন। গানটি ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতাসংগ্রামী মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর (৩ ডিসেম্বর, ১৮৮৯ - ১১ আগস্ট, ১৯০৮) সম্মানে রচিত হয় এবং তৎকালীন সময়ে খুব জনপ্রিয় হয়। ভারতের

শুক-শারী সংবাদ — গোবিন্দ অধিকারী

বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের। রাই আমাদের রাই আমাদের আমরা রাইয়ের রাই আমাদের।। শুক বলে আমার কৃষ্ণ মদনমোহন। শারী বলে আমার রাধা বামে যতক্ষণ; নৈলে শুধুই মদন। শুক বলে আমার কৃষ্ণ গিরি ধরেছিল। শারী বলে আমার রাধা শক্তি সঞ্চারিল; নৈলে পারিবে কেন? শুক বলে আমার কৃষ্ণের মাথায় ময়ুর পাখা। শারী বলে আমার রাধার নামটি তাতে লিখা; ঐ যে যায় গো দেখা।। শুক বলে

চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি — গোবিন্দ অধিকারী

চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি এ ফুলে এ কল আছে কে জানে। এতো ফুল নয় ভাই ত্রিশুল অসি, মরমে রহিল পশি রাই-রূপসীর রূপ অসি হানেপ্রাণে।। শ্রীরাধাকুণ্ডবাসী শ্রীরাধা-তুল্যবাসী অসি সরসী বাসি কাননে। এখন বিনে সেই রাই রূপসী জ্ঞান হয় সব বিষরাশি, গরলগ্রাসী নাশি জীবনে।        আমার মিথ্যা নাম  রাখালরাজ        রাখাল সঙ্গে বিরাজ, রাখালের রাজ অঙ্গে কাজ কি জানে। যদি

তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে

হস্তিক নড়ান হস্তিক চরান হস্তির পায়ে বেড়ি   ও রে সত্যি করিয়া কনরে মাহুত কোন বা দেশে বাড়িরে? আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে?   হস্তিক নরাং হস্তিক চরাং হস্তির গালায় দড়ি ওরে সত্য করিয়া কংরে কন্যা গৌরীপুরে বাড়ি রে। আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি

হেমাঙ্গ বিশ্বাস বাংলা গণসংগীতের জননন্দিত মহাযোদ্ধা

হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম ১৯১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর; বাংলা তারিখ ২৭ অগ্রহায়ণ ১৩১৯। জন্মস্থান তৎকালীন শ্রীহট্ট বা সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাসি গ্রামে। সে হিসেবে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সিলেটের মিরাশির বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম হ রকুমার বিশ্বাস ও মা সরোজিনী দেবি। তাঁর মৃত্যূ তারিখ ২২ নভেম্বর ১৯৮৭। তিনি একজন

লোকসংগীতের গণশিল্পী পিট সীগার

পিটার "পিট" সিগার (৩ মে, ১৯১৯ – ২৭ জানুয়ারি, ২০১৪) ছিলেন একজন মার্কিন লোকসঙ্গীত শিল্পী। তিনি ১৯৪০’র দশকে জাতীয় বেতারের অনুষ্ঠানে, দ্য উয়িভারস-এর সদস্য হিসেবে ১৯৫০’র দশকে যন্ত্রসংগীতে জননন্দিত রেকর্ড করেন, ১৯৫০’র দশকে ১৩ সপ্তাহ ধরে টপচার্টে অবস্থান করা ‘লীড বেলি'র “গুডনাইট, ইরিন”-এর রেকর্ডিঙের জন্য অধিক খ্যাত হন। দ্য উয়িভারসের

পরেশ ধর বিশ শতকের মহান গণসংগীত গীতিকার ও কবি

পরেশ ধর, ইংরেজিতে Paresh Dhar, (৯ আগস্ট, ১৯১৮ - ৬ এপ্রিল, ২০০২) বাংলাভাষার বিশ শতকের কবি, গণসংগীত গীতিকার, গীতিনাট্যকার, লেখক, বংশীবাদক, যাত্রাপালা রচয়িতা, রাজনীতিক এবং একজন মাওবাদী চিন্তক। তিনি পশ্চিমবঙ্গ গণ-সংস্কৃতি পরিষদ ও বিপ্লবী লেখক শিল্পী বুদ্ধিজীবী সংঘের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং এম.সি.সি.-র (মাওইস্ট কমিউনিস্ট সেন্টার) রাজনীতির নিকটবর্তী চিন্তার

গোয়ালপাড়িয়া লোকগানের রাজকন্যা প্রতিমা বড়ুয়া পাণ্ডে

প্রতিমা বড়ুয়া পাণ্ডে (অসমীয়া: প্ৰতিমা বৰুৱা পাণ্ডে) (৩ অক্টোবর, ১৯৩৫ – ২৭ ডিসেম্বর ২০০২) ছিলেন জনপ্রিয় গোয়ালপাড়িয়া লোকগীতি গায়িকা। কালজয়ী গোয়ালপাড়িয়া লোকগীতি জনপ্রিয়করণের জন্যে প্রতিমা বরুয়া পাণ্ডে ১৯৯১ ভারতের রাষ্ট্রীয় ‘পদ্মশ্রী’ এবং ১৯৮৮ সালে ভারত ‘সংগীত নাটক একাডেমী’ পুরস্কার দ্বারা ভূষিত হন। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিমা বড়ুয়া পাণ্ডে বিখ্যাত ছিলেন তার

বাংলা গানে সাঁওতালি সুর

সাঁওতালি সুরে বাংলা ভাষায় অনেক গান লেখা হয়েছে। বাংলার উত্তরে যেমন সাঁওতালদের বাস, তেমনি সাঁওতাল পরগণার আশপাশে তাঁদের সংখ্যাধিক্যের বসতি হবার কারণে বাঙালির সাথে সাঁওতালদের মনের সংযোগ দীর্ঘদিনের। লাল পাহাড়ির দেশ বা বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া তো এখনো সাঁওতাল অধ্যুষিত, ফলে সাঁওতালদের সাথে বাঙালির যোগ কয়েকশত বছরের। রাঢ় বঙ্গের কৃষকদের সাথে

Top